জমে উঠেছে বিপিএল, এখনো প্লে-অফের দৌড়ে ৬ দল – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২১ জানুয়ারি, ২০২৫
     ৫:৪১ অপরাহ্ণ

জমে উঠেছে বিপিএল, এখনো প্লে-অফের দৌড়ে ৬ দল

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২১ জানুয়ারি, ২০২৫ | ৫:৪১ 204 ভিউ
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) চলতি আসরে প্রথম দল হিসেবে প্লে-অফ নিশ্চিত করেছে রংপুর রাইডার্স। এখন পর্যন্ত ৮ ম্যাচ খেলে পূর্ণ ১৬ পয়েন্ট পাওয়া দলটি লিগ পর্বের বাকি চার ম্যাচ ভারমুক্ত হয়ে খেলার সুযোগ পাবে। প্লে-অফের অন্য তিন স্পট নিয়ে এখন বাকি ৬ দলের মধ্যে কাড়াকাড়ি অবস্থা। টুর্নামেন্টে সব দলই এখন পর্যন্ত অন্তত ৭টি ম্যাচ খেলেছে, এর মধ্যে সর্বোচ্চ ৯টি করে ম্যাচে মাঠে নেমেছে ঢাকা ক্যাপিটালস এবং দুর্বার রাজশাহী। ৮টি করে ম্যাচ খেলেছে সিলেট স্ট্রাইকার্স এবং চিটাগং কিংস। আর সবচেয়ে কম সাত ম্যাচ খেলা হয়েছে খুলনা টাইগার্স ও ফরচুন বরিশালের। এর মধ্যে যথাক্রমে ৯ ও ৮ ম্যাচ খেলে ঢাকা এবং সিলেটের ঝুলিতে এসেছে

মোটে চার পয়েন্ট। আপাতদৃষ্টিতে প্লে-অফের পথ তাদের জন্য বন্ধুর হলেও কাগজে-কলমে এখনো সম্ভাবনা টিকে রয়েছে এই দুই দলের। এদিকে পয়েন্ট টেবিলে রংপুরের পরের দুটি অবস্থানে থাকা চিটাগং এবং বরিশালের পয়েন্ট সমান ১০। তুলনামূলকভাবে প্লে-অফের বাকি তিন স্পটের দুটি বাগিয়ে নিতে সবচেয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে তারা। আর টুর্নামেন্টের এই পর্যায়ে সমান ৬ পয়েন্ট করে পাওয়া খুলনা এবং রাজশাহীর পাল্লা এখনো যেকোনো দিকেই ঝুঁকতে পারে। প্লে-অফের দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে থাকা চিটাগং এবং বরিশালকে এখনো লিগ পর্বে যথাক্রমে ৪ ও ৫টি ম্যাচ খেলতে হবে। এর মধ্যে অন্তত দুটি জয় পেলেই শেষ চারের টিকিট নিশ্চিত হবে তাদের। লিগ পর্বের শেষ ভাগে চিটাগংকে খেলতে হবে টেবিল টপার রংপুর,

তিনে থাকা বরিশাল, রাজশাহী ও সিলেটের বিপক্ষে। আর চিটাগংয়ের বিপক্ষে ম্যাচটি ছাড়াও এখনো ঢাকা, সিলেট এবং খুলনার বিপক্ষে দুটি ম্যাচ খেলতে হবে বরিশালকে। চিটাগং এবং বরিশালের পর প্লে-অফের দৌড়ে তুলনামূলকভাবে এগিয়ে মেহেদী মিরাজের খুলনা। প্লে-অফ নিশ্চিত করতে নিজেদের শেষ ৫ ম্যাচের অন্তত ৩টির ফল পক্ষে আনতে হবে তাদের। লিগ পর্বের বিজনেস এন্ডে তারা প্রতিপক্ষ হিসেবে পাবে বরিশাল, সিলেট, রংপুর এবং ঢাকাকে। এর মধ্যে তামিম ইকবালের বরিশালের বিপক্ষে দুবার খেলতে হবে খুলনাকে। দুর্বার রাজশাহী, সিলেট স্ট্রাইকার্স এবং ঢাকা ক্যাপিটালসের বর্তমান লিগ পজিশন যথাক্রমে পঞ্চম, ষষ্ঠ এবং সপ্তম। প্লে-অফের দৌড়ে চমক উপহার দিতে এই তিন দলকেই নিজেদের বাকি ম্যাচগুলোতে জয় পেতে হবে। এর

মধ্যে সদ্য অধিনায়কত্বে পরিবর্তন আনা রাজশাহীর জন্য পথ একটু বেশিই কঠিন। শেষ তিন ম্যাচের মধ্যে যে তাদের দুবার খেলতে হবে অপ্রতিরোধ্য রংপুরের বিপক্ষে। নানা বিতর্কে ঘেরা বিপিএলে এখন মাঠের ক্রিকেটে চোখ রাখতেই হবে ক্রিকেটপ্রেমীদের। প্রতি ম্যাচডেতে-ই পাল্টে যাবে সমীকরণ, প্লে-অফ নিশ্চিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঝাঁজ বাড়বে দলগুলোর মধ্যে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
এলপিজি গ্যাস সংকট সহসাই কাটছেনা লোক দেখানো নিলামে গ্রামীণফোনকেই “৭০০ মেগাহার্টজের গোল্ডেন স্পেকট্রাম” দেওয়া হচ্ছে ‘নো বোট, নো ভোট’ স্লোগানে নির্বাচন বয়কটে নামছে আওয়ামী লীগ তরুণদের আন্দোলনে ক্ষমতায় আসা ইউনূসের কর্মসংস্থান ও চাকরী নিয়ে বাস্তবতাবিহীন নিষ্ঠুর রসিকতা বৈধতাহীন সরকারের অধীনে অর্থনৈতিক বিপর্যয় : সর্বনিম্ন বিনিয়োগে ডুবছে বাংলাদেশ মৌলবাদের অন্ধকারে যখন সংস্কৃতি গলা টিপে ধরা—তখনও বাংলাদেশ বেঁচে থাকে অসাম্প্রদায়িক চেতনায়…. সবাইকে পৌষ পার্বণ ও মকর সংক্রান্তির শুভেচ্ছা। ১৬ বছরে যা হয়নি, ১৭ মাসেই সব ভেঙে পড়লো কিভাবে? রপ্তানি খাতে বড় পতন, সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে সরকার ক্ষমতার শেষ মুহূর্তে তড়িঘড়ি প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি: দুর্নীতির মচ্ছবে ব্যাস্ত ইউনুস সরকারের বিশেষ সহকারী আবারো কারা হেফাজতে আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু: মামলা ছাড়া আটক হুমায়ূন কবির, মৃত্যুর মিছিলে আরেকটি নাম চট্টগ্রাম বন্দরে শিবির–এনসিপি কোটায় নিয়োগ: ৯ জনকে পদায়ন নিজেদের নেওয়া ব্যাংক ঋণের চাপে অথৈ সমুদ্রে ইউনূস সরকার, অজানা গন্তব্যে অর্থনীতি ব্যালট বাক্স নয়, লাশের হিসাবই যখন বাস্তবতা এবার নিশানা বাঙালির পৌষ সংক্রান্তি : হাজার বছরের আবহমান বাংলার সংস্কৃতি মুছে বর্বর ধর্মরাষ্ট্রের স্বপ্ন রক্তের দাগ মুছবে কে? নিরপেক্ষতার মুখোশ খুলে গেছে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ চাইতে নেমে ড. ইউনূস প্রমাণ করলেন—তিনি আর প্রধান উপদেষ্টা নন, তিনি একটি পক্ষের সক্রিয় কর্মী আওয়ামী লীগবিহীন নির্বাচন কঠিন সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে বাংলাদেশকে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষে বিতর্কিত নিয়োগ নয়জন জুলাই সন্ত্রাসীকে প্রভাব খাটিয়ে নিয়োগ হ্যাঁ কিংবা না কোনো শব্দেই আমরা আওয়ামী লীগ তথা মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি যেন কথা না বলি।কারণ এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ফাঁদটাই হলো আমাদের মুখ খুলিয়ে দেওয়া। ইউনুস থেকে মাচাদো: নোবেল শান্তি পুরস্কার কি সরকার পরিবর্তনের হাতিয়ার হয়ে উঠেছে?