ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বাংলাদেশের পূজায় চমকে গেলেন ময়ূখ, চাইলেন চট্টগ্রামের জন্য পুরস্কার
সাজেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও ইউপিডিএফের গোলাগুলি
বিদেশি ক্লাবের সাইনবোর্ডে রমরমা মাদক ব্যবসা
নতুন পে-স্কেলে শিক্ষকদের বেতন প্রাপ্তির সম্ভাব্য সময় জানাল অর্থ মন্ত্রণালয়
পদত্যাগের আগে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কী কথা হয়েছিল, জানালেন ইশরাক
অস্ট্রেলিয়ায় রাষ্ট্রীয় সম্মাননায় বাংলাদেশের ড. শাহজাহান খান
নভেম্বরে টানা তিন দিনের ছুটির সুযোগ, পাবেন না যারা
সরকারি টাকায় হজের প্রথা চিরতরে বন্ধ হোক
সরকারি টাকায় হজের প্রথা চিরতরে বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন ইসলামি আলোচক শায়খ আহমাদুল্লাহ।
সোমবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক এক স্ট্যাটাসে তিনি এ দাবি জানান।
আহমাদুল্লাহ বলেন, সরকারি টাকায় হজ করা এক ধরনের বিলাসিতা। প্রতিবছর অনেক ক্ষমতাসীন রাজনীতিক ও সরকারের পছন্দের মানুষ রাষ্ট্রের টাকায় হজে যান। এটা শরিয়া ও নৈতিক কোনো দিক থেকেই সিদ্ধ নয়। এতে একদিকে যেমন দেশের টাকার অসদ্ব্যবহার হয়, পাশাপাশি এসব লোকের পেছনে হজ অফিসকে বাড়তি মনোযোগ দিতে হয় এবং ব্যস্ত থাকতে হয়। এর ফলে সাধারণ হাজিরা তাদের যথাযথ সেবা ও অধিকার থেকে বঞ্চিত হন।
তিনি বলেন, সরকারি টাকা মানে জনগণের টাকা। জনগণ তো কাউকে হজের জন্য
টাকা দেয় না। একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি জনগণের টাকায় হজ করছেন, এর মধ্যে কোনো গৌরব নেই। আছে প্রচ্ছন্ন লাঞ্ছনা। ‘অতএব, এ প্রথা চিরতরে বন্ধ হওয়া উচিত। তবে হ্যাঁ, সরকারের তরফ থেকে নিয়োজিত ডাক্তার, হজ গাইড ও অন্যান্য হজ সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের কথা ভিন্ন’। আহমাদুল্লাহ আরও বলেন, সরকারি হাজিদের সেবায় যারা সৌদি যান, তাদের বেশিরভাগই নিজের হজ নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। অনেকে ঘোরাঘুরি করে সময় কাটান। সরকারি হাজিদের অবস্থা থাকে অনেকটা মা-বাপ ছাড়া সন্তানের মতো। তাদের দেখার যেন কেউ থাকে না। সরকারি হাজিদের অসহায়ত্ব ও দুরবস্থা দেখে প্রতিবছরই কষ্ট হয়। এ অবস্থার অবসান হওয়া দরকার উল্লেখ করে তিনি বলেন, হাজিদের সার্ভিস দেওয়ার নাম করে
সেখানে হজ করতে যাওয়াও অনুচিত, যদি সেই হজ পালনের ফলে হাজিদের সেবাদানে ত্রুটি হয়। সুতরাং ‘পরিচিত’ কোটায় সেবার জন্য হজে যাওয়াও বন্ধ হওয়া উচিত। সরকারি টাকায় হজের প্রথা বন্ধ হোক। হজ হোক নিজের টাকায়। জনগণের টাকায় হজ আর তামাশার মধ্যে পার্থক্য কী?
টাকা দেয় না। একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি জনগণের টাকায় হজ করছেন, এর মধ্যে কোনো গৌরব নেই। আছে প্রচ্ছন্ন লাঞ্ছনা। ‘অতএব, এ প্রথা চিরতরে বন্ধ হওয়া উচিত। তবে হ্যাঁ, সরকারের তরফ থেকে নিয়োজিত ডাক্তার, হজ গাইড ও অন্যান্য হজ সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের কথা ভিন্ন’। আহমাদুল্লাহ আরও বলেন, সরকারি হাজিদের সেবায় যারা সৌদি যান, তাদের বেশিরভাগই নিজের হজ নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। অনেকে ঘোরাঘুরি করে সময় কাটান। সরকারি হাজিদের অবস্থা থাকে অনেকটা মা-বাপ ছাড়া সন্তানের মতো। তাদের দেখার যেন কেউ থাকে না। সরকারি হাজিদের অসহায়ত্ব ও দুরবস্থা দেখে প্রতিবছরই কষ্ট হয়। এ অবস্থার অবসান হওয়া দরকার উল্লেখ করে তিনি বলেন, হাজিদের সার্ভিস দেওয়ার নাম করে
সেখানে হজ করতে যাওয়াও অনুচিত, যদি সেই হজ পালনের ফলে হাজিদের সেবাদানে ত্রুটি হয়। সুতরাং ‘পরিচিত’ কোটায় সেবার জন্য হজে যাওয়াও বন্ধ হওয়া উচিত। সরকারি টাকায় হজের প্রথা বন্ধ হোক। হজ হোক নিজের টাকায়। জনগণের টাকায় হজ আর তামাশার মধ্যে পার্থক্য কী?





