যুক্তরাষ্ট্রে গবেষণা খাতে সংকট: বৈজ্ঞানিক অগ্রগতির ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৪ এপ্রিল, ২০২৫
     ৮:১১ অপরাহ্ণ

যুক্তরাষ্ট্রে গবেষণা খাতে সংকট: বৈজ্ঞানিক অগ্রগতির ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৪ এপ্রিল, ২০২৫ | ৮:১১ 91 ভিউ
প্রায় দুই হাজার বিজ্ঞানী, প্রকৌশলী ও গবেষক এক খোলা চিঠির মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের বিজ্ঞানবিরোধী কার্যক্রমের বিরুদ্ধে তাদের উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। এই চিঠিতে ন্যাশনাল একাডেমিস অব সায়েন্সেস, ইঞ্জিনিয়ারিং এবং মেডিসিনের নির্বাচিত সদস্যরা স্বাক্ষর করেছেন। চিঠিতে গবেষকরা উল্লেখ করেন যে, তারা তাদের ব্যক্তিগত মতামত প্রকাশ করছেন এবং এই মতামত ন্যাশনাল একাডেমিস বা তাদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের নয়। তারা সতর্ক করে বলেন, "আমরা বিভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শের হলেও, গবেষণার স্বাধীনতা রক্ষার ক্ষেত্রে ঐক্যবদ্ধ। আমরা এই মুহূর্তে প্রকৃত বিপদের সম্মুখীন। জাতীয় বিজ্ঞান কাঠামো ধ্বংসের পথে এগিয়ে চলেছে।" গবেষকদের অভিযোগ, ট্রাম্প প্রশাসন গবেষণা অর্থায়ন বন্ধ করা, বিজ্ঞানীদের বরখাস্ত করা এবং জনসাধারণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক তথ্য সরিয়ে

ফেলার মতো পদক্ষেপ নিয়েছে। সম্প্রতি ন্যাশনাল ইনস্টিটিউটস অব হেলথ (ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হেলথ) বিভিন্ন গবেষণা অনুদান বাতিল করেছে, বিশেষত লেজবিয়ান, গে, বাইসেক্সুয়াল, ট্রান্সজেন্ডার এবং কুইয়ার বিষয়ক ও বৈচিত্র্য, সাম্যতা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক গবেষণাগুলোর ক্ষেত্রে। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের কাছে পাঠানো চিঠিতে জানানো হয়েছে, এসব গবেষণা প্রশাসনের "অগ্রাধিকারের মধ্যে পড়ে না" বলেই অনুদান বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া, সরকারের ব্যয় সংকোচন নীতির অংশ হিসেবে স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিভাগের (হেলথ এন্ড হিউম্যান সার্ভিসেস) হাজারো কর্মীকে ছাঁটাই করা হয়েছে। এর ফলে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউটস অব হেলথ, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র (সেন্টার্স ফর ডিজিসেস কন্ট্রোল এন্ড প্রিভেনশন) এবং খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন (ফুড এন্ড ড্রাগ এডমিনিস্ট্রেশন) এর মতো গুরুত্বপূর্ণ

সংস্থাগুলো ব্যাপকভাবে প্রভাবিত হচ্ছে যা অপরিবর্তনীয় ক্ষতির আশঙ্কা। গবেষকদের মতে, প্রশাসনের এই পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রের বৈজ্ঞানিক অগ্রগতিকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। চিঠিতে বলা হয়েছে, "যদি আমাদের গবেষণা ক্ষেত্র ভেঙে পড়ে, তাহলে আমরা আমাদের বৈজ্ঞানিক শ্রেষ্ঠত্ব হারাবো। অন্যান্য দেশ নতুন রোগের চিকিৎসা, পরিচ্ছন্ন জ্বালানি এবং ভবিষ্যতের প্রযুক্তির বিকাশে নেতৃত্ব দেবে। তাদের অর্থনীতি উন্নত হবে, এবং তারা ব্যবসা, প্রতিরক্ষা, গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং পরিবেশ পর্যবেক্ষণে আমাদের ছাড়িয়ে যাবে।" এই ব্যাপারে হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে, গবেষকদের আশঙ্কা, যদি এই নীতিগুলো অব্যাহত থাকে, তাহলে দেশের বৈজ্ঞানিক কাঠামো পুনরুদ্ধার করতে কয়েক দশক লেগে যাবে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
গুজবের অবসান ও শেখ হাসিনার দূরদর্শিতা রাশিয়ার তেল কিনতে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ওয়েভার চাইল বাংলাদেশ বিনা বিচারে কারাবন্দি আর কতদিন? স্বাধীনতার মাসে যুদ্ধাপরাধীদের নামে শোক প্রস্তাব, সংসদ কলুষিত করল বিএনপি-জামায়াত এক কোটি টাকার রাস্তা, এক জীবনের ভিটা ১৯৭১ সালের ১২ মার্চ: বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে স্বাধীনতার চূড়ান্ত অভিযাত্রা শান্তি আলোচনার আড়ালে দেশে পরিকল্পিত গণহত্যা চালায় পাকিস্তানিরা অপারেশন ক্লিনহার্ট ২.০: মব সন্ত্রাস থামবে, নাকি কেবল স্লোগানেই সীমাবদ্ধ থাকবে? ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পাকিস্তানিদের হানা, রক্তে রঞ্জিত হয়েছিল বিদ্যার প্রাঙ্গণ শেখ হাসিনার ‘চক্ষু রাঙানি উপেক্ষা’ বনাম বর্তমানের ‘অনুমতি ভিক্ষা’: কোন পথে বাংলাদেশ? অবৈধ টাকা উপার্জনের মেশিনে পরিণত হয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সার্কাসে পরিণত হয়েছে ইউনূসের বানানো আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এন্টিবায়োটিক ঔষধকে বাঁচান দেশের ৯ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস যুদ্ধের প্রথম ছয় দিনে যুক্তরাষ্ট্রের খরচ কত জানাল ট্রাম্প প্রশাসন জ্বালানিবাহী জাহাজের নিরাপত্তায় সতর্ক অবস্থানে নৌবাহিনী: আইএসপিআর ভিন্ন উপায়ে যুদ্ধে ইরানকে সাহায্য করে যাচ্ছে রাশিয়া-চীন আইপিএলের প্রথম পর্বের সূচি ঘোষণা, কার কবে খেলা দেখে নিন আগামী ৫ দিন আবহাওয়া কেমন থাকবে, জানাল অধিদপ্তর হরমুজ প্রণালী ইস্যুতে জরুরি বৈঠকের ডাক