ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের পর এবার বিএনপি সরকারের ৩ দিনের ‘ডিজিটাল ব্ল্যাকআউট’!
দেশের উন্নয়ন-আগ্রগতিতে মূখ্য ভূমিকা রাখা এনার্জি সেক্টরে ধস: ইউনূস সরকারের প্রতিহিংসা নাকি অদক্ষতা?
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের প্রতিবাদে ছাত্রলীগের হুঁশিয়ারি :বিএনপি সংসদে গণতন্ত্রের মৃত্যু ঘোষণা করেছে
খালেদা জিয়াকে পূর্ণ মুক্তিযোদ্ধা, তারেক-কোকোকে শিশু মুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃতির দাবি মহান সংসদে
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তিতে আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং না থাকা ‘গোড়ায় গলদ’: সাবেক সচিব আবু আলম শহীদ খান
সুষ্ঠু ভোট হলে ৫৩ শতাংশ মানুষ আওয়ামী লীগকে ভোট দিত: শেখ হাসিনা
সংকট থেকে ফিনিক্স পাখির মতো উত্থান: আওয়ামী লীগের পঁচাত্তর পরবর্তী দীর্ঘ লড়াইয়ের ইতিহাস
বাংলাদেশে ইউরোপীয় দেশগুলোর ভিসা সেন্টার চালুর দাবি
ভোগান্তি কমাতে বাংলাদেশে ইউরোপীয় দেশগুলোর দূতাবাস অথবা ভিসা আবেদন সেন্টার চালুর দাবি জানিয়েছে ইউরোপগামী যাত্রী পরিষদ। মঙ্গলবার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধনে তারা এ দাবি জানান।
বক্তারা বলেন, ভ্রমণ, পড়াশোনা, ব্যবসা এবং চিকিৎসার জন্য ইউরোপে যেতে ইচ্ছুক বাংলাদেশিরা ভিসার জন্য হয়রানির শিকার হচ্ছেন। দ্বিগুণ, তিনগুণ টাকা খরচ করেও অনেকে ভিসা পাচ্ছেন না। এ অবস্থায় দ্রুত এই সমস্যা সমাধানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন তারা। সভায় বক্তৃতা করেন সংগঠনের আহ্বায়ক শাহজালাল, যুগ্ম আহ্বায়ক জিসমান উদ্দিন সরকার, আবু জুয়েল, আল-আমিন ও সদস্য রবিউল আলম প্রমুখ।
তারা বলেন, বাংলাদেশে ইউরোপীয় দেশগুলোর দূতাবাস অথবা ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার স্থাপনের দাবি সাম্প্রতিক সময়ে
ব্যাপকভাবে উত্থাপিত হচ্ছে। এই দাবি যৌক্তিক। কারণ, ইউরোপের বেশ কিছু দেশের ভিসা পাওয়ার জন্য প্রার্থীদের ভারত বা অন্য দেশে গিয়ে আবেদন করতে হয়। যা সময় ও অর্থের অপচয়। অনেক সময় ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রতার কারণে ভ্রমণ বা অন্য গুরুত্বপূর্ণ কাজও বিঘ্নিত হয়। আবার বর্তমানে বেশির ভাগ ইউরোপীয় দেশ তাদের ভিসা অ্যাপ্লিকেশন প্রসেসিং আউটসোর্স করেছে। এতে আবেদনকারীরা সরাসরি দূতাবাস থেকে সেবা পেতে ব্যর্থ হন। দূতাবাস এবং ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার বাংলাদেশে স্থাপিত হলে আবেদনকারীরা সহজে এবং দ্রুত সেবা পাবেন।
ব্যাপকভাবে উত্থাপিত হচ্ছে। এই দাবি যৌক্তিক। কারণ, ইউরোপের বেশ কিছু দেশের ভিসা পাওয়ার জন্য প্রার্থীদের ভারত বা অন্য দেশে গিয়ে আবেদন করতে হয়। যা সময় ও অর্থের অপচয়। অনেক সময় ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রতার কারণে ভ্রমণ বা অন্য গুরুত্বপূর্ণ কাজও বিঘ্নিত হয়। আবার বর্তমানে বেশির ভাগ ইউরোপীয় দেশ তাদের ভিসা অ্যাপ্লিকেশন প্রসেসিং আউটসোর্স করেছে। এতে আবেদনকারীরা সরাসরি দূতাবাস থেকে সেবা পেতে ব্যর্থ হন। দূতাবাস এবং ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার বাংলাদেশে স্থাপিত হলে আবেদনকারীরা সহজে এবং দ্রুত সেবা পাবেন।



