ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তিনজনকে আহত করা চিতা বাঘের গন্তব্য অজানা
বিএনপি নেতা আরাফাত রহমান ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে সরকারি জায়গা দখলচেষ্টার অভিযোগ
রাজধানীতে আট মাসে ৪০০ বেওয়ারিশ লাশ দাফন, বেড়ে চলেছে সংখ্যা
সুনামগঞ্জে এক বছরে অন্তত ১৫ ছাত্র মাদ্রাসার মুহতামিমের ধর্ষণের শিকার, ধামাচাপার চেষ্টা স্থানীয় মাওলানাদের
সীতাকুণ্ডে বিএনপি কর্মীরা কুপিয়ে হত্যা করল আওয়ামী লীগ কর্মীকে
যুবলীগ নেতা ছেলেকে জ্যান্ত পুড়িয়ে হত্যাচেষ্টা, মামলা করতে গিয়ে ৬৮ বছরের বৃদ্ধা মা বিএনপি অফিস ভাঙার মামলায় কারাগারে!
ধর্ষণের শিকার ৬ বছরের শিশুর মৃত্যু: পরিবারের বরাতে পুলিশ
ঝিনাইদহে শিশু তাবাচ্ছুম ধর্ষণ ও হত্যা মামলার আসামিকে মৃত্যুদণ্ড
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার চাঞ্চল্যকর পাঁচ বছরের শিশু তাবাচ্ছুম আক্তার তোয়াকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায়ে আসামি আবু তাহেরকে মৃত্যুদণ্ডসহ ৫ লাখ টাকা জরিমানা প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া অপর একটি ধারায় ৭ বছরের কারাদণ্ডসহ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে তাকে।
সোমবার (২২ জুন) শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মো. ছালেহুজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন।
সকাল ১১ টা থেকে রায় পড়া শুরু করেন তিনি। পৌনে ১২ টার দিকে রায় পড়া শেষ করেন। মামলার বিস্তারিত তুলে ধরে বিচারক ঘটনাটিতে একটি জঘন্যতম অপরাধ হিসাবে উল্লেখ করেছেন।
মামলার বিবরণে উল্লেখ করা হয়েছে, ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার বাদেডিহি গ্রামের জাহাঙ্গীর হোসেনের বাড়ির ভাড়াটিয়া মোঃ
নজরুল ইসলাম ও হালিমা খাতুন দম্পতির পাঁচ বছরের ছোট মেয়ে তাবাচ্ছুম আক্তার তোয়া ২৫ ফেব্রুয়ারি দুপুরে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়। পরের দিন ২৬ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টার দিকে স্থানীয় একটি স্কুলের সেফটি ট্যাংক থেকে বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার হয় তাবাচ্ছুমের। এ ঘটনায় ভিকটিম তাবাচ্ছুমের পিতা বাদি হয়ে সংশ্লিষ্ট কালীগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ একই এলাকার রফিউদ্দিনের ছেলে আবু তাহেরকে আটক করে। সে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে ধর্ষণসহ নির্মমভাবে হত্যার ঘটনা বর্ণনা দেয়। কালীগঞ্জ থানার ওসি মোঃ জেল্লাল হোসেন মামলাটির তদন্ত করে এবং আদালতে চার্জশীট প্রদান করেন। ৬ জুন ঝিনাইদহ শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে চার্জ গঠন করা হয়। ১৭
জুন থেকে ১৮ জুন ডাক্তারসহ মোট ১৭ জন স্বাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। আজ রায় ঘোষণা করেন আদালত। রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে ভিকটিমের পরিবার কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। আদালতের রায় দ্রুত কার্যকর করার দাবি জানান তারা। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি অ্যাডভোকেট মোঃ আকিদুল ইসলাম ও পিপি অ্যাডভোকেট এসএম মশিউর রহমান রায়ের সন্তুষ্টি প্রকাশ করে বলেছেন, আদালতের রায় দ্রুত কার্যকর হবে বলে আশা প্রকাশ করছি। উল্লেখ্য, আসামি পক্ষে ঝিনাইদহ জেলা আইনজীবি সমিতির কোন আইনজীবি অংশ নেননি। তবে স্টেট ডিফেন্স আইনজীবী হিসাবে একজন আইনজীবীকে নিয়োগ দেন আদালত। তিনি আসামির পক্ষে মামলাটি লড়েছেন। ঝিনাইদহের আদালতে এটিই কোন মামলা, যার রায় ঘোষণা করা হলো যুক্তিতর্কের পরের
দিন অর্থাৎ ৫ কর্মদিবসে রায় ঘোষণা উপলক্ষে আদালত চত্বরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। মোতায়েন করা হয় অতিরিক্ত পুলিশ।
নজরুল ইসলাম ও হালিমা খাতুন দম্পতির পাঁচ বছরের ছোট মেয়ে তাবাচ্ছুম আক্তার তোয়া ২৫ ফেব্রুয়ারি দুপুরে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়। পরের দিন ২৬ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টার দিকে স্থানীয় একটি স্কুলের সেফটি ট্যাংক থেকে বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার হয় তাবাচ্ছুমের। এ ঘটনায় ভিকটিম তাবাচ্ছুমের পিতা বাদি হয়ে সংশ্লিষ্ট কালীগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ একই এলাকার রফিউদ্দিনের ছেলে আবু তাহেরকে আটক করে। সে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে ধর্ষণসহ নির্মমভাবে হত্যার ঘটনা বর্ণনা দেয়। কালীগঞ্জ থানার ওসি মোঃ জেল্লাল হোসেন মামলাটির তদন্ত করে এবং আদালতে চার্জশীট প্রদান করেন। ৬ জুন ঝিনাইদহ শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে চার্জ গঠন করা হয়। ১৭
জুন থেকে ১৮ জুন ডাক্তারসহ মোট ১৭ জন স্বাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। আজ রায় ঘোষণা করেন আদালত। রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে ভিকটিমের পরিবার কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। আদালতের রায় দ্রুত কার্যকর করার দাবি জানান তারা। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি অ্যাডভোকেট মোঃ আকিদুল ইসলাম ও পিপি অ্যাডভোকেট এসএম মশিউর রহমান রায়ের সন্তুষ্টি প্রকাশ করে বলেছেন, আদালতের রায় দ্রুত কার্যকর হবে বলে আশা প্রকাশ করছি। উল্লেখ্য, আসামি পক্ষে ঝিনাইদহ জেলা আইনজীবি সমিতির কোন আইনজীবি অংশ নেননি। তবে স্টেট ডিফেন্স আইনজীবী হিসাবে একজন আইনজীবীকে নিয়োগ দেন আদালত। তিনি আসামির পক্ষে মামলাটি লড়েছেন। ঝিনাইদহের আদালতে এটিই কোন মামলা, যার রায় ঘোষণা করা হলো যুক্তিতর্কের পরের
দিন অর্থাৎ ৫ কর্মদিবসে রায় ঘোষণা উপলক্ষে আদালত চত্বরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। মোতায়েন করা হয় অতিরিক্ত পুলিশ।





