ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তিনজনকে আহত করা চিতা বাঘের গন্তব্য অজানা
বিএনপি নেতা আরাফাত রহমান ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে সরকারি জায়গা দখলচেষ্টার অভিযোগ
রাজধানীতে আট মাসে ৪০০ বেওয়ারিশ লাশ দাফন, বেড়ে চলেছে সংখ্যা
সুনামগঞ্জে এক বছরে অন্তত ১৫ ছাত্র মাদ্রাসার মুহতামিমের ধর্ষণের শিকার, ধামাচাপার চেষ্টা স্থানীয় মাওলানাদের
সীতাকুণ্ডে বিএনপি কর্মীরা কুপিয়ে হত্যা করল আওয়ামী লীগ কর্মীকে
যুবলীগ নেতা ছেলেকে জ্যান্ত পুড়িয়ে হত্যাচেষ্টা, মামলা করতে গিয়ে ৬৮ বছরের বৃদ্ধা মা বিএনপি অফিস ভাঙার মামলায় কারাগারে!
ধর্ষণের শিকার ৬ বছরের শিশুর মৃত্যু: পরিবারের বরাতে পুলিশ
হাসপাতাল চালুর দাবিতে সড়ক অবরোধ, নবম দিনে সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজ শিক্ষার্থীদের আন্দোলন
মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চালু ও নিয়মিত ক্লিনিক্যাল ক্লাসের দাবিতে টানা নবম দিনের মতো আন্দোলন করছেন সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা। বুধবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে সুনামগঞ্জ-সিলেট সড়কের মদনপুর পয়েন্টে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন তারা।
সড়ক অবরোধের কারণে সুনামগঞ্জ-সিলেট, সুনামগঞ্জ-জামালগঞ্জ এবং সুনামগঞ্জ-দিরাই সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে চার উপজেলার সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ ব্যাহত হয় এবং তিনটি সড়কের বিভিন্ন স্থানে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে। ভোগান্তিতে পড়েন হাজারো যাত্রী।
মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষ ও আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, ২০২১ সালে বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নামে মেডিকেল কলেজের কার্যক্রম শুরু হয়। আওয়ামী লীগ সরকার ক্যাম্পাসসংলগ্ন শান্তিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম শুরু
করে। বর্তমানে মেডিকেল কলেজের একাডেমিক ও আবাসিক ভবন চালু থাকলেও মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চালু না হওয়ায় শিক্ষার্থীরা প্রয়োজনীয় হাতে-কলমে শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। ইউনূস সরকারের সময়ে মেডিকেল কলেজের নাম পরিবর্তনেন পাশাপাশি কার্যক্রম স্থবির হয়ে যায়। শিক্ষার্থীদের দাবি, হাসপাতাল চালু না থাকায় নিয়মিত ক্লিনিক্যাল ক্লাস ও ইন্টার্নশিপ কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এতে শিক্ষার্থীদের চিকিৎসাবিষয়ক ব্যবহারিক জ্ঞান অর্জন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং তাদের পেশাগত ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। আন্দোলনকারীরা জানান, ২০২৫ সালে ওয়ার্ড ক্লাস চালুর দাবিতে তারা সড়ক অবরোধসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করলে সরকার সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ক্লিনিক্যাল ক্লাস চালুর সিদ্ধান্ত নেয়। এরপর দিরাই সড়কের মদনপুর ক্যাম্পাস থেকে জেলা সদরে গিয়ে শিক্ষার্থীরা ক্লিনিক্যাল ক্লাসে অংশ নিলেও
স্থায়ী সমাধান হয়নি। তারা আরও জানান, মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ভবনের নির্মাণকাজ এক বছরেরও বেশি আগে শেষ হয়েছে। কিন্তু এখনো হাসপাতালটি চালু না হওয়ায় শিক্ষার্থীরা ইন্টার্নশিপ করতে পারছেন না এবং নিয়মিত ওয়ার্ড ক্লাস থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন। গত বছর আন্দোলনের পর এক বছরের মধ্যে হাসপাতাল চালুর আশ্বাসে তারা কর্মসূচি স্থগিত করেছিলেন। তবে নির্ধারিত সময় পার হলেও ইউনূস সরকার ও বর্তমান সরকার হাসপাতাল চালুর কোনো কার্যকর উদ্যোগ না নেওয়ায় তারা আবারও আন্দোলনে নেমেছেন। মেডিকেল শিক্ষার্থী হারুন অর রশিদ বলেন, আমাদের অনেকের পড়াশোনা শেষ হওয়ার পথে। কিন্তু আমরা প্রয়োজনীয় ক্লিনিক্যাল ও ওয়ার্ড ক্লাস পাচ্ছি না। শুধু বই পড়ে ডাক্তার হওয়া সম্ভব নয়। ব্যবহারিক শিক্ষা ছাড়া আমরা
দক্ষ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে উঠতে পারব না।
করে। বর্তমানে মেডিকেল কলেজের একাডেমিক ও আবাসিক ভবন চালু থাকলেও মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চালু না হওয়ায় শিক্ষার্থীরা প্রয়োজনীয় হাতে-কলমে শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। ইউনূস সরকারের সময়ে মেডিকেল কলেজের নাম পরিবর্তনেন পাশাপাশি কার্যক্রম স্থবির হয়ে যায়। শিক্ষার্থীদের দাবি, হাসপাতাল চালু না থাকায় নিয়মিত ক্লিনিক্যাল ক্লাস ও ইন্টার্নশিপ কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এতে শিক্ষার্থীদের চিকিৎসাবিষয়ক ব্যবহারিক জ্ঞান অর্জন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং তাদের পেশাগত ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। আন্দোলনকারীরা জানান, ২০২৫ সালে ওয়ার্ড ক্লাস চালুর দাবিতে তারা সড়ক অবরোধসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করলে সরকার সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ক্লিনিক্যাল ক্লাস চালুর সিদ্ধান্ত নেয়। এরপর দিরাই সড়কের মদনপুর ক্যাম্পাস থেকে জেলা সদরে গিয়ে শিক্ষার্থীরা ক্লিনিক্যাল ক্লাসে অংশ নিলেও
স্থায়ী সমাধান হয়নি। তারা আরও জানান, মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ভবনের নির্মাণকাজ এক বছরেরও বেশি আগে শেষ হয়েছে। কিন্তু এখনো হাসপাতালটি চালু না হওয়ায় শিক্ষার্থীরা ইন্টার্নশিপ করতে পারছেন না এবং নিয়মিত ওয়ার্ড ক্লাস থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন। গত বছর আন্দোলনের পর এক বছরের মধ্যে হাসপাতাল চালুর আশ্বাসে তারা কর্মসূচি স্থগিত করেছিলেন। তবে নির্ধারিত সময় পার হলেও ইউনূস সরকার ও বর্তমান সরকার হাসপাতাল চালুর কোনো কার্যকর উদ্যোগ না নেওয়ায় তারা আবারও আন্দোলনে নেমেছেন। মেডিকেল শিক্ষার্থী হারুন অর রশিদ বলেন, আমাদের অনেকের পড়াশোনা শেষ হওয়ার পথে। কিন্তু আমরা প্রয়োজনীয় ক্লিনিক্যাল ও ওয়ার্ড ক্লাস পাচ্ছি না। শুধু বই পড়ে ডাক্তার হওয়া সম্ভব নয়। ব্যবহারিক শিক্ষা ছাড়া আমরা
দক্ষ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে উঠতে পারব না।






