
ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর

বিসিবি নির্বাচনে জিতলে যে পরিবর্তন আনতে চান তামিম

লিটনের ফিফটিতে সিরিজে দাপুটে শুরু বাংলাদেশের

এশিয়া কাপে বাংলাদেশের ম্যাচের টিকিটের মূল্য প্রকাশ

ডাচদের হেসেখেলে হারাল বাংলাদেশ

আফগানদের ব্যাটিং দুর্দশায় জয়ে শুরু পাকিস্তানের

প্রথম ম্যাচেই কি পরীক্ষা-নিরীক্ষা? কেমন হবে বাংলাদেশের একাদশ

শ্রীলংকার টি২০ দলে ভিশেন, নেই হাসারাঙ্গা
‘খেলা ছাড়ার সময় এখনো আসেনি’

জাতীয় দলের জার্সিতে এখন হয়তো দেখা যায় না, কিন্তু ক্রিকেট থেকে বিদায় নেওয়ার কোনো চিন্তাও নেই সাকিব আল হাসানের। এখনও মাঠে নামলেই নিজের উপস্থিতি জানান দেন, আর ক্রিকেটের প্রতি সেই পুরোনো ভালোবাসাটাই তাকে টেনে রাখছে এই খেলায়।
বর্তমানে গ্লোবাল সুপার লিগে দুবাই ক্যাপিটালসের হয়ে খেলছেন অভিজ্ঞ এই অলরাউন্ডার। গতকাল গায়ানার বিপক্ষে ম্যাচের আগে নিজের খেলা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে খোলাখুলি কথা বলেন তিনি।
সাকিব বলেন, ‘আমি এখনও খেলাটা অনেক উপভোগ করি। যখন অনূর্ধ্ব-১৫ বা অনূর্ধ্ব-১৯ দলে খেলতাম, তখন যেমন ভালোবাসতাম ক্রিকেটকে, এখনও সেই ভালোবাসাটাই আছে। এটা আমার বড় প্রেরণা। যতদিন উপভোগ করব, ততদিনই মাঠে থাকব।’
দলের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স নিয়েও মত দিয়েছেন সাকিব। তার
ভাষায়, ‘প্রথম ম্যাচটা আমরা দারুণ খেলেছি। দ্বিতীয় ম্যাচটা পরিকল্পনা অনুযায়ী হয়নি। আজকের ম্যাচটা আলাদা হবে। এটা রাতের খেলা, পরিবেশ ভিন্ন হবে। গায়ানার মাঠে গ্যালারি থাকবে ভরপুর। দুই দলের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ।’ নিজের ভূমিকাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক। বললেন, ‘বোলিং এমন একটা জায়গা, যেটা যেকোনো সময় আমি করতে পারি—হোক সেটা পাওয়ারপ্লে, মিডল ওভার কিংবা ডেথ ওভার। ব্যাটিংয়ে যদি টপ অর্ডার ভালো শুরু করে, আমি চাই সেই গতি ধরে রাখতে। আর শুরুটা ভালো না হলে, আমি চাই একটা ভালো জুটি গড়ে তুলতে, যাতে দল বড় সংগ্রহ পায়।’ ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে নিয়মিত হলেও সাকিবের শরীরী ভাষা বলে দেয়, এখনো খেলার প্রতি আগ্রহে একটুও ঘাটতি
নেই। আর সেটাই হয়তো তার দীর্ঘ ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় রহস্য।
ভাষায়, ‘প্রথম ম্যাচটা আমরা দারুণ খেলেছি। দ্বিতীয় ম্যাচটা পরিকল্পনা অনুযায়ী হয়নি। আজকের ম্যাচটা আলাদা হবে। এটা রাতের খেলা, পরিবেশ ভিন্ন হবে। গায়ানার মাঠে গ্যালারি থাকবে ভরপুর। দুই দলের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ।’ নিজের ভূমিকাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক। বললেন, ‘বোলিং এমন একটা জায়গা, যেটা যেকোনো সময় আমি করতে পারি—হোক সেটা পাওয়ারপ্লে, মিডল ওভার কিংবা ডেথ ওভার। ব্যাটিংয়ে যদি টপ অর্ডার ভালো শুরু করে, আমি চাই সেই গতি ধরে রাখতে। আর শুরুটা ভালো না হলে, আমি চাই একটা ভালো জুটি গড়ে তুলতে, যাতে দল বড় সংগ্রহ পায়।’ ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে নিয়মিত হলেও সাকিবের শরীরী ভাষা বলে দেয়, এখনো খেলার প্রতি আগ্রহে একটুও ঘাটতি
নেই। আর সেটাই হয়তো তার দীর্ঘ ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় রহস্য।