ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
চট্টগ্রামে বাসা থেকে আওয়ামী লীগ নেত্রী নুর নাহারের মরদেহ উদ্ধার
চট্টগ্রামে ছাত্রদল নেতার গুলিতে চিকিৎসাধীন যুবদলকর্মীর মৃত্যু, বাঁচানো গেল না পা কেটেও
৫ আগস্ট যুবদল নেতার নেতৃত্বে থানায় হামলা-ভাঙচুর, প্রতিহতে পুলিশের গুলিতে নিহত: মামলায় মৃত্যুদণ্ড হানিফের!
বিএনপির এমপির বিরুদ্ধে কোটি টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগ: ঠিকাদারকে মামলা দিয়ে হয়রানি, সেতু নির্মাণ বন্ধ
lপিরোজপুরে ৫ আগস্টের পর থেকে মন্দিরের জমি দখল করে ধান চাষ জামায়াত আমিরের
জামায়াত-শিবিরকে নিয়মিত ধুয়ে দেওয়া রাশেদ ছিলেন শিবিরের শপথবদ্ধ সাথী, গোমর ফাঁস
প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর ঘিরে টোকিওতে বিএনপির দুই গ্রুপের হাতাহাতি
পুলিশ হেফাজতে ছাত্রলীগ নেতা প্রিন্সের ওপর অকথ্য নির্যাতন, সংকটাপন্ন অবস্থায় হাসপাতালে প্রেরণ
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক দেওয়ান শাহনেওয়াজ চৌধুরী প্রিন্সকে গ্রেপ্তারের পর পুলিশ হেফাজতে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে।
পরিবারের দাবি, সুস্থ অবস্থায় বাসা থেকে গ্রেপ্তারের পর থানায় নেওয়া হলে তার ওপর নির্যাতন চালানো হয়। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে যায় পুলিশ। বর্তমানে তিনি সেখানে সংকটাপন্ন অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানিয়েছে তার পরিবার।
প্রিন্সকে হাসপাতালে আনার পর সেখানে ছুটে আসেন তার স্বজনেরা। ছেলের এমন শারীরিক অবস্থা দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন তার বাবা।
পুলিশের উদ্দেশে বিলাপ করতে করতে তিনি বলেন, “আমি আপনাকে আমার সুস্থ ছেলে দিয়েছি, তার এই অবস্থা কেন হয়েছে?”
এ সময় প্রিন্সকে হাসপাতালে নিয়ে আসা পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই)
ফরিদকে নির্বিকার অবস্থায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২৯শে অক্টোবর, বৃহস্পতিবার রাত ১১টা ৫৬ মিনিটের দিকে সুনামগঞ্জ শহরের নিজ বাসা থেকে প্রিন্সকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরিবার জানায়, গ্রেপ্তারের সময় তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ ও স্বাভাবিক ছিলেন। তবে থানায় নেওয়ার পর তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। পরিবার জানায়, সুনামগঞ্জ সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জাকারিয়া জিজ্ঞাসাবাদের নামে প্রিন্সের ওপর শারীরিক নির্যাতন চালান। একপর্যায়ে তিনি অচেতন হয়ে পড়লে পুলিশ তাকে দ্রুত সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরিবারের অভিযোগ, হাসপাতালে নেওয়ার আগেই প্রিন্সের শারীরিক অবস্থার গুরুতর অবনতি হয়েছিল। হাসপাতালে পৌঁছানোর পর তাকে সেখানে রেখে পুলিশ সদস্যরা চলে যান। এরপর স্বজনেরা হাসপাতালে এসে তার
এমন অবস্থা দেখতে পান। ঘটনাটি নিয়ে প্রিন্সের পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও পুলিশ হেফাজতে নির্যাতনের অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত এবং অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হচ্ছে। তবে কী কারণে প্রিন্সকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল, তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা বা অভিযোগ রয়েছে কি না এবং থানায় তার সঙ্গে ঠিক কী ঘটেছিল, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে সুনামগঞ্জ সদর থানা-পুলিশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযুক্ত এসআই জাকারিয়া এবং প্রিন্সকে হাসপাতালে নিয়ে আসা এএসআই ফরিদের বক্তব্যও জানা সম্ভব হয়নি।
ফরিদকে নির্বিকার অবস্থায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২৯শে অক্টোবর, বৃহস্পতিবার রাত ১১টা ৫৬ মিনিটের দিকে সুনামগঞ্জ শহরের নিজ বাসা থেকে প্রিন্সকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরিবার জানায়, গ্রেপ্তারের সময় তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ ও স্বাভাবিক ছিলেন। তবে থানায় নেওয়ার পর তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। পরিবার জানায়, সুনামগঞ্জ সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জাকারিয়া জিজ্ঞাসাবাদের নামে প্রিন্সের ওপর শারীরিক নির্যাতন চালান। একপর্যায়ে তিনি অচেতন হয়ে পড়লে পুলিশ তাকে দ্রুত সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরিবারের অভিযোগ, হাসপাতালে নেওয়ার আগেই প্রিন্সের শারীরিক অবস্থার গুরুতর অবনতি হয়েছিল। হাসপাতালে পৌঁছানোর পর তাকে সেখানে রেখে পুলিশ সদস্যরা চলে যান। এরপর স্বজনেরা হাসপাতালে এসে তার
এমন অবস্থা দেখতে পান। ঘটনাটি নিয়ে প্রিন্সের পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও পুলিশ হেফাজতে নির্যাতনের অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত এবং অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হচ্ছে। তবে কী কারণে প্রিন্সকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল, তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা বা অভিযোগ রয়েছে কি না এবং থানায় তার সঙ্গে ঠিক কী ঘটেছিল, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে সুনামগঞ্জ সদর থানা-পুলিশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযুক্ত এসআই জাকারিয়া এবং প্রিন্সকে হাসপাতালে নিয়ে আসা এএসআই ফরিদের বক্তব্যও জানা সম্ভব হয়নি।





