ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যুক্তরাষ্ট্রকে হরমুজ অবরোধ তুলে নিতে চাপ দিচ্ছে সৌদি
দক্ষিণ লেবাননে বহু ইসরায়েলি সেনা হতাহত
পত্রিকাটি ‘দুর্নীতিগ্রস্ত’ ও ‘ভুয়া খবর’ পরিবেশনকারী: ট্রাম্প
নেতানিয়াহুর ভয়ে পোস্ট ডিলিট করলেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী!
অর্থোডক্স ইস্টার উপলক্ষে রাশিয়া–ইউক্রেনের সাময়িক যুদ্ধবিরতি
ইরান ইস্যুতে চীনকে হুঁশিয়ারি দিলেন ট্রাম্প
উপযুক্ত সময়ে ইরানকে ‘খতম’ করতে প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প
ইসরাইলের ১২ জাহাজে হামলা চালিয়েছে ইরান
আন্তর্জাতিক পানিসীমায় ইসরাইল ইরানের তেল ট্যাংকারগুলোর ওপর হামলা চালানোর পর ইরান অন্তত এক ডজন ইসরাইলি জাহাজে হামলা চালিয়েছে।
ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসির প্রধান কমান্ডার মেজর জেনারেল হোসেইন সালামি এ তথ্য জানিয়েছেন।
শনিবার রাজধানী তেহরানে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান আইআরজিসির খাতামুল আম্বিয়া সদরদপ্তর পরিদর্শন করতে গেলে জেনারেল সালামি তাকে এ কথা জানান।
জেনারেল সালামি বলেন, ইরানের তেল রপ্তানি ক্ষতিগ্রস্ত করার জন্য ইসরাইলি বাহিনী আমাদের ১৪টি তেল ট্যাংকারে হামলা চালায়। প্রাথমিকভাবে কারা এ হামলা চালাচ্ছে তা আমরা বুঝতে পারিনি। কারণ, তারা অত্যন্ত গোপনীয়তার সঙ্গে হামলা চালাচ্ছিল। অবশেষে আমরা বুঝতে পারি যে, ইসরাইলই এসব হামলা চালাচ্ছে এবং এরপর আমরা তাদের ১২টি জাহাজে
আঘাত করি। আইআরজিসির প্রধান কমান্ডার বলেন, যখন আমরা তাদের পঞ্চম জাহাজটিতে আঘাত হানি, তখন তারা আমাদের বিরুদ্ধে তাদের হামলা বন্ধ করে এবং নৌ-যুদ্ধের অবসান ঘটানোর সিদ্ধান্ত নেয়। জেনারেল সালামি তারও আগের ঘটনা উল্লেখ করে বলেন, ব্রিটিশ সরকার জিব্রালটার প্রণালিতে আমাদের একটি তেল ট্যাংকার আটক করার পর, আমরা তাদের স্টেনা ইম্পেরো জাহাজ আটক করি। এর ফলে তারা আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়। ইরান ২০১৯ সালে হরমুজ প্রণালিতে ওই ব্রিটিশ জাহাজটি আটক করেছিল। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র ২০২২ সালে গ্রিস থেকে ইরানের দুটি জাহাজ আটক করার পর ইরানও তাদের দুটি জাহাজ আটক করে জানিয়ে জেনারেল সালামি বলেন, এতে তারাও আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়। ইরানের এ সেনা কমান্ডার এ
সময় জোর দিয়ে বলেন, শত্রুদের আগ্রাসী তৎপরতার সামনে নমনীয়তা দেখালে, তারা পেয়ে বসে। কিন্তু পাল্টা পদক্ষেপ নিলে তারা হাত গুটিয়ে পালাতে বাধ্য হয়। সূত্র: ইরনা
আঘাত করি। আইআরজিসির প্রধান কমান্ডার বলেন, যখন আমরা তাদের পঞ্চম জাহাজটিতে আঘাত হানি, তখন তারা আমাদের বিরুদ্ধে তাদের হামলা বন্ধ করে এবং নৌ-যুদ্ধের অবসান ঘটানোর সিদ্ধান্ত নেয়। জেনারেল সালামি তারও আগের ঘটনা উল্লেখ করে বলেন, ব্রিটিশ সরকার জিব্রালটার প্রণালিতে আমাদের একটি তেল ট্যাংকার আটক করার পর, আমরা তাদের স্টেনা ইম্পেরো জাহাজ আটক করি। এর ফলে তারা আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়। ইরান ২০১৯ সালে হরমুজ প্রণালিতে ওই ব্রিটিশ জাহাজটি আটক করেছিল। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র ২০২২ সালে গ্রিস থেকে ইরানের দুটি জাহাজ আটক করার পর ইরানও তাদের দুটি জাহাজ আটক করে জানিয়ে জেনারেল সালামি বলেন, এতে তারাও আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়। ইরানের এ সেনা কমান্ডার এ
সময় জোর দিয়ে বলেন, শত্রুদের আগ্রাসী তৎপরতার সামনে নমনীয়তা দেখালে, তারা পেয়ে বসে। কিন্তু পাল্টা পদক্ষেপ নিলে তারা হাত গুটিয়ে পালাতে বাধ্য হয়। সূত্র: ইরনা



