ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ইরানের পাল্টা হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে ক্ষতিগ্রস্ত ১৭ মার্কিন স্থাপনা: নিউইয়র্ক টাইমস
ইরাকে মার্কিন সামরিক উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত, নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬
লেবাননের জনগণের সঙ্গে সংহতি জানাতে বৈরুতে জাতিসংঘের মহাসচিব
মার্কিন সেই সামরিক উড়োজাহাজ ভূপাতিত করার দাবি ইরাকি সশস্ত্র গোষ্ঠীর
গ্রহাণু বিপর্যয়ই ডাইনোসরদের নিশ্চিহ্নের কারণ, দাবি নতুন গবেষণায়
ইরানের মেয়েদের স্কুলে ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দায় স্বীকার যুক্তরাষ্ট্রের
প্রথম বক্তৃতায় সব মার্কিন ঘাঁটি বন্ধের আলটিমেটাম মোজতবা খামেনির
শনিবার থেকেই ট্রাম্পের চীন, কানাডা ও মেক্সিকোর ওপর ২৫% শুল্ক আরোপ
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন যে, চীন, কানাডা ও মেক্সিকো থেকে আমদানিকৃত পণ্যের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে, যা আগামী শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) থেকে কার্যকর হবে। এই তথ্যটি সিএনএন এর এক প্রতিবেদনে শুক্রবার (৩১ জানুয়ারি) প্রকাশিত হয়।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মতে, আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে যদি কানাডা ও মেক্সিকো থেকে কোনো পণ্য যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্তে প্রবেশ করে, তবে সেগুলোর ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক দিতে হবে।
হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব ক্যারোলিন লেভিট জানিয়েছেন, শুল্কের হার হবে মেক্সিকো ও কানাডার পণ্যগুলোর জন্য ২৫% এবং চীনের পণ্যগুলোর জন্য ১০%। তিনি আরও বলেন, এই পদক্ষেপের মূল কারণ হল “অবৈধ ফেন্টানিল”, যা ওই দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রে সরবরাহ
ও বিতরণ করার সুযোগ দিয়েছে এবং এর ফলে আমেরিকার বহু মানুষের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। তবে, এখনো নিশ্চিত হয়নি যে এই শুল্কের আওতায় ওই দেশগুলো থেকে আমদানিকৃত তেল অন্তর্ভুক্ত হবে কিনা। বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি কানাডা ও মেক্সিকো থেকে আমদানি করা তেলের ওপর শুল্ক আরোপ করা হয়, তবে তা ট্রাম্পের জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর প্রতিশ্রুতির বিপরীতে গিয়ে দাঁড়াবে। কারণ, যুক্তরাষ্ট্রে ব্যবহৃত অপরিশোধিত তেলের প্রায় ৪০ শতাংশ আমদানি করা হয়, যার অধিকাংশই আসে কানাডা থেকে। এছাড়াও, এই শুল্কের প্রভাব যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য সম্পর্ক এবং অর্থনৈতিক নীতি সম্পর্কেও নতুন প্রশ্ন তুলেছে, যা সামনের দিনগুলোতে আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।
ও বিতরণ করার সুযোগ দিয়েছে এবং এর ফলে আমেরিকার বহু মানুষের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। তবে, এখনো নিশ্চিত হয়নি যে এই শুল্কের আওতায় ওই দেশগুলো থেকে আমদানিকৃত তেল অন্তর্ভুক্ত হবে কিনা। বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি কানাডা ও মেক্সিকো থেকে আমদানি করা তেলের ওপর শুল্ক আরোপ করা হয়, তবে তা ট্রাম্পের জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর প্রতিশ্রুতির বিপরীতে গিয়ে দাঁড়াবে। কারণ, যুক্তরাষ্ট্রে ব্যবহৃত অপরিশোধিত তেলের প্রায় ৪০ শতাংশ আমদানি করা হয়, যার অধিকাংশই আসে কানাডা থেকে। এছাড়াও, এই শুল্কের প্রভাব যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য সম্পর্ক এবং অর্থনৈতিক নীতি সম্পর্কেও নতুন প্রশ্ন তুলেছে, যা সামনের দিনগুলোতে আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।



