ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
“হ্যাঁ–না ভোটের ফল আগেই নির্ধারিত। এখন চলছে ভোটের নামে এক প্রহসন।” — জননেত্রী শেখ হাসিনা
বাংলাদেশে ভোট বয়কটের ডাক ৫ পেশাজীবী সংগঠনের
নির্বাচনের নামে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর জীবনে ভয় ও আতঙ্ক সৃষ্টি করা কোনোভাবেই গণতান্ত্রিক চর্চা হতে পারে না
যে জাতি তার মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান করতে ভুলে যায়, সেই জাতি নিজের জন্মকেই অস্বীকার করে
ফাঁস হওয়া নথিতে ৬৪ ডিসির রাজনৈতিক পরিচয়: ‘নিরপেক্ষ’ প্রশাসনে দলীয়করণের ছায়া
পরিচয় ফাঁসের আতঙ্ক: পোস্টাল ব্যালটে ভোটদানে বিমুখ সরকারি চাকরিজীবী কর্মকর্তারা
আসন্ন নির্বাচনকে ‘প্রহসন’ আখ্যা ভোট বর্জনের ডাক দিয়ে ৭০৭ আইনজীবীর বিবৃতি
স্বাস্থ্য খাতকে নতুন করে ঢেলে সাজাতে হবে
স্বাধীনতার ৫৩ বছরেও বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাত গড়েই উঠেনি। সেখানে সংস্কারের কিছু নেই। এটিকে নতুন করে ঢেলে সাজাতে হবে।
বুধবার রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) নসরুল হামিদ মিলনায়তনে ‘নতুন অভিযাত্রায় বাংলাদেশের স্বাস্থ্য সংস্কার ভাবনা’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে এসব কথা বলেন আলোচকরা। বৈঠকের আয়োজন করে সুস্বাস্থ্যের বাংলাদেশ নামে একটি সামাজিক সংগঠন।
এতে বক্তব্য দেন, সংগঠনের আহ্বায়ক ডা. কাজী সাইফউদ্দীন বেন্নূর, সদস্য সচিব
ডা. শামীম হায়দার তালুকদার, সদস্য ডা. সাখাওয়াৎ হোসেন, ডা. মো. আব্দুস শাকুর খান, ডা. শরফুল ইসলাম খান (ববি), ড. এম এ রাজ্জাক, ডা. জহিরুল ইসলাম শাকিল, ডা. সৈয়দ মো. বকিবিল্লা টুটুল, ডা. মীর শরিফুল ইসলাম, ওজিএসবি সভাপতি অধ্যাপক ফারহানা দেওয়ান, ডাক্তার জহিরুল ইসলাম
শাকিল, অধ্যাপক ফুয়াদ চৌধুরী, সাংবাদিক রাশেদ রাব্বি ও শিশির মোড়ল প্রমুখ। বক্তারা বলেন, আমাদের পাবলিক সেক্টরেরের হাসপাতালে দীর্ঘ সময় বসে থেকে জন্য মানুষ বেসরকারি হাসপাতাল ও বিদেশে যাচ্ছে। আমাদের স্বাস্থ্য নীতি প্রণয়ন ও সরকারের বাজেট এবং স্বাস্থ্য পরিকল্পনা থাকতে হবে। কাঠামোর ওপর দাঁড়ানোর পরে সংস্কারের প্রশ্ন আসে। কিন্তু আমাদের স্বাধীনতার ৫৩ বছরেও আমরা আমাদের স্বাস্থ্য খাতকে টেকসই খাত হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে পারিনি। এখানে কোনো পরিকল্পনা ও স্বাস্থ্য নীতি নেই। কিসের ভিত্তিতে এটিকে সংস্কার করা হবে। তাই এটিকে পূর্ণাঙ্গভাবে ঢেলে সাজাতে হবে।
শাকিল, অধ্যাপক ফুয়াদ চৌধুরী, সাংবাদিক রাশেদ রাব্বি ও শিশির মোড়ল প্রমুখ। বক্তারা বলেন, আমাদের পাবলিক সেক্টরেরের হাসপাতালে দীর্ঘ সময় বসে থেকে জন্য মানুষ বেসরকারি হাসপাতাল ও বিদেশে যাচ্ছে। আমাদের স্বাস্থ্য নীতি প্রণয়ন ও সরকারের বাজেট এবং স্বাস্থ্য পরিকল্পনা থাকতে হবে। কাঠামোর ওপর দাঁড়ানোর পরে সংস্কারের প্রশ্ন আসে। কিন্তু আমাদের স্বাধীনতার ৫৩ বছরেও আমরা আমাদের স্বাস্থ্য খাতকে টেকসই খাত হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে পারিনি। এখানে কোনো পরিকল্পনা ও স্বাস্থ্য নীতি নেই। কিসের ভিত্তিতে এটিকে সংস্কার করা হবে। তাই এটিকে পূর্ণাঙ্গভাবে ঢেলে সাজাতে হবে।



