ইউরোপ-আমেরিকা মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমাতে চায় না: পেজেশকিয়ান – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১১ অক্টোবর, ২০২৪
     ১০:৩৭ অপরাহ্ণ

ইউরোপ-আমেরিকা মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমাতে চায় না: পেজেশকিয়ান

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১১ অক্টোবর, ২০২৪ | ১০:৩৭ 154 ভিউ
যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপীয় দেশগুলো মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি এবং স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে আগ্রহী নয় বলে অভিযোগ তুলেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। শুক্রবার তুর্কমেনিস্তানের রাজধানী আশখাবাদে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে একান্ত বৈঠকে ইরানি প্রেসিডেন্ট এ অভিযোগ তোলেন। দুই নেতা এদিনই নিজেদের মধ্যে প্রথম দ্বি-পাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হলেন। এ সময় পেজেশকিয়ান বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে সম্পর্ক শান্তিপূর্ণভাবে এগিয়ে যাক, তা ইউরোপীয় দেশগুলো এবং যুক্তরাষ্ট্র চায় না’। তিনি বলেন, দখলদার ইসরাইল কোনো আন্তর্জাতিক আইন বা মানবিক কাঠামো মানছে না, যার ফলে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি বেশ ভয়াবহ। ইরানি প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যে বর্তমানে উত্তেজনার মূল কারণ ইসরাইলের আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন এবং মানবিক মানদণ্ডের প্রতি সম্মান না দেখানো’। এর আগে ইরানের সর্বোচ্চ

নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিও একই অভিযোগ তোলেন। গত ৪ অক্টোবর তেহরানে দেওয়া জুমার খুতবায় তিনি বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র এবং তার মিত্ররা ইসরাইলের সমর্থনে কাজ করছে এবং এর পেছনে তাদের মূল উদ্দেশ্য হলো- মধ্যপ্রাচ্যের সম্পদগুলোর ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা। মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে মূলত ৭ অক্টোবর। যখন গাজা উপত্যকা ভিত্তিক ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস ইসরাইলি ভূখণ্ডে আকস্মিক আক্রমণ চালায়। এতে প্রায় ১,২০০ ইসরাইলি নাগরিক নিহত হন এবং ২৫০ জনেরও বেশি মানুষকে অপহরণ করা হয়। এর পর ইসরাইল গাজা উপত্যকায় পূর্ণ অবরোধ ঘোষণা করে এবং বিমান হামলা শুরু করে। পাশাপাশি লেবানন ও সিরিয়ার কিছু অঞ্চলেও হামলা চালানো হয়। একই সঙ্গে ইসরাইল গাজা উপত্যকায়

হামাসের বিরুদ্ধে স্থল অভিযানেরও সূচনা করে। পশ্চিম তীরেও সংঘর্ষের খবর পাওয়া যায়। পালটা জবাব হিসেবে দক্ষিণ লেবানন থেকে ইসরাইলের দখলকৃত ভূমিতে ক্রমাগত হামলা চালাতে থাকে হিজবুল্লাহ। তারই জেরে ইসরাইল চলতি বছরের ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে লেবাননে হিজবুল্লাহর সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে ব্যাপক বিমান হামলা চালিয়ে আসছে। ‘নর্দার্ন অ্যারোজ’ নামে ইসরাইলি বাহিনীর এই অভিযান শুরু করার লক্ষ্য ছিল ইসরাইলের উত্তরাঞ্চলের বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। ইসরাইলের দাবি, ২৭ সেপ্টেম্বরের বিমান হামলায় হিজবুল্লাহ নেতা হাসান নাসরুল্লাহ নিহত হয়েছেন। পরে ১ অক্টোবর থেকে ইসরাইল লেবাননের সীমান্ত এলাকায় স্থল অভিযানের ঘোষণা দেয়। ইসরাইলি বাহিনীর চলমান হামলায় লেবাননে এ পর্যন্ত ১,৩২৩ জন নিহত এবং ৩,৭০০ জনেরও বেশি আহত হয়েছেন। সেই

সঙ্গে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন ১২ লাখের বেশি লেবানিজ। অন্যদিকে গাজায় প্রাণ হারিয়েছেন ৪২,১২১ জন ফিলিস্তিনি এবং আহত হয়েছেন প্রায় এক লাখ। যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। সূত্র: তাস ও আল-জাজিরা

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
গ্রাম থেকে শহর আজ সংখ্যালঘুদের ভোট দিতে বলা হচ্ছে না, ভয় দেখিয়ে হাজির করানো হচ্ছে দখলদার ইউনুস অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের পর থেকেই বাংলাদেশ কার্যত এক শূন্য নিরাপত্তার রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। সার্বভৌমত্বের সংকটে যখন র‍্যাবকে পালিয়ে আসতে হয় : যেখানে রাষ্ট্রের চেয়ে মাফিয়া বেশি ক্ষমতাবান, সেখানে সংস্কারের গল্প শোনান ইউনুস *ঢাকা বিমানবন্দরে চীনা ও ভারতীয় ব্যবসায়ী–পর্যটকদের ন্যক্কারজনক হয়রানি* মরে গেলে সবাই আফসোস করে, কিন্তু বেঁচে থাকতে কেউ দেখে না”: চার মাস ধরে জেলবন্দি স্বামীর চিন্তায় ও অনাহারে এক স্ত্রীর হাহাকার আবেদন করা হয়নি’ বলে অপপ্রচার আওয়ামী লীগ মাঠে নেই, তাই নির্বাচন ‘প্রতিদ্বন্দ্বীতাহীন’: মেজর হাফিজ কারাগারে নেতা, কবরে স্ত্রী–সন্তান ভোটের জন্য আদর্শ বিসর্জন ইউনুসের অপশাসনে দেশ, আইনের শাসনের বদলে মববাজির রাজত্ব আরেকটি কারামৃত্যু: বিচারহীনতার সংস্কৃতিতে ‘খুন’ হলেন আ.লীগ নেতা গোলাম মোস্তফা ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থান দিবস আজ আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করা গণতন্ত্র নয়, ‘কর্তৃত্ববাদ’: দ্য প্রিন্টকে হাসিনা সব দলের অংশগ্রহণ ছাড়া নির্বাচন অবৈধ—ভোটের নামে প্রহসন চলবে না অবৈধ জামাতি ইউনুস–আসিফ নজরুলের দায়িত্বহীনতা ডুবাচ্ছে দেশের ক্রিকেট। বাংলাদেশের চলমান সংকট নিরসনে আওয়ামী লীগ সভাপতি বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা উত্থাপিত ৫ -দফা নিপীড়িত পরিবারগুলোর কান্নাই আমাদের শপথ: অপশাসন উৎখাত না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চলবে বাগেরহাটে হৃদয়বিদারক ঘটনা: ফ্যানে ঝুলছিল মা, মেঝেতে পড়ে ছিল শিশুসন্তান মিয়ানমার-বাংলাদেশ সংঘাতের দিকে, ইউনুস সরকারের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ঝুঁকির মুখে নিখোঁজ ছাত্রলীগকর্মীর হাত পা বাঁধা লাশ মিলল ট্যাংকে ছোটখাটো মামলা, কেন ছাড়ল না? আমার… আপনারা কেমন? সে তো খুনি না, সে তো খুনি না