ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
রোহিঙ্গা প্রকল্পের অর্থে প্রতিমন্ত্রীর পিএস-এপিএসদের ফ্রান্স-ইতালি-তুরস্ক সফর
খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ দেশ থেকে এখন বিশ্বের তীব্র খাদ্য সংকটের শীর্ষ ১০ দেশের একটি বাংলাদেশ
টিটিপির নিশানায় বাংলাদেশ: সারাদেশে ‘রেড অ্যালার্ট
বহুমুখী সংকটে শিল্পখাত, টিকে থাকার লড়াইয়ে ধুঁকছে সিমেন্টসহ উৎপাদন খাত
মুক্তিযুদ্ধের বিভীষিকার ছবি তুলে বিশ্ব বিবেক নাড়িয়ে দেওয়া আলোকচিত্রী রঘু রাই আর নেই
রোহিঙ্গা প্রকল্পের অর্থে প্রতিমন্ত্রীর পিএস-এপিএসদের ফ্রান্স-ইতালি-তুরস্ক সফর
দুর্নীতির আখড়া ডিএনসিসি: বাজারদরের ৬ গুণ বেশি দামে পণ্য ক্রয়, নির্দিষ্ট ঠিকাদারকে কাজ দিতে বারবার দরপত্র বাতিল, শর্ত বদল
জ্বালানি নিরাপত্তা জাতীয় নিরাপত্তার অংশ, ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতিহিংসামূলক নীতি তা নষ্ট করছে: আজিজ খান
সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আজিজ খান বলেছেন, ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতিহিংসামূলক ও অকার্যকর সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা খাতকে গভীর সংকটে ফেলে দিয়েছে এবং দেশের জ্বালানি সক্ষমতাকে কয়েক বছর পিছিয়ে দিয়েছে।
তিনি বিশেষ করে ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (FSRU) প্রকল্প স্থগিত ও বাতিলের সিদ্ধান্তকে তীব্রভাবে সমালোচনা করে বলেন, এতে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ-জ্বালানি নিরাপত্তায় প্রায় দুই বছর পিছিয়ে পড়েছে।
Just Energy News-এ প্রচারিত সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে আজিজ খান জ্বালানি নিরাপত্তা, প্রাকৃতিক গ্যাস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন, এলএনজি অবকাঠামো এবং দেশীয়-আন্তর্জাতিক বাজার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। সাক্ষাৎকারে তিনি জোর দিয়ে বলেন, জ্বালানি নিরাপত্তা শুধু একটি খাতভিত্তিক ইস্যু নয়, বরং জাতীয় নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তিনি সতর্ক
করেন যে, জ্বালানিতে আঘাত করলে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হয়। আজিজ খান তার কলাম “Bangladesh must learn the hard lessons of energy security” এবং “Bangladesh’s energy insecurity is a policy failure, not a price problem”-এ উল্লেখ করেন যে, অন্তর্বর্তী সরকারের সিদ্ধান্তগুলো ভিলিফিকেশন (অপবাদ ও দোষারোপ)-এর উপর ভিত্তি করে নেওয়া হয়েছে, কৌশলগত ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার পরিবর্তে। এতে বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগের সুযোগ নষ্ট হয়েছে এবং দেশের আমদানি-নির্ভর জ্বালানী সরবরাহ আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়েছে। তিনি বলেন, “ইউনূস সরকার কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই বলপূর্বক এই প্রকল্প স্থগিত করে দিয়েছে। এতে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বাংলাদেশে বিনিয়োগের ব্যাপারে গভীর অনাস্থা তৈরি হয়েছে।” সামিট গ্রুপ ইতিমধ্যে প্রকল্পের জন্য প্রায় ২ মিলিয়ন ডলার
খরচ করেছে এবং বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ক্রয় করে ওয়ারহাউসে মজুত রেখেছে। প্রকল্পটি অযাচিতভাবে স্থগিত হওয়ায় নতুন করে শুরু করতে জনগণের করের অর্থ থেকে অতিরিক্ত ব্যয় করতে হবে বলে তিনি সতর্ক করেন। প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের অক্টোবরে অন্তর্বর্তী সরকার সামিট গ্রুপের সঙ্গে তৃতীয় ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের চুক্তি বাতিল করে। সামিট গ্রুপ এটিকে “অযৌক্তিক” বলে মন্তব্য করেছিল। এই ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল ৬০০ mmcfd গ্যাস সরবরাহ করতে পারত, যা প্রয়োজনে ৮০০ mmcfd পর্যন্ত বাড়ানো যেত বলে উল্লেখ ছিল। এর সাথে LNG স্টোরেজ ক্ষমতা প্রায় ১৭০,০০০ ঘনমিটার হওয়ার কথা ছিল।এই প্রকল্পে সামিট গ্রুপের বিনিয়োগের পরিমাণ আনুমানিক ৫০০-৫৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০২৬ সালের শুরুতে এই টার্মিনালে এলএনজি মজুত
ও সরবরাহ করার কথা ছিল, যা শুরু হলে ইরান যুদ্ধের আগেই এই টার্মিনালে প্রয়োজনীয় গ্যাসের মজুত করা সম্ভব ছিল। আজিজ খানের মতে, এ ধরনের চুক্তিভঙ্গ শুধু শক্তি নিরাপত্তার জন্য ক্ষতিকর নয়, বরং দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক ভাবমূর্তিও নষ্ট করছে। সামিট গ্রুপ বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম বেসরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদক এবং দেশের দ্বিতীয় এফএসআরইউ টার্মিনাল তাদের পরিচালনায় রয়েছে। আজিজ খান বলেন, এসব সিদ্ধান্তের ফলে এলএনজি আমদানি বাড়ানোর সম্ভাবনা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, যা দীর্ঘমেয়াদে বিদ্যুৎ সংকটকে আরও ঘনীভূত করবে। তিনি জ্বালানি আমদানির উপর অত্যধিক নির্ভরতা, ভূ-রাজনৈতিক ঝুঁকি এবং নীতিগত ভুলের কারণে খাতের সংকটকে তুলে ধরেন। জ্বালানি খাতের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দুর্নীতির সন্দেহে কমিশন গঠন, তদন্ত ও পর্যালোচনার নামে প্রকল্প বাতিল
ও বিলম্বের ফলে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে বড় বাধা তৈরি হয়েছে। আজিজ খানের বক্তব্যে স্পষ্ট যে, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতিহিংসামূলক সিদ্ধান্ত জ্বালানি খাতের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নষ্ট করে বাংলাদেশকে একটি অপ্রয়োজনীয় সংকটের মুখে ঠেলে দিয়েছে।
করেন যে, জ্বালানিতে আঘাত করলে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হয়। আজিজ খান তার কলাম “Bangladesh must learn the hard lessons of energy security” এবং “Bangladesh’s energy insecurity is a policy failure, not a price problem”-এ উল্লেখ করেন যে, অন্তর্বর্তী সরকারের সিদ্ধান্তগুলো ভিলিফিকেশন (অপবাদ ও দোষারোপ)-এর উপর ভিত্তি করে নেওয়া হয়েছে, কৌশলগত ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার পরিবর্তে। এতে বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগের সুযোগ নষ্ট হয়েছে এবং দেশের আমদানি-নির্ভর জ্বালানী সরবরাহ আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়েছে। তিনি বলেন, “ইউনূস সরকার কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই বলপূর্বক এই প্রকল্প স্থগিত করে দিয়েছে। এতে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বাংলাদেশে বিনিয়োগের ব্যাপারে গভীর অনাস্থা তৈরি হয়েছে।” সামিট গ্রুপ ইতিমধ্যে প্রকল্পের জন্য প্রায় ২ মিলিয়ন ডলার
খরচ করেছে এবং বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ক্রয় করে ওয়ারহাউসে মজুত রেখেছে। প্রকল্পটি অযাচিতভাবে স্থগিত হওয়ায় নতুন করে শুরু করতে জনগণের করের অর্থ থেকে অতিরিক্ত ব্যয় করতে হবে বলে তিনি সতর্ক করেন। প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের অক্টোবরে অন্তর্বর্তী সরকার সামিট গ্রুপের সঙ্গে তৃতীয় ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের চুক্তি বাতিল করে। সামিট গ্রুপ এটিকে “অযৌক্তিক” বলে মন্তব্য করেছিল। এই ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল ৬০০ mmcfd গ্যাস সরবরাহ করতে পারত, যা প্রয়োজনে ৮০০ mmcfd পর্যন্ত বাড়ানো যেত বলে উল্লেখ ছিল। এর সাথে LNG স্টোরেজ ক্ষমতা প্রায় ১৭০,০০০ ঘনমিটার হওয়ার কথা ছিল।এই প্রকল্পে সামিট গ্রুপের বিনিয়োগের পরিমাণ আনুমানিক ৫০০-৫৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০২৬ সালের শুরুতে এই টার্মিনালে এলএনজি মজুত
ও সরবরাহ করার কথা ছিল, যা শুরু হলে ইরান যুদ্ধের আগেই এই টার্মিনালে প্রয়োজনীয় গ্যাসের মজুত করা সম্ভব ছিল। আজিজ খানের মতে, এ ধরনের চুক্তিভঙ্গ শুধু শক্তি নিরাপত্তার জন্য ক্ষতিকর নয়, বরং দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক ভাবমূর্তিও নষ্ট করছে। সামিট গ্রুপ বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম বেসরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদক এবং দেশের দ্বিতীয় এফএসআরইউ টার্মিনাল তাদের পরিচালনায় রয়েছে। আজিজ খান বলেন, এসব সিদ্ধান্তের ফলে এলএনজি আমদানি বাড়ানোর সম্ভাবনা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, যা দীর্ঘমেয়াদে বিদ্যুৎ সংকটকে আরও ঘনীভূত করবে। তিনি জ্বালানি আমদানির উপর অত্যধিক নির্ভরতা, ভূ-রাজনৈতিক ঝুঁকি এবং নীতিগত ভুলের কারণে খাতের সংকটকে তুলে ধরেন। জ্বালানি খাতের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দুর্নীতির সন্দেহে কমিশন গঠন, তদন্ত ও পর্যালোচনার নামে প্রকল্প বাতিল
ও বিলম্বের ফলে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে বড় বাধা তৈরি হয়েছে। আজিজ খানের বক্তব্যে স্পষ্ট যে, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতিহিংসামূলক সিদ্ধান্ত জ্বালানি খাতের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নষ্ট করে বাংলাদেশকে একটি অপ্রয়োজনীয় সংকটের মুখে ঠেলে দিয়েছে।



