ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
জ্বালানী নিরাপত্তাঃ শেখ হাসিনার এনার্জি ডিপ্লোম্যাসি বনাম ইউনুস-তারেকের উচ্চমূল্যের বিদেশী স্বার্থরক্ষা চুক্তি
রূপপুর পাওয়ার প্ল্যান্ট নিয়ে সংসদের বিরোধীদল এনসিপির অপতথ্য ও মিথ্যার ফ্লাডিং: জুলাই এর মতো গুজব ছড়িয়ে জনমানুষকে ধোঁকা দেয়ার চেষ্টা
এবার ঢাকায় ভারতীয় কাশ্মীরি নাগরিকের অস্বাভাবিক মৃত্যু: সন্দেহজনক ঘটনায় পুলিশ তদন্ত শুরু
উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে সর্বহারাদের পুনরুত্থান: আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দুর্বলতার সুযোগ নিচ্ছে চরমপন্থীরা
রুপপুরে নিউক্লিয়ার বিদ্যুৎকেন্দ্রে ফুয়েল লোড: ইউরেনিয়াম দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনে খরচ কেমন হতে পারে?
পশ্চিম পাকিস্তানের বৈষম্যে বাতিল হয়েছিল রূপপুর: বিরোধীদের সকল বাধা উপেক্ষা করে বঞ্চিত বাংলাদেশের ৬৫ বছরের স্বপ্ন পূরণের দ্বারপ্রান্তে
আওয়ামী লীগের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার চেয়ে জাতিসংঘে ১৭৩ আইনজীবীর আর্জি
‘শেখ হাসিনার ভারতেই থাকা উচিত’
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারতেই অবস্থান করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন শ্রীলংকার প্রেসিডেন্ট রনিল বিক্রমাসিংহে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ফার্স্টপোস্টকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন। ফার্স্টপোস্টের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক পালকি শর্মাকে দেওয়া এ সাক্ষাৎকার বৃহস্পতিবার প্রকাশিত হয়।
শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থানকে কেন্দ্র করে দিল্লি-ঢাকা টানাপড়েন নিয়ে মন্তব্য জানতে চাইলে রনিল বিক্রমাসিংহে বলেন, প্রথমে বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা আনতে হবে, জনগণের আস্থা ফেরাতে হবে। পরিস্থিতি সামলে নিতে আমাদের সবার উচিত বাংলাদেশকে সাহায্য করা।
তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনার বিষয়ে উদ্বেগ আছে, সেটা রাজনৈতিক ইস্যু। এটা এভাবে দেখতে হবে যে অনেক নেতা দেশ ছেড়ে বিদেশে যান। এরপর তারা বিদেশেই অবস্থান করেন। এগুলো রাজনৈতিক ব্যাপার।
বিক্রমাসিংহে আরও বলেন, আমি যে
বিষয়ে অগ্রাধিকার দেবো, তা হলো বাংলাদেশ স্থিতিশীল হোক। শেখ হাসিনা যদি দেশের বাইরে থাকতে চান, বাইরেই থাকুক। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিনিয়োগকারীদের বলব আপনারা বাংলাদেশ ছেড়ে যাবেন না। দ্রুত সেখানে স্থিতিশীলতা ফিরে আসুক। সেনাবাহিনীকে বাড়তি ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এটা এ সময় প্রয়োজন ছিল। শ্রীলংকান প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, জনগণকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে তারা কীভাবে দেশ চালাতে চায়, নির্বাচন হোক। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ খুবই সম্ভাবনাময়।
বিষয়ে অগ্রাধিকার দেবো, তা হলো বাংলাদেশ স্থিতিশীল হোক। শেখ হাসিনা যদি দেশের বাইরে থাকতে চান, বাইরেই থাকুক। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিনিয়োগকারীদের বলব আপনারা বাংলাদেশ ছেড়ে যাবেন না। দ্রুত সেখানে স্থিতিশীলতা ফিরে আসুক। সেনাবাহিনীকে বাড়তি ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এটা এ সময় প্রয়োজন ছিল। শ্রীলংকান প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, জনগণকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে তারা কীভাবে দেশ চালাতে চায়, নির্বাচন হোক। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ খুবই সম্ভাবনাময়।



