ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ঋণে ডুবে থাকা রাষ্ট্র: অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যর্থ অর্থনীতি ও ভবিষ্যৎ বন্ধকের রাজনীতি
নির্বাচনের নামে দখলদার ইউনুসের বানানো মেটিক্যুলাস ডিজাইনের মাধ্যমে যা চলছে, তাকে এক কথায় বলা যায় সিট ভাগাভাগির নির্বাচন।
রক্তের দামে কেনা ইউনুসের ক্ষমতার খতিয়ান
ইউনুসনামা : ক্ষমতা দখলের পর থেকে ধ্বংসযজ্ঞের হিসাব
রাজনীতির চোরাবালি: আদর্শের বিসর্জন ও এক ‘অরসেলাইন’ নির্বাচনের আখ্যান
বিকাশে ভোট কেনা ও কেন্দ্র দখলের ‘নীল নকশা’: ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন জিম্মি করার ভয়ানক ছক জামায়াতের
জামায়াত কানেকশন ও দিল্লি সফর: সারাহ কুককে ফিরিয়ে দিল সাউথ ব্লক
স্বাস্থ্য খাতকে নতুন করে ঢেলে সাজাতে হবে
স্বাধীনতার ৫৩ বছরেও বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাত গড়েই উঠেনি। সেখানে সংস্কারের কিছু নেই। এটিকে নতুন করে ঢেলে সাজাতে হবে।
বুধবার রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) নসরুল হামিদ মিলনায়তনে ‘নতুন অভিযাত্রায় বাংলাদেশের স্বাস্থ্য সংস্কার ভাবনা’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে এসব কথা বলেন আলোচকরা। বৈঠকের আয়োজন করে সুস্বাস্থ্যের বাংলাদেশ নামে একটি সামাজিক সংগঠন।
এতে বক্তব্য দেন, সংগঠনের আহ্বায়ক ডা. কাজী সাইফউদ্দীন বেন্নূর, সদস্য সচিব
ডা. শামীম হায়দার তালুকদার, সদস্য ডা. সাখাওয়াৎ হোসেন, ডা. মো. আব্দুস শাকুর খান, ডা. শরফুল ইসলাম খান (ববি), ড. এম এ রাজ্জাক, ডা. জহিরুল ইসলাম শাকিল, ডা. সৈয়দ মো. বকিবিল্লা টুটুল, ডা. মীর শরিফুল ইসলাম, ওজিএসবি সভাপতি অধ্যাপক ফারহানা দেওয়ান, ডাক্তার জহিরুল ইসলাম
শাকিল, অধ্যাপক ফুয়াদ চৌধুরী, সাংবাদিক রাশেদ রাব্বি ও শিশির মোড়ল প্রমুখ। বক্তারা বলেন, আমাদের পাবলিক সেক্টরেরের হাসপাতালে দীর্ঘ সময় বসে থেকে জন্য মানুষ বেসরকারি হাসপাতাল ও বিদেশে যাচ্ছে। আমাদের স্বাস্থ্য নীতি প্রণয়ন ও সরকারের বাজেট এবং স্বাস্থ্য পরিকল্পনা থাকতে হবে। কাঠামোর ওপর দাঁড়ানোর পরে সংস্কারের প্রশ্ন আসে। কিন্তু আমাদের স্বাধীনতার ৫৩ বছরেও আমরা আমাদের স্বাস্থ্য খাতকে টেকসই খাত হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে পারিনি। এখানে কোনো পরিকল্পনা ও স্বাস্থ্য নীতি নেই। কিসের ভিত্তিতে এটিকে সংস্কার করা হবে। তাই এটিকে পূর্ণাঙ্গভাবে ঢেলে সাজাতে হবে।
শাকিল, অধ্যাপক ফুয়াদ চৌধুরী, সাংবাদিক রাশেদ রাব্বি ও শিশির মোড়ল প্রমুখ। বক্তারা বলেন, আমাদের পাবলিক সেক্টরেরের হাসপাতালে দীর্ঘ সময় বসে থেকে জন্য মানুষ বেসরকারি হাসপাতাল ও বিদেশে যাচ্ছে। আমাদের স্বাস্থ্য নীতি প্রণয়ন ও সরকারের বাজেট এবং স্বাস্থ্য পরিকল্পনা থাকতে হবে। কাঠামোর ওপর দাঁড়ানোর পরে সংস্কারের প্রশ্ন আসে। কিন্তু আমাদের স্বাধীনতার ৫৩ বছরেও আমরা আমাদের স্বাস্থ্য খাতকে টেকসই খাত হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে পারিনি। এখানে কোনো পরিকল্পনা ও স্বাস্থ্য নীতি নেই। কিসের ভিত্তিতে এটিকে সংস্কার করা হবে। তাই এটিকে পূর্ণাঙ্গভাবে ঢেলে সাজাতে হবে।



