ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
পদ্মা ব্যারাজের হঠকারী প্রকল্প: বিশেষজ্ঞদের উদ্বেগ উপেক্ষিত, তিন দিক থেকে বিপদের আশঙ্কা
সুলতানুল আউলিয়া শাহ আলী বোগদাদী (রহ.) মাজারে হামলার প্রতিবাদে সারাদেশে সুন্নিপন্থীদের বিক্ষোভ মিছিল
বাংলাদেশে মার্কিন সামরিক প্রবেশাধিকারে চুক্তি: চীন-ভারতের নিরাপত্তা উদ্বেগ বাড়ার আশঙ্কা
আসন্ন বাজেটে বাড়ানো হচ্ছে নিত্যপণ্যের ওপর করের বোঝা: কী আছে স্বল্প আয়ের মানুষের ভাগ্যে?
নারী নেতৃত্ব হারাম বলে কী টিভি এডিটরস কাউন্সিলে জায়গা হয়নি নাজনীন মুন্নী?
গণভবন লুট ও ৩২ নম্বর ভাঙচুরকারীদের ওপর প্রকৃতির অভিশাপ শুরু হয়েছে : গোলাম মাওলা রনি
যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধজাহাজের জন্য বন্দর খুলে দিচ্ছে বাংলাদেশ
আরও ৮ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে ঢুকে গেছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সংঘাতের মধ্যে সীমান্ত পেরিয়ে আরও ৮ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করেছে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। তিনি বলেছেন, মিয়ানমার থেকে কীভাবে এই অনুপ্রবেশ ঠেকানো যায়, তা নিয়ে আগামী দু-তিন দিনের মধ্যে উপদেষ্টা পরিষদে আলোচনা হবে।
মঙ্গলবার বিকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের বিষয়ে জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, ‘আমার কাছে তথ্য আছে, আট হাজারের মতো রোহিঙ্গা ঢুকে গেছে। এখানে বর্ডারের বিষয়টা যদিও আমার না, কিন্তু যখন ঢুকে পড়ে তখন বিষয়টা আমাদের হয়ে যায়। এটা নিয়ে আসলে আগামী দুই-তিন দিনের মধ্যে সিরিয়াস আলোচনা হবে মন্ত্রিপরিষদে এবং
এটা কীভাবে ঠেকানো যায়, সেটা আমাদের চেষ্টা করতে হবে।’ এ সময় পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘নীতিগতভাবে আমরা কোনো রোহিঙ্গাকে নতুন করে আশ্রয় দেব না। যদিও দুঃখ লাগে কথাটা বলতে, কিন্তু আমাদের জন্য সাধ্যের অতীত, আর পারব না তাদের আশ্রয় দিতে।’ রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিজিবির সক্রিয়তা ও সীমান্ত বন্ধ না করার বিষয়ে এক প্রশ্নে তিনি বলেন, রেগুলার সীমান্ত সিল করা কঠিন, এটা আমরা স্বীকার করি। তবে, যেটা বলছিলাম যে, এখানে অনেকগুলো ফোর্স কাজ করে, ওই জায়গায় কিছু দুর্নীতি জড়িত নয়, এটা আমি বলতে পারি না। এটা যথাসম্ভব আটকানোর চেষ্টা করা হবে।
এটা কীভাবে ঠেকানো যায়, সেটা আমাদের চেষ্টা করতে হবে।’ এ সময় পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘নীতিগতভাবে আমরা কোনো রোহিঙ্গাকে নতুন করে আশ্রয় দেব না। যদিও দুঃখ লাগে কথাটা বলতে, কিন্তু আমাদের জন্য সাধ্যের অতীত, আর পারব না তাদের আশ্রয় দিতে।’ রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিজিবির সক্রিয়তা ও সীমান্ত বন্ধ না করার বিষয়ে এক প্রশ্নে তিনি বলেন, রেগুলার সীমান্ত সিল করা কঠিন, এটা আমরা স্বীকার করি। তবে, যেটা বলছিলাম যে, এখানে অনেকগুলো ফোর্স কাজ করে, ওই জায়গায় কিছু দুর্নীতি জড়িত নয়, এটা আমি বলতে পারি না। এটা যথাসম্ভব আটকানোর চেষ্টা করা হবে।



