ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
গুজবের অবসান ও শেখ হাসিনার দূরদর্শিতা
বিনা বিচারে কারাবন্দি আর কতদিন?
স্বাধীনতার মাসে যুদ্ধাপরাধীদের নামে শোক প্রস্তাব, সংসদ কলুষিত করল বিএনপি-জামায়াত
এক কোটি টাকার রাস্তা, এক জীবনের ভিটা
শান্তি আলোচনার আড়ালে দেশে পরিকল্পিত গণহত্যা চালায় পাকিস্তানিরা
অপারেশন ক্লিনহার্ট ২.০: মব সন্ত্রাস থামবে, নাকি কেবল স্লোগানেই সীমাবদ্ধ থাকবে?
জ্বালানিবাহী জাহাজের নিরাপত্তায় সতর্ক অবস্থানে নৌবাহিনী: আইএসপিআর
পোস্টাল ব্যালট নিয়ে সাবধান!
কোন গোপনীয়তা নেই। আপনি কাকে ভোট দিচ্ছেন জানবে সবাই। ব্যালটে নাম পরিচয় উল্লেখ করতে হবে।
নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত 'পোস্টাল ব্যালট' প্রক্রিয়ায় বড় ধরণের গলদ ধরা পড়েছে, যা প্রবাসী ভোটার এবং নির্বাচনী দায়িত্বে থাকা সরকারি কর্মকর্তাদের আতংকের মধ্যে ফেলেছে। ভোটারের গোপন ভোট' বা 'সিক্রেট ব্যালট' হলেও, পোস্টাল ব্যালটে তা গোপন থাকবে না।
সম্প্রতি প্রকাশিত পোস্টাল ব্যালট নির্দেশনাবলীর (ঘ) অনুচ্ছেদে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ঘোষণাপত্রে ভোটারকে যথাযথভাবে **ব্যালট পেপারের ক্রমিক নম্বর, নিজ নাম এবং জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) নম্বর** উল্লেখ করতে হবে এবং স্বাক্ষর করতে হবে। এখানেই সৃষ্টি হয়েছে মূল বিতর্কের।
নির্বাচনী বিশ্লেষকদের মতে, এই প্রক্রিয়াটি ভোটের গোপনীয়তার কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দিয়েছে। একজন ভোটার যখন একই কাগজে তার নাম, এনআইডি এবং ব্যালট পেপারের ক্রমিক নম্বর লিখে
জমা দিচ্ছেন, তখন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সহজেই শনাক্ত করতে পারবেন কোন ব্যক্তি কাকে ভোট দিয়েছেন। ব্যালট পেপারের ট্র্যাকিং নাম্বার এবং ভোটারের ব্যক্তিগত তথ্য একজায়গাতেই থাকায়, কে কোন মার্কায় সিল দিয়েছেন তা বের করা এক মিনিটের ব্যাপার। আতঙ্কে সরকারি কর্মকর্তা ও প্রবাসীরা বিশেষ করে সরকারি চাকরীজীবী, যারা পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেবেন, তাদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক বিরাজ করছে। তাদের ভয়, যদি তাদের ভোটের তথ্য ফাঁস হয়ে যায় এবং তা ক্ষমতাসীনদের বিপক্ষে যায়, তবে ভবিষ্যতে বদলি, পদোন্নতি আটকে যাওয়া বা হয়রানির শিকার হতে পারেন। একইভাবে প্রবাসীরাও আছেন আতংকে, তাদের এনআইডি ট্র্যাক করে দেশে থাকা পরিবারকে রাজনৈতিক হয়রানির শিকার করার আশঙ্কা করছেন। নির্বাচনী পর্যবেক্ষক সংস্থা জানিপপের এক
পর্যবেক্ষক বলেন, "ভোটের গোপনীয়তা রক্ষা করা নির্বাচন কমিশনের সাংবিধানিক দায়িত্ব। কিন্তু ব্যালট নাম্বারের সাথে ভোটারের পরিচয় জুড়ে দেওয়ার এই নিয়মটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং অত্যন্ত বিপজ্জনক। এটি ভোটারদের স্বাধীনভাবে মত প্রকাশে বাধা দেবে এবং ভয়ের সংস্কৃতি তৈরি করবে।" যে কেউ প্রশ্ন তুলতে পারে— তবে কি পোস্টাল ব্যালটের নামে কৌশলে ভোটারদের ওপর নজরদারি চালানোর ফাঁদ পাতা হয়েছে? গোপনীয়তা যেখানে নেই, সেখানে এই ভোটের গ্রহণযোগ্যতা কতটুকু, তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন দেখা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসি ভোটার জিয়াউল হক, বাস করেন নিউইয়র্ক সিটির এষ্টোরিয়ায়। তিনি বলেন, আমি ভোট দিতেই যাবোনা। কারণ আমার ভোটের কোন গোপনীয়তা থাকবেনা, ফলে আমি নিরাপত্তা ঝুকির মধ্যো থাকবে। মধ্যপ্রাচ্যের আবধাবিতে দশ বছর ধরে
থাকেন আবু তালেব মিয়া, খুব আশা নিয়ে ভোটার হয়েছেন। এটা দেখার পর তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা কোন অসৎ উদ্দ্যেশে এটা করেছেন তা বোধগম্য নয়। আমি ভোট দিয়ে নিরাপত্তা ঝুকিতে পরতে চাইনা। এই বিষয়ে যোগাযোগ করেছিলাম নির্বাচন কমিশনের সচিবের সাথে। তিনি প্রশ্ন শোনার সাথে সাথে ফোন রেখে দেন। তাই তার বক্তব্য নেয়া যায়নি।
জমা দিচ্ছেন, তখন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সহজেই শনাক্ত করতে পারবেন কোন ব্যক্তি কাকে ভোট দিয়েছেন। ব্যালট পেপারের ট্র্যাকিং নাম্বার এবং ভোটারের ব্যক্তিগত তথ্য একজায়গাতেই থাকায়, কে কোন মার্কায় সিল দিয়েছেন তা বের করা এক মিনিটের ব্যাপার। আতঙ্কে সরকারি কর্মকর্তা ও প্রবাসীরা বিশেষ করে সরকারি চাকরীজীবী, যারা পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেবেন, তাদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক বিরাজ করছে। তাদের ভয়, যদি তাদের ভোটের তথ্য ফাঁস হয়ে যায় এবং তা ক্ষমতাসীনদের বিপক্ষে যায়, তবে ভবিষ্যতে বদলি, পদোন্নতি আটকে যাওয়া বা হয়রানির শিকার হতে পারেন। একইভাবে প্রবাসীরাও আছেন আতংকে, তাদের এনআইডি ট্র্যাক করে দেশে থাকা পরিবারকে রাজনৈতিক হয়রানির শিকার করার আশঙ্কা করছেন। নির্বাচনী পর্যবেক্ষক সংস্থা জানিপপের এক
পর্যবেক্ষক বলেন, "ভোটের গোপনীয়তা রক্ষা করা নির্বাচন কমিশনের সাংবিধানিক দায়িত্ব। কিন্তু ব্যালট নাম্বারের সাথে ভোটারের পরিচয় জুড়ে দেওয়ার এই নিয়মটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং অত্যন্ত বিপজ্জনক। এটি ভোটারদের স্বাধীনভাবে মত প্রকাশে বাধা দেবে এবং ভয়ের সংস্কৃতি তৈরি করবে।" যে কেউ প্রশ্ন তুলতে পারে— তবে কি পোস্টাল ব্যালটের নামে কৌশলে ভোটারদের ওপর নজরদারি চালানোর ফাঁদ পাতা হয়েছে? গোপনীয়তা যেখানে নেই, সেখানে এই ভোটের গ্রহণযোগ্যতা কতটুকু, তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন দেখা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসি ভোটার জিয়াউল হক, বাস করেন নিউইয়র্ক সিটির এষ্টোরিয়ায়। তিনি বলেন, আমি ভোট দিতেই যাবোনা। কারণ আমার ভোটের কোন গোপনীয়তা থাকবেনা, ফলে আমি নিরাপত্তা ঝুকির মধ্যো থাকবে। মধ্যপ্রাচ্যের আবধাবিতে দশ বছর ধরে
থাকেন আবু তালেব মিয়া, খুব আশা নিয়ে ভোটার হয়েছেন। এটা দেখার পর তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা কোন অসৎ উদ্দ্যেশে এটা করেছেন তা বোধগম্য নয়। আমি ভোট দিয়ে নিরাপত্তা ঝুকিতে পরতে চাইনা। এই বিষয়ে যোগাযোগ করেছিলাম নির্বাচন কমিশনের সচিবের সাথে। তিনি প্রশ্ন শোনার সাথে সাথে ফোন রেখে দেন। তাই তার বক্তব্য নেয়া যায়নি।



