ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
পাতাল রেল হচ্ছে না আগামী ৫ বছরেও, আটকে গেছে প্রকল্প
সহকর্মীদের আইডি-পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে অগ্রণী ব্যাংকের ৪৩ কোটি টাকা হাপিশ, অভিযুক্ত পগার পার দুবাইতে
বিপুল ইয়াবাসহ সৌদি যাত্রাকালে শাহজালাল বিমানবন্দরে গ্রেপ্তার ১, মাদকের পরিবর্তে সোনা আনত চক্রটি
‘বঙ্গবন্ধু শান্তি পদযাত্রা’ থেকে আটক ঢাবি অধ্যাপক জামালকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেপ্তার দেখাল পুলিশ
জামিন পেলেন সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক
আলোচিত পুলিশ কর্মকর্তা কোহিনূর মিয়ার বরখাস্তের আদেশ বাতিল
৮২০ মিলিয়ন ডলার আর দশ হাজার চাকরি, দেশ ডুবিয়ে ইউনুসের “সংস্কারের” মূল্য পরিশোধ
দিল্লীতে বিস্ফোরণ: তদন্তে বাংলাদেশি সংযোগের ইঙ্গিত ভারতের
বাংলাদেশ সম্ভবত দিল্লীতে গাড়ি বোমা হামলার ঘটনায় জড়িয়েই যাচ্ছে। ভারতের জাতীয় তদন্ত এজেন্সি (NIA) এর তদন্তে আজ উঠে এসেছে ভারতে অবৈধভাবে বসবাসরত ৪ জন বাংলাদেশীর নাম।
তারা আলকায়েদা নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত। তারা বাংলাদেশ থেকে জাল পরিচয়পত্র নিয়ে ভারতে ঢুকেছিল। বার্তা সংস্থা Wion এর খবর মোতাবেক, তারা সন্ত্রাসবাদের জন্য অর্থ সংগ্রহ করছিল। বাংলাদেশ থেকে টাকাপয়সা আনা নেয়া এবং ভারতে সদস্য সংগ্রহের কাজে লিপ্ত ছিল।
গত বুধবার (১২ নভেম্বর) রাতে ভারতীয় সংস্থা ৫টি প্রদেশের ১০ জায়গায় অপারেশন চালায় এবং সর্বমোট ৪ জন বাংলাদেশীকে গ্রেপ্তার করে। তাদের নাম হচ্ছে ১. মোহাম্মদ সজিব মিয়া ২. মুন্না খালিদ আনসারী ৩. আজারুল ইসলাম ৪. আব্দুল লতিফ।
তাদের কাছ থেকে ডিজিটাল ডিভাইসসহ আরো প্রমাণাদি উদ্ধার করা হয়েছে। তারা প্রত্যেকে আলকায়েদার সক্রিয় সদস্য বলে জানা গেছে। তবে তদন্তকারী সংস্থা থেকে এখনো পরিষ্কারভাবে বলা হয় নাই এই ৪ জন বাংলাদেশী দিল্লীতে হামলার সাথে জড়িত কিনা বা জড়িত থাকলেও তাদের ভূমিকা কি ছিল। তবে দিল্লীতে হামলার তদন্ত করতে গিয়ে এদের ধরা একটা সিগনিফিক্যান্ট ব্যাপার। এর আগে, সোমবার (১০ নভেম্বর) দিল্লির লাল কেল্লার কাছে একটি গাড়িতে বিস্ফোরণে অন্তত আট জনের মৃত্যু ও আরও অনেক মানুষ আহত হওয়ার খবর দিয়েছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম। বিস্ফোরণের পর পুরো ভারতে সতর্কতা জারি করা হয়। হামলার পর গোয়েন্দা সূত্রের বরাত দিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক
খবরে পাকিস্তানের আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদী সংগঠন লস্কর-ই-তৈয়বার প্রধান হাফিজ সাঈদ ভারতে হামলার ছক বাংলাদেশের মাটি ব্যবহার করে করেছে বলে দাবি করা হয়।
তাদের কাছ থেকে ডিজিটাল ডিভাইসসহ আরো প্রমাণাদি উদ্ধার করা হয়েছে। তারা প্রত্যেকে আলকায়েদার সক্রিয় সদস্য বলে জানা গেছে। তবে তদন্তকারী সংস্থা থেকে এখনো পরিষ্কারভাবে বলা হয় নাই এই ৪ জন বাংলাদেশী দিল্লীতে হামলার সাথে জড়িত কিনা বা জড়িত থাকলেও তাদের ভূমিকা কি ছিল। তবে দিল্লীতে হামলার তদন্ত করতে গিয়ে এদের ধরা একটা সিগনিফিক্যান্ট ব্যাপার। এর আগে, সোমবার (১০ নভেম্বর) দিল্লির লাল কেল্লার কাছে একটি গাড়িতে বিস্ফোরণে অন্তত আট জনের মৃত্যু ও আরও অনেক মানুষ আহত হওয়ার খবর দিয়েছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম। বিস্ফোরণের পর পুরো ভারতে সতর্কতা জারি করা হয়। হামলার পর গোয়েন্দা সূত্রের বরাত দিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক
খবরে পাকিস্তানের আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদী সংগঠন লস্কর-ই-তৈয়বার প্রধান হাফিজ সাঈদ ভারতে হামলার ছক বাংলাদেশের মাটি ব্যবহার করে করেছে বলে দাবি করা হয়।



