ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
গ্যাস সংকটে লাখো মানুষের জীবন-জীবিকা হুমকিতে : ইউনুসের অদক্ষতার মাসুল গুনছে সাধারণ মানুষ
“ড. মুহাম্মদ ইউনূস জীবনে কোনদিন ট্যাক্স দিয়েছে? জিজ্ঞেস করেন! ট্যাক্স ফাঁকি দেওয়া— এটা সে খুব ভালো জানে” –জননেত্রী শেখ হাসিনা
“দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, গ্যাসের দাম বৃদ্ধি, নিরাপত্তা ঝুঁকিতে বাংলাদেশের মানুষ; কিন্তু বলবে কে? সত্য কথা বললে জেলে যেতে হয়” – জনতার ক্ষোভ
বাংলাদেশ : বাতাসে এখন শুধু লাশের গন্ধ
লুট হওয়া হাজার অস্ত্র এখন বিএনপি-জামাতের সন্ত্রাসীদের হাতে : নির্বাচনের আগে রক্তস্নাত বাংলাদেশ, নির্বিকার সুদখোর ইউনূসের মূল লক্ষ্য কি?
তারেক রহমানের ‘অসম্ভব’ তত্ত্ব ভুল প্রমাণ করে শেখ হাসিনার হাত ধরেই আলোকিত বাংলাদেশ
তারেক রহমানের ‘অসম্ভব’ তত্ত্ব ভুল প্রমাণ করে শেখ হাসিনার হাত ধরেই আলোকিত বাংলাদেশ
বাংলাদেশে ইউরোপীয় দেশগুলোর ভিসা সেন্টার চালুর দাবি
ভোগান্তি কমাতে বাংলাদেশে ইউরোপীয় দেশগুলোর দূতাবাস অথবা ভিসা আবেদন সেন্টার চালুর দাবি জানিয়েছে ইউরোপগামী যাত্রী পরিষদ। মঙ্গলবার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধনে তারা এ দাবি জানান।
বক্তারা বলেন, ভ্রমণ, পড়াশোনা, ব্যবসা এবং চিকিৎসার জন্য ইউরোপে যেতে ইচ্ছুক বাংলাদেশিরা ভিসার জন্য হয়রানির শিকার হচ্ছেন। দ্বিগুণ, তিনগুণ টাকা খরচ করেও অনেকে ভিসা পাচ্ছেন না। এ অবস্থায় দ্রুত এই সমস্যা সমাধানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন তারা। সভায় বক্তৃতা করেন সংগঠনের আহ্বায়ক শাহজালাল, যুগ্ম আহ্বায়ক জিসমান উদ্দিন সরকার, আবু জুয়েল, আল-আমিন ও সদস্য রবিউল আলম প্রমুখ।
তারা বলেন, বাংলাদেশে ইউরোপীয় দেশগুলোর দূতাবাস অথবা ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার স্থাপনের দাবি সাম্প্রতিক সময়ে
ব্যাপকভাবে উত্থাপিত হচ্ছে। এই দাবি যৌক্তিক। কারণ, ইউরোপের বেশ কিছু দেশের ভিসা পাওয়ার জন্য প্রার্থীদের ভারত বা অন্য দেশে গিয়ে আবেদন করতে হয়। যা সময় ও অর্থের অপচয়। অনেক সময় ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রতার কারণে ভ্রমণ বা অন্য গুরুত্বপূর্ণ কাজও বিঘ্নিত হয়। আবার বর্তমানে বেশির ভাগ ইউরোপীয় দেশ তাদের ভিসা অ্যাপ্লিকেশন প্রসেসিং আউটসোর্স করেছে। এতে আবেদনকারীরা সরাসরি দূতাবাস থেকে সেবা পেতে ব্যর্থ হন। দূতাবাস এবং ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার বাংলাদেশে স্থাপিত হলে আবেদনকারীরা সহজে এবং দ্রুত সেবা পাবেন।
ব্যাপকভাবে উত্থাপিত হচ্ছে। এই দাবি যৌক্তিক। কারণ, ইউরোপের বেশ কিছু দেশের ভিসা পাওয়ার জন্য প্রার্থীদের ভারত বা অন্য দেশে গিয়ে আবেদন করতে হয়। যা সময় ও অর্থের অপচয়। অনেক সময় ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রতার কারণে ভ্রমণ বা অন্য গুরুত্বপূর্ণ কাজও বিঘ্নিত হয়। আবার বর্তমানে বেশির ভাগ ইউরোপীয় দেশ তাদের ভিসা অ্যাপ্লিকেশন প্রসেসিং আউটসোর্স করেছে। এতে আবেদনকারীরা সরাসরি দূতাবাস থেকে সেবা পেতে ব্যর্থ হন। দূতাবাস এবং ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার বাংলাদেশে স্থাপিত হলে আবেদনকারীরা সহজে এবং দ্রুত সেবা পাবেন।



