ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
অগ্নিকন্যা মতিয়া চৌধুরীর ২য় মৃত্যুবার্ষিকী: বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন, আদর্শিক দৃঢ়তা আর কৃষিতে যাঁর অনন্য অবদান
ইরানে ফের মার্কিন হামলার শঙ্কায় বেড়েছে তেলের দাম
ট্রাম্প কোণঠাসা করলেও নতি স্বীকারের লক্ষণ নেই ইরানের
নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্র শ্রমিক লীগের সভাপতি কাজী আজিজুল হক খোকন ৩ দিন ধরে নিখোঁজ
সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদীর প্রয়াণে ছাত্রলীগের গভীর শোক ও শ্রদ্ধাজ্ঞাপন
বিশ্ব শিক্ষক দিবসে মব ও নিপীড়নের শিকার শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অধিকারের পক্ষে দৃঢ় অবস্থান বাংলাদেশ ছাত্রলীগের
রঙের কাজের বিল না দিয়ে ছাত্রলীগ নেতা বাবুকে পিটিয়ে ১০ তলা ভবনের ছাদ থেকে ফেলে হত্যা
নির্বাচনের আগেরদিন গ্রেপ্তার করেও দাবিয়ে রাখা যায়নি, বিপুল ভোটে আওয়ামী লীগ নেতার জয়
নির্বাচনের আগের দিন গ্রেপ্তার করেও দাবিয়ে রাখা যায়নি, কুড়িগ্রাম জেলা জজ আদালতের আইনজীবী সহকারী (ল’ ক্লার্ক বা মুহুরি) সমিতির ত্রিবার্ষিক নির্বাচনে সভাপতি পদে বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন কারাবন্দি আওয়ামী লীগ নেতা ও আইনজীবী সহকারী আব্দুল বাতেন মুহুরি।
১লা অক্টোবর, বৃহস্পতিবার এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। পরে এ দিন রাতে ফলাফল ঘোষণা করে সমিতি গঠিত নির্বাচন কমিশন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও জেলা বারের সিনিয়র সহসভাপতি নজরুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আব্দুল বাতেন কুড়িগ্রাম জজ আদালতের সাবেক পাবলিক প্রসিকিউটর আব্রাহাম লিংকনের আইনজীবী সহকারী। তিনি কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার বেলগাছা ইউনিয়নের বাসিন্দা এবং একই ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সভাপতি।
গত ২৯শে সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তাকে আদালত প্রাঙ্গণ
থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। নির্বাচনে পরাজিত করতে তাকে গ্রেপ্তার করানো হয়েছিল বলে অভিযোগ তার সমর্থক মুহুরিদের। জানা গেছে, রাজনৈতিক কারণে আব্দুল বাতেনকে তথাকথিত সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত ফলাফলে জানা গেছে, নির্বাচনে ১৪ সদস্যের প্যানেলের মধ্যে আব্দুল বাতেন সমর্থিত প্যানেল থেকে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ৮ জন বিজয়ী হয়েছেন। সমিতির সভাপতি পদে আব্দুল বাতেন পেয়েছেন ২০৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ফারুক আহমেদ পেয়েছেন ১৪০ ভোট। সাধারণ সম্পাদক পদে বিজয়ী হয়েছেন আব্দুল বাতেনের প্যানেলের আরেক মুহুরি আতিয়ার রহমান। তিনি পেয়েছেন ১৭১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সাইফুর রহমান পেয়েছেন ১০১ ভোট। নির্বাচনে মোট ভোটার ৩৬২। ভোট প্রদান করেছেন ৩৫৮
জন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম বলেন, নির্বাচনের এক দিন আগে একজন প্রার্থীকে গ্রেপ্তার করায় নির্বাচন কমিশনার হিসেবে আমি মর্মাহত হয়েছি। আব্দুল বাতেনকে কেন গ্রেপ্তার করা হয়েছে আমি জানি না। তাকে গ্রেপ্তার করার কারণে সে অনেক সহানুভূতি ভোট পেয়েছে এবং তার প্যানেলের সংগরিষ্ঠ সদস্য বিজয়ী হয়েছে, বলেন তিনি।
থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। নির্বাচনে পরাজিত করতে তাকে গ্রেপ্তার করানো হয়েছিল বলে অভিযোগ তার সমর্থক মুহুরিদের। জানা গেছে, রাজনৈতিক কারণে আব্দুল বাতেনকে তথাকথিত সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত ফলাফলে জানা গেছে, নির্বাচনে ১৪ সদস্যের প্যানেলের মধ্যে আব্দুল বাতেন সমর্থিত প্যানেল থেকে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ৮ জন বিজয়ী হয়েছেন। সমিতির সভাপতি পদে আব্দুল বাতেন পেয়েছেন ২০৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ফারুক আহমেদ পেয়েছেন ১৪০ ভোট। সাধারণ সম্পাদক পদে বিজয়ী হয়েছেন আব্দুল বাতেনের প্যানেলের আরেক মুহুরি আতিয়ার রহমান। তিনি পেয়েছেন ১৭১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সাইফুর রহমান পেয়েছেন ১০১ ভোট। নির্বাচনে মোট ভোটার ৩৬২। ভোট প্রদান করেছেন ৩৫৮
জন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম বলেন, নির্বাচনের এক দিন আগে একজন প্রার্থীকে গ্রেপ্তার করায় নির্বাচন কমিশনার হিসেবে আমি মর্মাহত হয়েছি। আব্দুল বাতেনকে কেন গ্রেপ্তার করা হয়েছে আমি জানি না। তাকে গ্রেপ্তার করার কারণে সে অনেক সহানুভূতি ভোট পেয়েছে এবং তার প্যানেলের সংগরিষ্ঠ সদস্য বিজয়ী হয়েছে, বলেন তিনি।





