ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ইউনূসের বিরুদ্ধে আয়কর ফাঁকি ও অর্থ পাচারের অভিযোগ
জুলাই বিক্ষোভে নির্মমভাবে পুলিশ হত্যা: দাবি আদায়ের নামে রাষ্ট্রীয় বাহিনীকে পঙ্গু করার জঙ্গি পরিকল্পনা?
গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব থেকে সরলো জামায়াতপন্থী লে. জেনারেলসহ শীর্ষ ৬ কর্মকর্তা
গণভোটে অতিরিক্ত দেখানো ৯ লাখ ‘হ্যাঁ’ ভোট বাদ দিল নির্বাচন কমিশন
পুলিশে শিগগিরই বিশাল নিয়োগ: ১০ হাজার কনস্টেবল, শূন্যপদে ১৮০ সার্জেন্ট
অনলাইন পোর্টাল ও আইপি টিভি নীতিমালার আওতায় আনা হবে : তথ্য প্রতিমন্ত্রী
২১শে ফেব্রুয়ারিতে ভাষা আন্দোলন ও স্বাধীনতার নেতৃত্বদানকারী দলকে বাধা এবং রাজাকারের নামে স্লোগান ইতিহাসকে বদলে দেবার চক্রান্ত!
সাবেক খাদ্যমন্ত্রী গ্রেফতার
সাবেক খাদ্যমন্ত্রী ও নওগাঁ-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সাধন চন্দ্র মজুমদারকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর (গোয়েন্দা) পুলিশ।
ডিএমপির মিডিয়া সেল থেকে খুদেবার্তায় গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
ছাত্রলীগের মাধ্যমে রাজনীতির হাতেখড়ি হয় সাধন চন্দ্র মজুমদারের। একসময় ইউপি চেয়ারম্যান ছিলেন। এরপর উপজেলা চেয়ারম্যান এবং সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর খাদ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান।
সাধন চন্দ্র মজুমদার ১৯৫০ সালের ১৭ জুলাই একটি মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। পাঁচ ভাইয়ের মধ্যে তিনি চতুর্থ। বাবা ছিলেন ধান ব্যবসায়ী। নওগাঁ ডিগ্রি কলেজ থেকে স্নাতক পাস করে সাধন চন্দ্র মজুমদার ১৯৮৪ সালে হাজীনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ১৯৮৯ সালে
নিয়ামতপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী ডা. ছালেক চৌধুরীর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হন সাধন চন্দ্র মজুমদার। ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ডা. ছালেক চৌধুরীকে পরাজিত করে বিজয়ী হন তিনি। ২০১৪ সালে দশম জাতীয় সংসদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এবং ২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির ঐক্যফ্রন্টের মোস্তাফিজুর রহমানকে পরাজিত করে তৃতীয় এবং সর্বশেষ ২০২৪ সালে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চতুর্থবারের মতো নির্বাচিত হন।
নিয়ামতপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী ডা. ছালেক চৌধুরীর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হন সাধন চন্দ্র মজুমদার। ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ডা. ছালেক চৌধুরীকে পরাজিত করে বিজয়ী হন তিনি। ২০১৪ সালে দশম জাতীয় সংসদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এবং ২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির ঐক্যফ্রন্টের মোস্তাফিজুর রহমানকে পরাজিত করে তৃতীয় এবং সর্বশেষ ২০২৪ সালে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চতুর্থবারের মতো নির্বাচিত হন।



