ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
পাঁচ ঘণ্টা লাইন, চার লিটার তেল, আর একটি তথাকথিত “নির্বাচিত” সরকার!
অপশাসন, ভয় আর মামলার বোঝা—এভাবেই কি ঝরে যাবে একের পর এক প্রাণ? ইউনুস–তারেকের রাজনীতিতে কি মানুষের জীবন এতটাই তুচ্ছ হয়ে গেছে?
একটি স্বেচ্ছাচারী একপাক্ষিক সংসদ কর্তৃক গণবিরোধী আইন পাশ ও দেশের নৈরাজ্যময় পরিস্থিতিতে স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বানঃ
প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের প্রথম বেতার ভাষণ। ১১ এপ্রিল, ১৯৭১
‘ড. ইউনূস ৬টি জেনারেশন ধ্বংস করে দিয়েছেন, আওয়ামী লীগের সমর্থক বাড়ছে’
হাসিনা সরকারকে সরাতে ৩২ কোটি ডলার খরচ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র: মার্কিন সংবাদমাধ্যম
প্রথম আলোর আড়ালে হিযবুত তাহরির ও মেজর জিয়ার ঘনিষ্ঠ সহযোগী আরিফ রহমান: নেপথ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য
স্বাস্থ্য খাতকে নতুন করে ঢেলে সাজাতে হবে
স্বাধীনতার ৫৩ বছরেও বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাত গড়েই উঠেনি। সেখানে সংস্কারের কিছু নেই। এটিকে নতুন করে ঢেলে সাজাতে হবে।
বুধবার রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) নসরুল হামিদ মিলনায়তনে ‘নতুন অভিযাত্রায় বাংলাদেশের স্বাস্থ্য সংস্কার ভাবনা’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে এসব কথা বলেন আলোচকরা। বৈঠকের আয়োজন করে সুস্বাস্থ্যের বাংলাদেশ নামে একটি সামাজিক সংগঠন।
এতে বক্তব্য দেন, সংগঠনের আহ্বায়ক ডা. কাজী সাইফউদ্দীন বেন্নূর, সদস্য সচিব
ডা. শামীম হায়দার তালুকদার, সদস্য ডা. সাখাওয়াৎ হোসেন, ডা. মো. আব্দুস শাকুর খান, ডা. শরফুল ইসলাম খান (ববি), ড. এম এ রাজ্জাক, ডা. জহিরুল ইসলাম শাকিল, ডা. সৈয়দ মো. বকিবিল্লা টুটুল, ডা. মীর শরিফুল ইসলাম, ওজিএসবি সভাপতি অধ্যাপক ফারহানা দেওয়ান, ডাক্তার জহিরুল ইসলাম
শাকিল, অধ্যাপক ফুয়াদ চৌধুরী, সাংবাদিক রাশেদ রাব্বি ও শিশির মোড়ল প্রমুখ। বক্তারা বলেন, আমাদের পাবলিক সেক্টরেরের হাসপাতালে দীর্ঘ সময় বসে থেকে জন্য মানুষ বেসরকারি হাসপাতাল ও বিদেশে যাচ্ছে। আমাদের স্বাস্থ্য নীতি প্রণয়ন ও সরকারের বাজেট এবং স্বাস্থ্য পরিকল্পনা থাকতে হবে। কাঠামোর ওপর দাঁড়ানোর পরে সংস্কারের প্রশ্ন আসে। কিন্তু আমাদের স্বাধীনতার ৫৩ বছরেও আমরা আমাদের স্বাস্থ্য খাতকে টেকসই খাত হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে পারিনি। এখানে কোনো পরিকল্পনা ও স্বাস্থ্য নীতি নেই। কিসের ভিত্তিতে এটিকে সংস্কার করা হবে। তাই এটিকে পূর্ণাঙ্গভাবে ঢেলে সাজাতে হবে।
শাকিল, অধ্যাপক ফুয়াদ চৌধুরী, সাংবাদিক রাশেদ রাব্বি ও শিশির মোড়ল প্রমুখ। বক্তারা বলেন, আমাদের পাবলিক সেক্টরেরের হাসপাতালে দীর্ঘ সময় বসে থেকে জন্য মানুষ বেসরকারি হাসপাতাল ও বিদেশে যাচ্ছে। আমাদের স্বাস্থ্য নীতি প্রণয়ন ও সরকারের বাজেট এবং স্বাস্থ্য পরিকল্পনা থাকতে হবে। কাঠামোর ওপর দাঁড়ানোর পরে সংস্কারের প্রশ্ন আসে। কিন্তু আমাদের স্বাধীনতার ৫৩ বছরেও আমরা আমাদের স্বাস্থ্য খাতকে টেকসই খাত হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে পারিনি। এখানে কোনো পরিকল্পনা ও স্বাস্থ্য নীতি নেই। কিসের ভিত্তিতে এটিকে সংস্কার করা হবে। তাই এটিকে পূর্ণাঙ্গভাবে ঢেলে সাজাতে হবে।



