ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
‘বাংলাদেশের গৌরবের প্রতিক ‘পদ্মাসেতু’ নিমার্ণের ফলে দেশের অর্থনৈতিতে বৈপ্লবিক ভুমিকা ও অবদান রাখছে।’
কূটনৈতিক অবরোধের পথে বাংলাদেশ, বিশ্বাস হারাচ্ছে বিশ্ব, বিপদে পড়ছে বাংলাদেশ
নৌকা বিহীন ব্যালট প্রবাসীর পায়ে হলো পদদলিত, এভাবেই মানুষ ভোট বর্জন করে অবৈধ নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করবে
রাজবন্দী বাগেরহাট সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ‘জুয়েল হাসান সাদ্দামের প্রিয়তমা স্ত্রীর কাছে লেখা চিঠির শেষ দুই লাইন
‘দেশের সবচেয়ে পুরোনো ও জনপ্রিয় রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করে গণতান্ত্রিক বৈধতার দাবি করা যায় না। এটি সংস্কার নয়, এটি রূপান্তরের নামে কর্তৃত্ববাদ।’
এই নিষ্ঠুরতা ‘ফিক্সড ডিপোজিট’ হয়ে রইল কারাগারে বন্দী সাদ্দাম: স্ত্রী ও সন্তানের মুখ দেখা হলো না শেষবারের মতোও, মেলেনি প্যারোল
সুন্দরবনে অস্ত্রের মুখে ২০ জেলেকে অপহরণ করেছে জলদস্যুরা
‘শেখ হাসিনার ভারতেই থাকা উচিত’
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারতেই অবস্থান করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন শ্রীলংকার প্রেসিডেন্ট রনিল বিক্রমাসিংহে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ফার্স্টপোস্টকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন। ফার্স্টপোস্টের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক পালকি শর্মাকে দেওয়া এ সাক্ষাৎকার বৃহস্পতিবার প্রকাশিত হয়।
শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থানকে কেন্দ্র করে দিল্লি-ঢাকা টানাপড়েন নিয়ে মন্তব্য জানতে চাইলে রনিল বিক্রমাসিংহে বলেন, প্রথমে বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা আনতে হবে, জনগণের আস্থা ফেরাতে হবে। পরিস্থিতি সামলে নিতে আমাদের সবার উচিত বাংলাদেশকে সাহায্য করা।
তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনার বিষয়ে উদ্বেগ আছে, সেটা রাজনৈতিক ইস্যু। এটা এভাবে দেখতে হবে যে অনেক নেতা দেশ ছেড়ে বিদেশে যান। এরপর তারা বিদেশেই অবস্থান করেন। এগুলো রাজনৈতিক ব্যাপার।
বিক্রমাসিংহে আরও বলেন, আমি যে
বিষয়ে অগ্রাধিকার দেবো, তা হলো বাংলাদেশ স্থিতিশীল হোক। শেখ হাসিনা যদি দেশের বাইরে থাকতে চান, বাইরেই থাকুক। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিনিয়োগকারীদের বলব আপনারা বাংলাদেশ ছেড়ে যাবেন না। দ্রুত সেখানে স্থিতিশীলতা ফিরে আসুক। সেনাবাহিনীকে বাড়তি ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এটা এ সময় প্রয়োজন ছিল। শ্রীলংকান প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, জনগণকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে তারা কীভাবে দেশ চালাতে চায়, নির্বাচন হোক। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ খুবই সম্ভাবনাময়।
বিষয়ে অগ্রাধিকার দেবো, তা হলো বাংলাদেশ স্থিতিশীল হোক। শেখ হাসিনা যদি দেশের বাইরে থাকতে চান, বাইরেই থাকুক। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিনিয়োগকারীদের বলব আপনারা বাংলাদেশ ছেড়ে যাবেন না। দ্রুত সেখানে স্থিতিশীলতা ফিরে আসুক। সেনাবাহিনীকে বাড়তি ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এটা এ সময় প্রয়োজন ছিল। শ্রীলংকান প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, জনগণকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে তারা কীভাবে দেশ চালাতে চায়, নির্বাচন হোক। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ খুবই সম্ভাবনাময়।



