‘আমি মারা যাব’ কেন বললেন তসলিমা নাসরিন – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
     ১১:২২ অপরাহ্ণ

‘আমি মারা যাব’ কেন বললেন তসলিমা নাসরিন

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ | ১১:২২ 212 ভিউ
ভারতে বসবাসের অনুমতি নবায়ন না হলে বড় ধরনের হুমকির মধ্যে পড়বেন বলে জানিয়েছেন নির্বাসিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন। দেশটিতে থাকতে না পারলে তিনি মারা যাবেন বলেও জানিয়েছেন। দেড় মাসেরও বেশি সময় ধরে ভারত সরকার তার বসবাসের অনুমতি নবায়ন না করায় এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তসলিমা নাসরিন। রোববার সহযোগী গণমাধ্যম ‘আজতক বাংলা’কে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারের বরাতে এ খবর জানিয়েছে ইন্ডিয়া টুডে। চলতি বছরের ১৭ জুলাই ভারতের বসবাসের অনুমতির মেয়াদ শেষ হয় তসলিমা নাসরিনের। এখন পর্যন্ত বিজেপি সরকার তার থাকার মেয়াদ বাড়ায়নি। ফলে ভারতে অবস্থান করা নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন তিনি। এ নিয়ে বেশ দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে তসলিমার। আজতক ডট ইনের সম্পাদক কেশবানন্দ ধর

দুবেকে দেওয়া ওই সাক্ষাৎকারে তসলিমা বলেন, আমি ভারতে থাকতে পছন্দ করি। কিন্তু প্রায় দেড় মাস হয়ে গেছে। এখনো আমার থাকার মেয়াদ বাড়ায়নি কেন্দ্রীয় সরকার। বিষয়টি নিয়ে ভারত সরকারের কাছ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পাচ্ছেন না। ‘আমি জানি না, কার সঙ্গে কথা বলব? স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করবেন? আমি কারো সঙ্গে কথা বলি না। আমি অনলাইনে চেক করি। কিন্তু এখনো কোনো নিশ্চয়তা পাইনি। যা আগে কখনো ঘটেনি।’ ভারতে বসবাসের অনুমতি নবায়ন করার পথে বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে কিনা-এমন প্রশ্নে তসলিমা বলেন, বাংলাদেশ ও সেখানকার রাজনীতির সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই। আমি ইতোমধ্যে ভারতে বসবাস করছি। আমি এখানে একজন

সুইডিশ নাগরিক হিসেবে থাকি। বাংলাদেশে বর্তমান টালমাটাল পরিস্থিতির আগেই আমার থাকার মেয়াদ ফুরিয়ে গেছে। ২০১৭ সালেও এমন সমস্যা হয়েছিল। কিন্তু সেই সময় সেটি প্রযুক্তিগত সমস্যাই ছিল। ভারতে বসবাসের অনুমতি নবায়ন না হলে বড় ধরনের হুমকির মধ্যে পড়বেন বলেও জানান তিনি। তসলিমা বলেন, মানুষ মনে করে আমার সঙ্গে সরকার ও নেতাদের ঘনিষ্ঠতা আছে। তা কিন্তু নয়। পারমিট না পেলে আমি মারা যাব। এখন কোথাও যাওয়ার মতো অবস্থায় নেই। বাংলাদেশ থেকে নির্বাসিত হওয়ার জন্য ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ভূমিকা রয়েছে বলে উল্লেখ করেন তসলিমা। উল্লেখ্য, ১৯৯৪ সালে বাংলাদেশ থেকে নির্বাসিত হওয়ার পর বেশ কয়েক বছর ইউরোপে বসবাস করেছিলেন

তসলিমা। পরে ২০০৪ সালে তিনি ভারতে চলে আসেন। ভারতেও বেশ কয়েকবার অবস্থান বদলের পর ২০১১ সাল থেকে তিনি দিল্লিতে বসবাস করছেন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
গণভোট: বাংলাদেশ এবং দক্ষিণ এশিয়াকে অস্থিতিশীল করার পাঁয়তারা বিএনপির সঙ্গে জামায়াতের পর এনসিপির সংঘর্ষ: ভোটের আগেই ক্ষমতার লড়াইয়ে কি সংঘাত বাড়ছে? সরকারি কর্মচারীদের ৯ম পে-স্কেলের দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ, কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা নারী বিদ্বেষ থেকেই কি মনীষার সাথে একই মঞ্চে বসতে আপত্তি চরমোনাই পীর ফয়জুল করিমের? ঋণের ফাঁদ গভীরতর: বৈদেশিক ঋণের দায় ছাড়িয়েছে ৭৪ বিলিয়ন ডলার চরম ভারতবিদ্বেষের মাঝেও বন্ধ নেই আমদানি, এলো ১১ লাখ ৮৮ হাজার কেজি ভারতীয় চাল মধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনায় বিনিয়োগকারীদের ঝোঁক সোনার দিকে, দাম ছাড়াল ৫,৫০০ ডলার তরুণ সিনারকে হারিয়ে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের ফাইনালে ৩৮ পেরুনো জোকোভিচ জুলাই ২০২৪: যা দেখেছি, যা অভিজ্ঞতা করেছি জনসংখ্যার বড় অংশ ভোট দিতে না পারা অস্থিরতার পথ প্রশস্ত করে: শেখ হাসিনা নগদ টাকায় ভোট ক্রয় আর নতুন; বাংলাদেশের পবিত্র গণতন্ত্র প্রক্সি পলিটিক্স : জামাত-বিএনপি যেভাবে দায় এড়িয়ে ক্ষমতা নিয়ে খেলে ইউনূসের দুঃশাসন: দেশে ১২ লাখ চাকরি হারিয়েছেন, আগামী ৬ মাসে আরো ১২ লাখ “আগে বিএনপি করতাম, এহন করিনা; বিএনপি দল খারাপ সোজা কথা” – বিএনপি ছেড়ে আসা এক প্রবীণ “হ্যা/না বুঝি না ভোট দিতে যাবো না” – একজন বাংলাদেশপন্থীর আহ্বান “জামায়াত কখনই সনাতনীদের পক্ষে ছিলো না, থাকবেও না; কারণ জামায়াত সনাতনীদের ঘৃণা করে” – সনাতনী কন্ঠ ‘আমরা হয়তো স্বাধীনতা যুদ্ধ দেখি নাই, কিন্তু আমাদের মুরুব্বীরা বলছে যে বঙ্গবন্ধু না হইলে এদেশ কখনোই স্বাধীন হইতো না?’ – জনতার কথা নরসিংদীতে নিখোঁজের ৩ দিন পর সাবেক ছাত্রলীগ নেতার বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার গণভোটে ‘হাঁ’-এর পক্ষে অবস্থান: সরকার কি নিরপেক্ষতা হারাল? শুধু শহর নয়, গ্রামে গেলেও এখন ভালো লাগে”: উন্নয়নের প্রশংসায় পঞ্চমুখ নাগরিক