ইউরোপ-আমেরিকা মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমাতে চায় না: পেজেশকিয়ান – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১১ অক্টোবর, ২০২৪

ইউরোপ-আমেরিকা মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমাতে চায় না: পেজেশকিয়ান

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১১ অক্টোবর, ২০২৪ |
যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপীয় দেশগুলো মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি এবং স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে আগ্রহী নয় বলে অভিযোগ তুলেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। শুক্রবার তুর্কমেনিস্তানের রাজধানী আশখাবাদে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে একান্ত বৈঠকে ইরানি প্রেসিডেন্ট এ অভিযোগ তোলেন। দুই নেতা এদিনই নিজেদের মধ্যে প্রথম দ্বি-পাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হলেন। এ সময় পেজেশকিয়ান বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে সম্পর্ক শান্তিপূর্ণভাবে এগিয়ে যাক, তা ইউরোপীয় দেশগুলো এবং যুক্তরাষ্ট্র চায় না’। তিনি বলেন, দখলদার ইসরাইল কোনো আন্তর্জাতিক আইন বা মানবিক কাঠামো মানছে না, যার ফলে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি বেশ ভয়াবহ। ইরানি প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যে বর্তমানে উত্তেজনার মূল কারণ ইসরাইলের আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন এবং মানবিক মানদণ্ডের প্রতি সম্মান না দেখানো’। এর আগে ইরানের সর্বোচ্চ

নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিও একই অভিযোগ তোলেন। গত ৪ অক্টোবর তেহরানে দেওয়া জুমার খুতবায় তিনি বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র এবং তার মিত্ররা ইসরাইলের সমর্থনে কাজ করছে এবং এর পেছনে তাদের মূল উদ্দেশ্য হলো- মধ্যপ্রাচ্যের সম্পদগুলোর ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা। মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে মূলত ৭ অক্টোবর। যখন গাজা উপত্যকা ভিত্তিক ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস ইসরাইলি ভূখণ্ডে আকস্মিক আক্রমণ চালায়। এতে প্রায় ১,২০০ ইসরাইলি নাগরিক নিহত হন এবং ২৫০ জনেরও বেশি মানুষকে অপহরণ করা হয়। এর পর ইসরাইল গাজা উপত্যকায় পূর্ণ অবরোধ ঘোষণা করে এবং বিমান হামলা শুরু করে। পাশাপাশি লেবানন ও সিরিয়ার কিছু অঞ্চলেও হামলা চালানো হয়। একই সঙ্গে ইসরাইল গাজা উপত্যকায়

হামাসের বিরুদ্ধে স্থল অভিযানেরও সূচনা করে। পশ্চিম তীরেও সংঘর্ষের খবর পাওয়া যায়। পালটা জবাব হিসেবে দক্ষিণ লেবানন থেকে ইসরাইলের দখলকৃত ভূমিতে ক্রমাগত হামলা চালাতে থাকে হিজবুল্লাহ। তারই জেরে ইসরাইল চলতি বছরের ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে লেবাননে হিজবুল্লাহর সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে ব্যাপক বিমান হামলা চালিয়ে আসছে। ‘নর্দার্ন অ্যারোজ’ নামে ইসরাইলি বাহিনীর এই অভিযান শুরু করার লক্ষ্য ছিল ইসরাইলের উত্তরাঞ্চলের বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। ইসরাইলের দাবি, ২৭ সেপ্টেম্বরের বিমান হামলায় হিজবুল্লাহ নেতা হাসান নাসরুল্লাহ নিহত হয়েছেন। পরে ১ অক্টোবর থেকে ইসরাইল লেবাননের সীমান্ত এলাকায় স্থল অভিযানের ঘোষণা দেয়। ইসরাইলি বাহিনীর চলমান হামলায় লেবাননে এ পর্যন্ত ১,৩২৩ জন নিহত এবং ৩,৭০০ জনেরও বেশি আহত হয়েছেন। সেই

সঙ্গে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন ১২ লাখের বেশি লেবানিজ। অন্যদিকে গাজায় প্রাণ হারিয়েছেন ৪২,১২১ জন ফিলিস্তিনি এবং আহত হয়েছেন প্রায় এক লাখ। যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। সূত্র: তাস ও আল-জাজিরা

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
আওয়ামী লীগ সরকারের পতন: ভুল কূটনীতি ও অভ্যন্তরীণ ব্যর্থতার ব্যবচ্ছেদ শামা ওবায়েদের নামে চলছে তদ্বির বাণিজ্য বিনামূল্যের পাঠ্যবই মুদ্রণে কারসাজি: এক বছরেই রাষ্ট্রের ৬৫৯ কোটি টাকা লুটে নিলো সিন্ডিকেট ঈদের আগেই বাড়ির পথে যাত্রা, কমলাপুরে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় ইউনুসের অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাও মনে করছেন মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি দেশের কৃষি ও প্রাণি সম্পদের জন্য ক্ষতিকর বেশি দামে এলএনজি কেনা ও মার্কিন চুক্তি: সরকারের ভুল নাকি ইচ্ছাকৃত সিদ্ধান্ত! কোনো সামর্থবান মুসলিম রাষ্ট্র নয়, ইরানের পাশে দাঁড়ালো চীন মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানি নৌবাহিনীর ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা জামায়াতের নির্বাচনী আইকন নিউইয়র্ক মেয়র মামদানির অফিসে এলজিবিটি দপ্তর: বিতর্ক চরমে ইরানের মেয়েদের স্কুলে ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দায় স্বীকার যুক্তরাষ্ট্রের আওয়ামী লীগ আমলে খননকৃত শ্রীকাইল গ্যাসক্ষেত্রের ৫ম কূপ উদ্বোধন, যুক্ত হচ্ছে দৈনিক ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস কুর্মিটোলা এভিয়েশন ডিপো থেকে বিমানের ৭২ হাজার লিটার জেট ফুয়েল গায়েব! স্পিকার–ডেপুটি স্পিকারের পদত্যাগ নিয়ে সংবিধানিক প্রশ্ন: সামাজিক মাধ্যমে বিতর্ক আচরণবিধি ভাঙায় পাকিস্তানের আঘা সালমানকে আইসিসির তিরস্কার ও ডিমেরিট বাংলাদেশের জ্বালানী নিরাপত্তায় কি ব্যবস্থা নিয়েছিল আওয়ামী লীগ সরকার? How Long Will People Remain Imprisoned Without Trial? কোহিনূর মিয়ার প্রত্যাবর্তন এবং ‘নারীবান্ধব’ বিএনপি সরকারের নারীবান্ধব পুরস্কার! বিএনপির চাঁদাবাজ সন্ত্রাসে আবারও রক্তাক্ত সংখ্যালঘু পরিবার—যশোরে চাঁদা না দেওয়ায় গৃহবধূকে নির্মমভাবে পিটিয়ে জখম! The International Crimes Tribunal Has Turned into a Machine for Illicit Money অপারেশন ক্লিনহার্ট ২.০: মব সন্ত্রাস থামবে, নাকি কেবল স্লোগানেই সীমাবদ্ধ থাকবে?