ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
জাসদ কার্যালয়ে সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে সাংবাদিক আটক
ফেনীতে ‘ছাত্রলীগ-যুবলীগ কর্মীরা মিছিল করার কথা ভাবছেন’ অভিযোগে আটক ৬ নেতাকর্মী
৯ বছর আগে ফখরুলের গাড়িবহরে হামলার অভিযোগে ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার
সেপ্টেম্বরে ২৪ দিনে কারাগারে ১০ জনের মৃত্যু, ৭ জনই আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী
আওয়ামী লীগ সরকারের সংসদ সদস্য রুহী রাজধানীতে গ্রেপ্তার
আওয়ামী লীগ নেতাকে না পেয়ে কিশোর সন্তানকে টেনেহিঁচড়ে ধরে নিয়ে গেল ডিবি পুলিশ
ছাত্রদলের ‘লীগবিরোধী মিছিল’ এর পরে থানার সামনেই ‘জয় বাংলা স্লোগান’ দিয়ে ছাত্রলীগের পাল্টা মিছিল
জাসদ কার্যালয়ে যুবদলের মব: পুলিশ আটকের পরে ১৭৯ জনকে ছেড়ে দিলেও এখনো আটক ২৬
রাজধানীর গুলিস্তানে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল—জাসদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হামলা ও পুলিশের অভিযানের ঘটনায় আটক হওয়া অধিকাংশকে ছেড়ে দেওয়া হলেও এখনো ২৬ জনকে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে জাসদ। দলটির দাবি, আটক ২৬ জনই তাদের নেতাকর্মী।
শনিবার জাসদের কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি সভা চলাকালে কার্যালয়ের বাইরে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। জাসদের অভিযোগ, যুবদলের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী কার্যালয়ে ঢুকে মব সৃষ্টি করে এবং নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায়। পরে পুলিশ কার্যালয় ঘেরাও করে ভেতরে থাকা ব্যক্তিদের আটক করে বিভিন্ন থানায় নিয়ে যায়।
পুলিশের পক্ষ থেকে প্রাথমিকভাবে জানানো হয়েছিল, জাসদ কার্যালয় থেকে আটক ব্যক্তিদের পরিচয় ও সংশ্লিষ্টতা যাচাই করা হবে। যারা জাসদের নেতাকর্মী হিসেবে শনাক্ত হবেন, তাদের ছেড়ে দেওয়া হবে
এবং অন্যদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশের হিসাবে মোট ২৮৯ জনকে আটক করে বিভিন্ন থানায় নেওয়া হয়েছিল। রোববার জাসদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, যাচাই-বাছাইয়ের পর আটক হওয়া অধিকাংশকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে এখনো ২৬ জন নেতাকর্মী পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন। তাদের দ্রুত ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানিয়েছে দলটি। জাসদ নেত্রী লিনু হকও আটক ব্যক্তিদের নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেন, ‘এই ২৬ জনের অপরাধ কী? তারা মুক্ত নয় কেন?’ দলের পক্ষ থেকে প্রকাশিত তালিকায় জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আহসান হাবিব শামীম, জাসদ সমর্থিত ছাত্রলীগের সভাপতি রাশিদুল হক ননী, যুব জোটের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য তৌফিকুল, নেত্রকোনা জেলা জাসদের প্রচার সম্পাদক সম্রাট তালুকদারসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের নাম
রয়েছে। তালিকায় মোট ২৬ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এদিকে জাসদ কার্যালয় থেকে আটক হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সাবেক সভাপতি আবু জাফর সূর্যও ছিলেন। তিনি দাবি করেছিলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে তাকে হ্যান্ডকাফ পরিয়ে পুলিশ নিয়ে যায়। পরে রোববার ভোরে প্রায় ১৫ ঘণ্টা পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। ঘটনার বিষয়ে পুলিশের বক্তব্য ছিল, জাসদ কার্যালয়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা জড়ো হয়ে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিচ্ছেন—এমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। পুলিশ জানিয়েছিল, আটক ব্যক্তিদের পরিচয় ও সংশ্লিষ্টতা যাচাই করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অন্যদিকে জাসদ এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, তাদের কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি সভাটি পূর্বনির্ধারিত ছিল এবং পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে
সভার বিষয়ে জানানো হয়েছিল। দলটির দাবি, সভা চলাকালে যুবদলের নেতাকর্মীরা কার্যালয়ে ঢুকে হামলা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। রোববার পর্যন্ত আটক ২৬ জনকে আদালতে তোলা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে জাসদের পক্ষ থেকে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। দলটির দাবি, তাদের নেতাকর্মীদের মধ্যে যারা এখনো আটক রয়েছেন, তাদের দ্রুত মুক্তি দিতে হবে।
এবং অন্যদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশের হিসাবে মোট ২৮৯ জনকে আটক করে বিভিন্ন থানায় নেওয়া হয়েছিল। রোববার জাসদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, যাচাই-বাছাইয়ের পর আটক হওয়া অধিকাংশকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে এখনো ২৬ জন নেতাকর্মী পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন। তাদের দ্রুত ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানিয়েছে দলটি। জাসদ নেত্রী লিনু হকও আটক ব্যক্তিদের নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেন, ‘এই ২৬ জনের অপরাধ কী? তারা মুক্ত নয় কেন?’ দলের পক্ষ থেকে প্রকাশিত তালিকায় জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আহসান হাবিব শামীম, জাসদ সমর্থিত ছাত্রলীগের সভাপতি রাশিদুল হক ননী, যুব জোটের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য তৌফিকুল, নেত্রকোনা জেলা জাসদের প্রচার সম্পাদক সম্রাট তালুকদারসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের নাম
রয়েছে। তালিকায় মোট ২৬ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এদিকে জাসদ কার্যালয় থেকে আটক হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সাবেক সভাপতি আবু জাফর সূর্যও ছিলেন। তিনি দাবি করেছিলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে তাকে হ্যান্ডকাফ পরিয়ে পুলিশ নিয়ে যায়। পরে রোববার ভোরে প্রায় ১৫ ঘণ্টা পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। ঘটনার বিষয়ে পুলিশের বক্তব্য ছিল, জাসদ কার্যালয়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা জড়ো হয়ে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিচ্ছেন—এমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। পুলিশ জানিয়েছিল, আটক ব্যক্তিদের পরিচয় ও সংশ্লিষ্টতা যাচাই করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অন্যদিকে জাসদ এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, তাদের কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি সভাটি পূর্বনির্ধারিত ছিল এবং পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে
সভার বিষয়ে জানানো হয়েছিল। দলটির দাবি, সভা চলাকালে যুবদলের নেতাকর্মীরা কার্যালয়ে ঢুকে হামলা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। রোববার পর্যন্ত আটক ২৬ জনকে আদালতে তোলা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে জাসদের পক্ষ থেকে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। দলটির দাবি, তাদের নেতাকর্মীদের মধ্যে যারা এখনো আটক রয়েছেন, তাদের দ্রুত মুক্তি দিতে হবে।



