ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
১৭ই এপ্রিল, ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস। বাঙালি জাতির স্বাধীনতা অর্জনের এক স্মৃতি বিজড়িত দিন
আওয়ামী লীগ নেতাদের মুক্তিতে প্রথম আলোর জোরালো অবস্থান
অবসরপ্রাপ্ত দুই সেনা কর্মকর্তাকে জুলাই-আগস্টে ঢাকায় হত্যাকাণ্ড বাড়ানোর নির্দেশ দেয় কে?
সেনা জেনারেলদের গভীর রাতের বৈঠকই শেখ হাসিনার সরকারের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়
ইউনূস আমলে এলএনজি ক্রয়ে দুর্নীতি ৮৫৫ মিলিয়ন ডলার; জুন পর্যন্ত এলএনজি-সার কিনতে দরকার অতিরিক্ত ২.৬১ বিলিয়ন ডলার
মুজিবনগর দিবসে কোনো কর্মসূচি রাখেনি বিএনপির সরকার;স্মৃতিসৌধে মুক্তিযোদ্ধাদের শ্রদ্ধা
আস্থাহীনতার চাপেই আর্থিক খাত: ব্যাংক পুনর্গঠন ও পুঁজিবাজারে অস্থিরতার দ্বৈত সংকট
‘আমি মারা যাব’ কেন বললেন তসলিমা নাসরিন
ভারতে বসবাসের অনুমতি নবায়ন না হলে বড় ধরনের হুমকির মধ্যে পড়বেন বলে জানিয়েছেন নির্বাসিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন। দেশটিতে থাকতে না পারলে তিনি মারা যাবেন বলেও জানিয়েছেন।
দেড় মাসেরও বেশি সময় ধরে ভারত সরকার তার বসবাসের অনুমতি নবায়ন না করায় এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তসলিমা নাসরিন।
রোববার সহযোগী গণমাধ্যম ‘আজতক বাংলা’কে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারের বরাতে এ খবর জানিয়েছে ইন্ডিয়া টুডে।
চলতি বছরের ১৭ জুলাই ভারতের বসবাসের অনুমতির মেয়াদ শেষ হয় তসলিমা নাসরিনের। এখন পর্যন্ত বিজেপি সরকার তার থাকার মেয়াদ বাড়ায়নি। ফলে ভারতে অবস্থান করা নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন তিনি। এ নিয়ে বেশ দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে তসলিমার।
আজতক ডট ইনের সম্পাদক কেশবানন্দ ধর
দুবেকে দেওয়া ওই সাক্ষাৎকারে তসলিমা বলেন, আমি ভারতে থাকতে পছন্দ করি। কিন্তু প্রায় দেড় মাস হয়ে গেছে। এখনো আমার থাকার মেয়াদ বাড়ায়নি কেন্দ্রীয় সরকার। বিষয়টি নিয়ে ভারত সরকারের কাছ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পাচ্ছেন না। ‘আমি জানি না, কার সঙ্গে কথা বলব? স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করবেন? আমি কারো সঙ্গে কথা বলি না। আমি অনলাইনে চেক করি। কিন্তু এখনো কোনো নিশ্চয়তা পাইনি। যা আগে কখনো ঘটেনি।’ ভারতে বসবাসের অনুমতি নবায়ন করার পথে বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে কিনা-এমন প্রশ্নে তসলিমা বলেন, বাংলাদেশ ও সেখানকার রাজনীতির সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই। আমি ইতোমধ্যে ভারতে বসবাস করছি। আমি এখানে একজন
সুইডিশ নাগরিক হিসেবে থাকি। বাংলাদেশে বর্তমান টালমাটাল পরিস্থিতির আগেই আমার থাকার মেয়াদ ফুরিয়ে গেছে। ২০১৭ সালেও এমন সমস্যা হয়েছিল। কিন্তু সেই সময় সেটি প্রযুক্তিগত সমস্যাই ছিল। ভারতে বসবাসের অনুমতি নবায়ন না হলে বড় ধরনের হুমকির মধ্যে পড়বেন বলেও জানান তিনি। তসলিমা বলেন, মানুষ মনে করে আমার সঙ্গে সরকার ও নেতাদের ঘনিষ্ঠতা আছে। তা কিন্তু নয়। পারমিট না পেলে আমি মারা যাব। এখন কোথাও যাওয়ার মতো অবস্থায় নেই। বাংলাদেশ থেকে নির্বাসিত হওয়ার জন্য ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ভূমিকা রয়েছে বলে উল্লেখ করেন তসলিমা। উল্লেখ্য, ১৯৯৪ সালে বাংলাদেশ থেকে নির্বাসিত হওয়ার পর বেশ কয়েক বছর ইউরোপে বসবাস করেছিলেন
তসলিমা। পরে ২০০৪ সালে তিনি ভারতে চলে আসেন। ভারতেও বেশ কয়েকবার অবস্থান বদলের পর ২০১১ সাল থেকে তিনি দিল্লিতে বসবাস করছেন।
দুবেকে দেওয়া ওই সাক্ষাৎকারে তসলিমা বলেন, আমি ভারতে থাকতে পছন্দ করি। কিন্তু প্রায় দেড় মাস হয়ে গেছে। এখনো আমার থাকার মেয়াদ বাড়ায়নি কেন্দ্রীয় সরকার। বিষয়টি নিয়ে ভারত সরকারের কাছ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পাচ্ছেন না। ‘আমি জানি না, কার সঙ্গে কথা বলব? স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করবেন? আমি কারো সঙ্গে কথা বলি না। আমি অনলাইনে চেক করি। কিন্তু এখনো কোনো নিশ্চয়তা পাইনি। যা আগে কখনো ঘটেনি।’ ভারতে বসবাসের অনুমতি নবায়ন করার পথে বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে কিনা-এমন প্রশ্নে তসলিমা বলেন, বাংলাদেশ ও সেখানকার রাজনীতির সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই। আমি ইতোমধ্যে ভারতে বসবাস করছি। আমি এখানে একজন
সুইডিশ নাগরিক হিসেবে থাকি। বাংলাদেশে বর্তমান টালমাটাল পরিস্থিতির আগেই আমার থাকার মেয়াদ ফুরিয়ে গেছে। ২০১৭ সালেও এমন সমস্যা হয়েছিল। কিন্তু সেই সময় সেটি প্রযুক্তিগত সমস্যাই ছিল। ভারতে বসবাসের অনুমতি নবায়ন না হলে বড় ধরনের হুমকির মধ্যে পড়বেন বলেও জানান তিনি। তসলিমা বলেন, মানুষ মনে করে আমার সঙ্গে সরকার ও নেতাদের ঘনিষ্ঠতা আছে। তা কিন্তু নয়। পারমিট না পেলে আমি মারা যাব। এখন কোথাও যাওয়ার মতো অবস্থায় নেই। বাংলাদেশ থেকে নির্বাসিত হওয়ার জন্য ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ভূমিকা রয়েছে বলে উল্লেখ করেন তসলিমা। উল্লেখ্য, ১৯৯৪ সালে বাংলাদেশ থেকে নির্বাসিত হওয়ার পর বেশ কয়েক বছর ইউরোপে বসবাস করেছিলেন
তসলিমা। পরে ২০০৪ সালে তিনি ভারতে চলে আসেন। ভারতেও বেশ কয়েকবার অবস্থান বদলের পর ২০১১ সাল থেকে তিনি দিল্লিতে বসবাস করছেন।



