ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের পর এবার বিএনপি সরকারের ৩ দিনের ‘ডিজিটাল ব্ল্যাকআউট’!
দেশের উন্নয়ন-আগ্রগতিতে মূখ্য ভূমিকা রাখা এনার্জি সেক্টরে ধস: ইউনূস সরকারের প্রতিহিংসা নাকি অদক্ষতা?
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের প্রতিবাদে ছাত্রলীগের হুঁশিয়ারি :বিএনপি সংসদে গণতন্ত্রের মৃত্যু ঘোষণা করেছে
খালেদা জিয়াকে পূর্ণ মুক্তিযোদ্ধা, তারেক-কোকোকে শিশু মুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃতির দাবি মহান সংসদে
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তিতে আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং না থাকা ‘গোড়ায় গলদ’: সাবেক সচিব আবু আলম শহীদ খান
সুষ্ঠু ভোট হলে ৫৩ শতাংশ মানুষ আওয়ামী লীগকে ভোট দিত: শেখ হাসিনা
সংকট থেকে ফিনিক্স পাখির মতো উত্থান: আওয়ামী লীগের পঁচাত্তর পরবর্তী দীর্ঘ লড়াইয়ের ইতিহাস
‘শেখ হাসিনার ভারতেই থাকা উচিত’
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারতেই অবস্থান করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন শ্রীলংকার প্রেসিডেন্ট রনিল বিক্রমাসিংহে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ফার্স্টপোস্টকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন। ফার্স্টপোস্টের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক পালকি শর্মাকে দেওয়া এ সাক্ষাৎকার বৃহস্পতিবার প্রকাশিত হয়।
শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থানকে কেন্দ্র করে দিল্লি-ঢাকা টানাপড়েন নিয়ে মন্তব্য জানতে চাইলে রনিল বিক্রমাসিংহে বলেন, প্রথমে বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা আনতে হবে, জনগণের আস্থা ফেরাতে হবে। পরিস্থিতি সামলে নিতে আমাদের সবার উচিত বাংলাদেশকে সাহায্য করা।
তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনার বিষয়ে উদ্বেগ আছে, সেটা রাজনৈতিক ইস্যু। এটা এভাবে দেখতে হবে যে অনেক নেতা দেশ ছেড়ে বিদেশে যান। এরপর তারা বিদেশেই অবস্থান করেন। এগুলো রাজনৈতিক ব্যাপার।
বিক্রমাসিংহে আরও বলেন, আমি যে
বিষয়ে অগ্রাধিকার দেবো, তা হলো বাংলাদেশ স্থিতিশীল হোক। শেখ হাসিনা যদি দেশের বাইরে থাকতে চান, বাইরেই থাকুক। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিনিয়োগকারীদের বলব আপনারা বাংলাদেশ ছেড়ে যাবেন না। দ্রুত সেখানে স্থিতিশীলতা ফিরে আসুক। সেনাবাহিনীকে বাড়তি ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এটা এ সময় প্রয়োজন ছিল। শ্রীলংকান প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, জনগণকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে তারা কীভাবে দেশ চালাতে চায়, নির্বাচন হোক। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ খুবই সম্ভাবনাময়।
বিষয়ে অগ্রাধিকার দেবো, তা হলো বাংলাদেশ স্থিতিশীল হোক। শেখ হাসিনা যদি দেশের বাইরে থাকতে চান, বাইরেই থাকুক। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিনিয়োগকারীদের বলব আপনারা বাংলাদেশ ছেড়ে যাবেন না। দ্রুত সেখানে স্থিতিশীলতা ফিরে আসুক। সেনাবাহিনীকে বাড়তি ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এটা এ সময় প্রয়োজন ছিল। শ্রীলংকান প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, জনগণকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে তারা কীভাবে দেশ চালাতে চায়, নির্বাচন হোক। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ খুবই সম্ভাবনাময়।



