ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তিনজনকে আহত করা চিতা বাঘের গন্তব্য অজানা
বিএনপি নেতা আরাফাত রহমান ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে সরকারি জায়গা দখলচেষ্টার অভিযোগ
রাজধানীতে আট মাসে ৪০০ বেওয়ারিশ লাশ দাফন, বেড়ে চলেছে সংখ্যা
সুনামগঞ্জে এক বছরে অন্তত ১৫ ছাত্র মাদ্রাসার মুহতামিমের ধর্ষণের শিকার, ধামাচাপার চেষ্টা স্থানীয় মাওলানাদের
সীতাকুণ্ডে বিএনপি কর্মীরা কুপিয়ে হত্যা করল আওয়ামী লীগ কর্মীকে
যুবলীগ নেতা ছেলেকে জ্যান্ত পুড়িয়ে হত্যাচেষ্টা, মামলা করতে গিয়ে ৬৮ বছরের বৃদ্ধা মা বিএনপি অফিস ভাঙার মামলায় কারাগারে!
ধর্ষণের শিকার ৬ বছরের শিশুর মৃত্যু: পরিবারের বরাতে পুলিশ
বগুড়ায় একরাতে তিন মন্দিরে প্রতিমা ভাংচুর, জড়িতদের পরিচয় অজানা
বগুড়ার মোকামতলা উপজেলায় একই রাতে পর পর তিনটি মন্দিরে প্রতিমা ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার সকালে স্থানীয়রা মন্দিরে গিয়ে প্রতিমাগুলো ভাঙা অবস্থায় দেখতে পান।
উপজেলার দেউলী ইউনিয়নের কানছগাড়ি এলাকায় তিনটি মন্দিরে এ ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। ক্ষতিগ্রস্ত মন্দিরগুলো হলো কানছগাড়ি মহাশ্মশানের শিব মন্দির, কানছগাড়ি শীতলা মন্দির এবং কালী মন্দির।
কানছগাড়ি মহাশ্মশান পরিচালনা কমিটির সদস্য উজ্জ্বল জানান, প্রতি মাসের মতো শনিবার সকালে তাঁর স্ত্রী পূজার জন্য মন্দিরে গেলে প্রতিমা ভাঙা অবস্থায় দেখতে পান। পরে বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসন ও উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদকে জানানো হয়।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন মোকামতলা উপজেলার ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান। তিনি মহাশ্মশান পরিচালনা কমিটির সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং ঘটনার
বিস্তারিত খোঁজ নেন। শিবগঞ্জ উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সুবীর কুমার দত্ত বলেন, “কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তা জানা যায়নি। বিষয়টি জানার পর আমরা মন্দির পরিদর্শন করেছি এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশকে অনুরোধ করেছি।” মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ আলমাস হোসেন জানান, ঘটনায় কারা জড়িত তা এখনো শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তদন্ত চলছে এবং জড়িতদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান। স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে এই ঘটনায় আতঙ্ক ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। তারা দ্রুত দোষীদের চিহ্নিত করে বিচারের দাবি জানিয়েছেন।
বিস্তারিত খোঁজ নেন। শিবগঞ্জ উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সুবীর কুমার দত্ত বলেন, “কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তা জানা যায়নি। বিষয়টি জানার পর আমরা মন্দির পরিদর্শন করেছি এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশকে অনুরোধ করেছি।” মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ আলমাস হোসেন জানান, ঘটনায় কারা জড়িত তা এখনো শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তদন্ত চলছে এবং জড়িতদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান। স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে এই ঘটনায় আতঙ্ক ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। তারা দ্রুত দোষীদের চিহ্নিত করে বিচারের দাবি জানিয়েছেন।





