ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তেলের লাইনে মৃত্যু—এটা কি শুধু একটি দুর্ঘটনা, নাকি রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতার নির্মম প্রতিচ্ছবি?
নড়াইলে প্রাচীর তুলে ২৫ হিন্দু পরিবারের রাস্তা অবরুদ্ধ
বিএনপির পর এবার এনসিপিতে যোগ দিলেন পুরান ঢাকার কুখ্যাত চাঁদাবাজ ইসহাক সরকার
বাংলাদেশকে হামের উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত করল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
ঝিনাইদহ সীমান্তে আফগান নাগরিকের লাশ উদ্ধার: “বাংলাদেশে এলেন কীভাবে?”; রহস্যময় ঘটনা সীমান্ত এলাকায়
ঢাকা জেলার অংশ হলো পূর্বাচল
রাজধানীর যেসব এলাকায় আজ গ্যাসের স্বল্পচাপ থাকবে
বাংলাদেশে আবার ফিরে আসছে সাম্প্রদায়িক হামলার – টার্গেট আবার পুরোহিত ও হিন্দুদের পূজা আর্চনা
পূজা চলছিল। ধুপ জ্বলছিল। পুরোহিত মন্ত্র পড়ছিলেন। তারপরই পড়লো বোমা!
ঠাকুরপাড়ার সেই পুরোহিত এখন হাসপাতালে। যিনি সারাজীবন সৃষ্টিকর্তার সামনেই কেবল মাথা নুইয়েছেন, তিনি আজ রক্তাক্ত হয়ে বিছানায়। তার অপরাধ? ধর্মীয় আচার পালন করেছিলেন নিজের মাটিতে, নিজের দেশে।
আর সন্ত্রাসীরা পালাতে পালাতে মসজিদের সামনেও বোমা মারল। মানে এরা শুধু হিন্দু মারতে আসেনি, পুরো সমাজটাকে জ্বালিয়ে দিতে এসেছিল। ধর্মীয় উন্মাদনার আড়ালে যে রাজনীতি, সেটা এখন আর ঢাকার দরকার নেই।
এবার আসুন সেই প্রশ্নে যেটা কেউ সরাসরি করতে চায় না।
১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে বিএনপি ক্ষমতায়। ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখের সেই নির্বাচন নিয়ে আর কথা না হয় না-ই বাড়ালাম, কারণ যে ভোটে প্রধান দলগুলো নেই, জনগণ ভোটকেন্দ্রে যায়নি,
সেটাকে নির্বাচন বলে ডাকতে হলে বাংলা ভাষার প্রতি অবিচার হবে। কিন্তু যাই হোক, ক্ষমতা এখন বিএনপির হাতে। মন্ত্রীরা আছেন, সচিবালয় আছে, পুলিশ আছে, র্যাব আছে। তাহলে কুমিল্লার পুরোহিত রক্তাক্ত কেন? ২০০১ সালের কথা মনে আছে? বিএনপি-জামাত জোট ক্ষমতায় আসার পর সংখ্যালঘুদের ওপর যা হয়েছিল তা বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্ধকারতম অধ্যায়গুলোর একটা। সেই সময় হিন্দু নারীদের ধর্ষণ, বাড়িঘরে আগুন, মন্দির ভাঙচুর যেন উৎসবে পরিণত হয়েছিল কোনো কোনো জায়গায়। আর রাষ্ট্র দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখেছে। পাঁচ বছর পর ওরা গেছে, কিন্তু সংখ্যালঘুদের সেই ক্ষত যায়নি। এখন ২০২৬। আবার সেই দল। আবার সেই রাজনীতি। আবার মন্দিরে বোমা। বিএনপির নেতারা এখন কী করছেন? বিবৃতি দিয়েছেন? কড়া ভাষায় নিন্দা জানিয়েছেন? অপরাধীদের ২৪
ঘণ্টার মধ্যে ধরার নির্দেশ দিয়েছেন? না। কারণ এই দলের রাজনৈতিক মেরুদণ্ড যে মাটিতে গাঁথা, সেই মাটিতে সংখ্যালঘুর নিরাপত্তা কখনো ভোটের হিসাবে আসেনি। জিয়াউর রহমান যে দল সেনানিবাসে বসে বানিয়েছিলেন, সেই দল রাস্তায় মানুষের ভোট থেকে জন্ম নেয়নি। তাই মানুষের ব্যথাও তাদের কাছে রাজনৈতিক কৌশলের বাইরে কিছু না। কুমিল্লার সেই পুরোহিত হাসপাতালে শুয়ে হয়তো ভাবছেন, এই দেশে তার জায়গা আছে কিনা। তার পরিবার ভাবছে। তার পাড়ার মানুষ ভাবছে। আর আমরা? আমরা ফেসবুকে স্ক্রোল করছি।
সেটাকে নির্বাচন বলে ডাকতে হলে বাংলা ভাষার প্রতি অবিচার হবে। কিন্তু যাই হোক, ক্ষমতা এখন বিএনপির হাতে। মন্ত্রীরা আছেন, সচিবালয় আছে, পুলিশ আছে, র্যাব আছে। তাহলে কুমিল্লার পুরোহিত রক্তাক্ত কেন? ২০০১ সালের কথা মনে আছে? বিএনপি-জামাত জোট ক্ষমতায় আসার পর সংখ্যালঘুদের ওপর যা হয়েছিল তা বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্ধকারতম অধ্যায়গুলোর একটা। সেই সময় হিন্দু নারীদের ধর্ষণ, বাড়িঘরে আগুন, মন্দির ভাঙচুর যেন উৎসবে পরিণত হয়েছিল কোনো কোনো জায়গায়। আর রাষ্ট্র দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখেছে। পাঁচ বছর পর ওরা গেছে, কিন্তু সংখ্যালঘুদের সেই ক্ষত যায়নি। এখন ২০২৬। আবার সেই দল। আবার সেই রাজনীতি। আবার মন্দিরে বোমা। বিএনপির নেতারা এখন কী করছেন? বিবৃতি দিয়েছেন? কড়া ভাষায় নিন্দা জানিয়েছেন? অপরাধীদের ২৪
ঘণ্টার মধ্যে ধরার নির্দেশ দিয়েছেন? না। কারণ এই দলের রাজনৈতিক মেরুদণ্ড যে মাটিতে গাঁথা, সেই মাটিতে সংখ্যালঘুর নিরাপত্তা কখনো ভোটের হিসাবে আসেনি। জিয়াউর রহমান যে দল সেনানিবাসে বসে বানিয়েছিলেন, সেই দল রাস্তায় মানুষের ভোট থেকে জন্ম নেয়নি। তাই মানুষের ব্যথাও তাদের কাছে রাজনৈতিক কৌশলের বাইরে কিছু না। কুমিল্লার সেই পুরোহিত হাসপাতালে শুয়ে হয়তো ভাবছেন, এই দেশে তার জায়গা আছে কিনা। তার পরিবার ভাবছে। তার পাড়ার মানুষ ভাবছে। আর আমরা? আমরা ফেসবুকে স্ক্রোল করছি।



