ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
‘শেখ হাসিনাকে ফেরতের বিষয়টি বিবেচনা করছে ভারত’
১৭ই এপ্রিল, ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস। বাঙালি জাতির স্বাধীনতা অর্জনের এক স্মৃতি বিজড়িত দিন
আওয়ামী লীগ নেতাদের মুক্তিতে প্রথম আলোর জোরালো অবস্থান
অবসরপ্রাপ্ত দুই সেনা কর্মকর্তাকে জুলাই-আগস্টে ঢাকায় হত্যাকাণ্ড বাড়ানোর নির্দেশ দেয় কে?
সেনা জেনারেলদের গভীর রাতের বৈঠকই শেখ হাসিনার সরকারের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়
ইউনূস আমলে এলএনজি ক্রয়ে দুর্নীতি ৮৫৫ মিলিয়ন ডলার; জুন পর্যন্ত এলএনজি-সার কিনতে দরকার অতিরিক্ত ২.৬১ বিলিয়ন ডলার
মুজিবনগর দিবসে কোনো কর্মসূচি রাখেনি বিএনপির সরকার;স্মৃতিসৌধে মুক্তিযোদ্ধাদের শ্রদ্ধা
স্বাস্থ্য খাতকে নতুন করে ঢেলে সাজাতে হবে
স্বাধীনতার ৫৩ বছরেও বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাত গড়েই উঠেনি। সেখানে সংস্কারের কিছু নেই। এটিকে নতুন করে ঢেলে সাজাতে হবে।
বুধবার রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) নসরুল হামিদ মিলনায়তনে ‘নতুন অভিযাত্রায় বাংলাদেশের স্বাস্থ্য সংস্কার ভাবনা’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে এসব কথা বলেন আলোচকরা। বৈঠকের আয়োজন করে সুস্বাস্থ্যের বাংলাদেশ নামে একটি সামাজিক সংগঠন।
এতে বক্তব্য দেন, সংগঠনের আহ্বায়ক ডা. কাজী সাইফউদ্দীন বেন্নূর, সদস্য সচিব
ডা. শামীম হায়দার তালুকদার, সদস্য ডা. সাখাওয়াৎ হোসেন, ডা. মো. আব্দুস শাকুর খান, ডা. শরফুল ইসলাম খান (ববি), ড. এম এ রাজ্জাক, ডা. জহিরুল ইসলাম শাকিল, ডা. সৈয়দ মো. বকিবিল্লা টুটুল, ডা. মীর শরিফুল ইসলাম, ওজিএসবি সভাপতি অধ্যাপক ফারহানা দেওয়ান, ডাক্তার জহিরুল ইসলাম
শাকিল, অধ্যাপক ফুয়াদ চৌধুরী, সাংবাদিক রাশেদ রাব্বি ও শিশির মোড়ল প্রমুখ। বক্তারা বলেন, আমাদের পাবলিক সেক্টরেরের হাসপাতালে দীর্ঘ সময় বসে থেকে জন্য মানুষ বেসরকারি হাসপাতাল ও বিদেশে যাচ্ছে। আমাদের স্বাস্থ্য নীতি প্রণয়ন ও সরকারের বাজেট এবং স্বাস্থ্য পরিকল্পনা থাকতে হবে। কাঠামোর ওপর দাঁড়ানোর পরে সংস্কারের প্রশ্ন আসে। কিন্তু আমাদের স্বাধীনতার ৫৩ বছরেও আমরা আমাদের স্বাস্থ্য খাতকে টেকসই খাত হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে পারিনি। এখানে কোনো পরিকল্পনা ও স্বাস্থ্য নীতি নেই। কিসের ভিত্তিতে এটিকে সংস্কার করা হবে। তাই এটিকে পূর্ণাঙ্গভাবে ঢেলে সাজাতে হবে।
শাকিল, অধ্যাপক ফুয়াদ চৌধুরী, সাংবাদিক রাশেদ রাব্বি ও শিশির মোড়ল প্রমুখ। বক্তারা বলেন, আমাদের পাবলিক সেক্টরেরের হাসপাতালে দীর্ঘ সময় বসে থেকে জন্য মানুষ বেসরকারি হাসপাতাল ও বিদেশে যাচ্ছে। আমাদের স্বাস্থ্য নীতি প্রণয়ন ও সরকারের বাজেট এবং স্বাস্থ্য পরিকল্পনা থাকতে হবে। কাঠামোর ওপর দাঁড়ানোর পরে সংস্কারের প্রশ্ন আসে। কিন্তু আমাদের স্বাধীনতার ৫৩ বছরেও আমরা আমাদের স্বাস্থ্য খাতকে টেকসই খাত হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে পারিনি। এখানে কোনো পরিকল্পনা ও স্বাস্থ্য নীতি নেই। কিসের ভিত্তিতে এটিকে সংস্কার করা হবে। তাই এটিকে পূর্ণাঙ্গভাবে ঢেলে সাজাতে হবে।



