ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
দরপত্র ছাড়াই ৬১০ কোটি টাকার টিকা কেনা : স্বচ্ছতা আর জবাবদিহিহীনতার নতুন নজির
ছরে সাড়ে পাঁচ হাজার কোটি টাকা হারিয়ে যাচ্ছে, ইউনুসের অবৈধ সরকারের কিছু যায় আসে না
রক্তাক্ত বাংলাদেশ : যে সন্ত্রাসীদের হাত ধরে ক্ষমতায় এসেছিলেন, তাদেরই দমন করবেন কীভাবে?
জুলাইয়ের দাঙ্গার মাশুল দিচ্ছে লাখো শিক্ষার্থী : একে একে বন্ধ হচ্ছে বিদেশের দরজা
অবৈধ ইউনুস সরকারের সাজানো নির্বাচন ,ভোট বর্জনের আহ্বান
আমলাতন্ত্রের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে অন্তর্বর্তী সরকার: টিআইবি
অস্ত্র আছে, যুদ্ধ নেই—কর্মহীন বাহিনী, সীমাহীন ক্ষমতা বাংলাদেশের সেনা-রাজনীতির বাস্তবতা
সবচেয়ে বড় নৌ মহড়া শুরু রাশিয়ার, অংশ নিচ্ছে চীনও
আধুনিক ইতিহাসে সবচেয়ে বড় নৌ মহড়া শুরু করেছে রাশিয়া। মঙ্গলবারই এ মহড়া শুরুর ঘোষণা দিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
‘ওশান-২০২৪’ নামের এ মহড়াটি প্রশান্ত মহাসাগরীয় ও আর্কটিক মহাসাগরের পাশাপাশি ভূমধ্যসাগর, কাস্পিয়ান এবং বাল্টিক সাগরে একযোগে চলবে এবং এতে কিছু চীনা যুদ্ধ জাহাজও অংশ নেবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
পুতিন এক ভিডিও লিঙ্কের মাধ্যমে মহড়ার উদ্বোধনে যোগ দিয়ে বলেন, এ মহড়ার উদ্দেশ্য হলো দেশের নৌ এবং বিমান বাহিনীর যুদ্ধ প্রস্তুতির মূল্যায়ন করা। পাশাপাশি তাদের আন্তঃকার্যক্ষমতা পরীক্ষা করা।
মহড়ায় রাশিয়ার ৪০০টিরও বেশি যুদ্ধজাহাজ ও সাবমেরিনের পাশাপাশি সহায়ক জাহাজ, প্রায় ১২০টি বিমান এবং ৯০ হাজারের বেশি কর্মী জড়িত।
মহড়ার উদ্বোধীন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী আন্দ্রে
বেলোসভ। মহড়া সম্পর্কে পুতিন বলেন, এতে উচ্চ-নির্ভুল অস্ত্রের ব্যবহার করা হবে। মস্কো এবং কিয়েভের মধ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে রুশ সেনারা যে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে, এ মহড়াগুলো তাতে কাজে লাগাবে। এদিকে, চীন ও রাশিয়ার সশস্ত্র বাহিনী বাহ্যিক হুমকি মোকাবিলায় তাদের সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য জাতীয় প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে দক্ষতার্জনমূলক প্রশিক্ষণের ওপর এ যৌথ মহড়া শুরু করছে বলে জানিয়েছেন চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং। তিনি বলেন, ‘চীন এবং রাশিয়া তাদের কৌশলগত সমন্বয়কে আরও গভীর করতে এবং যৌথভাবে নিরাপত্তা হুমকি মোকাবিলার ক্ষমতা জোরদার করার জন্য এ যৌথ মহড়ার আয়োজন করেছে। আর এভাবেই বেইজিং এবং মস্কো আন্তঃবাহিনী কৌশলগত সহযোগিতা জোরদার করছে বলেও উল্লেখ করেন চীনা মুখপাত্র। সূত্র: তাস
নিউজ এজেন্সি
বেলোসভ। মহড়া সম্পর্কে পুতিন বলেন, এতে উচ্চ-নির্ভুল অস্ত্রের ব্যবহার করা হবে। মস্কো এবং কিয়েভের মধ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে রুশ সেনারা যে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে, এ মহড়াগুলো তাতে কাজে লাগাবে। এদিকে, চীন ও রাশিয়ার সশস্ত্র বাহিনী বাহ্যিক হুমকি মোকাবিলায় তাদের সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য জাতীয় প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে দক্ষতার্জনমূলক প্রশিক্ষণের ওপর এ যৌথ মহড়া শুরু করছে বলে জানিয়েছেন চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং। তিনি বলেন, ‘চীন এবং রাশিয়া তাদের কৌশলগত সমন্বয়কে আরও গভীর করতে এবং যৌথভাবে নিরাপত্তা হুমকি মোকাবিলার ক্ষমতা জোরদার করার জন্য এ যৌথ মহড়ার আয়োজন করেছে। আর এভাবেই বেইজিং এবং মস্কো আন্তঃবাহিনী কৌশলগত সহযোগিতা জোরদার করছে বলেও উল্লেখ করেন চীনা মুখপাত্র। সূত্র: তাস
নিউজ এজেন্সি



