ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
শতভাগ বিদ্যুতায়নের দেশে জ্বালানি সংকট তীব্রতর: শপিংমলে আলোকসজ্জা বন্ধের পরিকল্পনা
ইউনুসের করা বাণিজ্য চুক্তির ঘেরাটোপ থেকে মুক্তি মিলছে না সহজেইঃ বাণিজ্য মন্ত্রীর সাথে পল কাপুরের বৈঠক
ইউক্রেন যুদ্ধকালীন পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি আশঙ্কা: ইরান সংঘাতে বাংলাদেশের জ্বালানি সংকট অসহনীয় হয়ে উঠতে পারে
মধ্যপ্রাচ্যগামী যাত্রীদের করণীয় বিষয়ে বাংলাদেশ বিমানের জরুরি ঘোষণা
বিএনপির হস্তক্ষেপে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে ইউনূসপন্থীদের জোরপূর্বক পদত্যাগ: ক্ষেপছে মার্কিনপন্থী নাগরিক সমাজ
মধ্যপ্রাচ্যে বাতিল হওয়া ফ্লাইটে ফ্রি টিকেট দিচ্ছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স
শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনতে নতুন করে উদ্যোগ নেওয়া হবে: চিফ প্রসিকিউটর
উৎপাদনে ফিরল বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্রের তৃতীয় ইউনিট
দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তক তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন তৃতীয় ইউনিট ৬ দিন বন্ধ থাকার পর উৎপাদনে ফিরেছে। চীন থেকে আনা নতুন (ইআরসি) হাইড্রলিক পাম্প স্থাপন করে রোববার দুপুর ১টা ৫৮ মিনিট থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করা হয়েছে।
এর অগে গত ৬ সেপ্টেম্বর থেকে তৃতীয় ইউনিটটি চালু হলেও যা দুই দিন পর ৯ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় পাম্প নষ্ট হওয়ার কারণে উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। এদিকে গত ১২ সেপ্টেম্বর রাত থেকে ১ নম্বর ইউনিট উৎপাদন শুরু করে। এক নাম্বার ইউনিটটি ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন হলেও, সেটি থেকে প্রতিদিন ৬০-৬৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। এতে করে বর্তমানে গড়ে দুটি ইউনিট থেকে ২২৭ মেগওয়াট বিদুৎ জাতীয়
গ্রীডে যোগ হচ্ছে। এতে উত্তরাঞ্চলের লোডশেডিং কমে এসেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বড়পুকুরিয়া কয়লা ভিত্তিক তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রর ৫২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন বিদুৎকেন্দ্রটি উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনা করেন চীনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হারবিন ইন্টারন্যাশনাল। ২০২০ সাল থেকে ২৫ সাল পর্যন্ত পাঁচ বছরের চুক্তি মোতাবেক আগামী বছর তাদের মেয়াদ শেষ হবে। বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির সরবরাহকৃত কয়লার ওপর নির্ভর করে এই তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি চলে। এ ব্যাপারে প্রধান প্রকৌশলী আবুবকর বলেন, এই প্রথম চীন থেকে এত দ্রুত যন্ত্রপাতি আনা সম্ভব হয়েছে এবং স্বল্প সময়ে কেন্দ্রটির তিনটি ইউনিট চালু হবে।
গ্রীডে যোগ হচ্ছে। এতে উত্তরাঞ্চলের লোডশেডিং কমে এসেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বড়পুকুরিয়া কয়লা ভিত্তিক তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রর ৫২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন বিদুৎকেন্দ্রটি উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনা করেন চীনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হারবিন ইন্টারন্যাশনাল। ২০২০ সাল থেকে ২৫ সাল পর্যন্ত পাঁচ বছরের চুক্তি মোতাবেক আগামী বছর তাদের মেয়াদ শেষ হবে। বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির সরবরাহকৃত কয়লার ওপর নির্ভর করে এই তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি চলে। এ ব্যাপারে প্রধান প্রকৌশলী আবুবকর বলেন, এই প্রথম চীন থেকে এত দ্রুত যন্ত্রপাতি আনা সম্ভব হয়েছে এবং স্বল্প সময়ে কেন্দ্রটির তিনটি ইউনিট চালু হবে।



