ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব গেলেন, প্রশ্নগুলো রয়ে গেল – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
     ৬:০৪ পূর্বাহ্ণ

ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব গেলেন, প্রশ্নগুলো রয়ে গেল

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ | ৬:০৪ 8 ভিউ
নেদারল্যান্ডসের নাগরিক একজন মানুষ বাংলাদেশের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান। কোন যোগ্যতায়, কার সুপারিশে, কী বিবেচনায়, সেটা কখনো পরিষ্কার করা হয়নি। দেশের লক্ষ লক্ষ মেধাবী আইটি পেশাদার থাকতে একজন বিদেশি নাগরিককে কেন এই পদে আনতে হলো, এই প্রশ্নের উত্তর প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস কোনোদিন দেননি। দেওয়ার প্রয়োজনও বোধ করেননি। সেই ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব এখন দেশে নেই। দুর্নীতি দমন কমিশন যখন তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চালাচ্ছে, ঠিক তখনই ১৪ ফেব্রুয়ারি এমিরেটসের ফ্লাইটে জার্মানির উদ্দেশে রওনা দিলেন তিনি। সরকারি কোনো অনুমতি ছিল না। বিমানবন্দরে প্রথমে আটকানোও হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ছেড়ে দেওয়া হলো। কে ছাড়ালেন? একাধিক সূত্র বলছে, স্বয়ং বিদায়ি প্রধান উপদেষ্টা। এখানেই

আসল প্রশ্নটা। দুদক যদি কাউকে তদন্ত করে, রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদে থাকা একজন মানুষ কি তাঁকে দেশ থেকে বের করে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে পারেন? আইনত পারেন না। নৈতিকভাবে তো প্রশ্নই আসে না। কিন্তু এই ঘটনায় যা ঘটেছে বলে জানা যাচ্ছে, তা যদি সত্য হয়, তাহলে এটা আর স্রেফ দুর্নীতির গল্প না, এটা ক্ষমতার প্রকাশ্য অপব্যবহার। তৈয়্যবের বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো ছোট না। মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস নগদ থেকে দেড়শো কোটি টাকা সরানোর অভিযোগ, বিটিসিএলের অপটিক্যাল ফাইবার প্রকল্পে ১৬৫ কোটির কাজকে ৩২৬ কোটিতে ফুলিয়ে ফাঁপানোর অভিযোগ, টেলিকম লাইসেন্স নিয়ে শত কোটি টাকার ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ, মোট হিসাব সাড়ে পাঁচশো কোটির কাছাকাছি। বুয়েটের সুপারিশ, দুদকের আপত্তি, কিছুই

মানা হয়নি বলে অভিযোগ। উল্টো দুদককেই চিঠি লিখে থামানোর চেষ্টা হয়েছে। এখন সবচেয়ে বড় যে প্রশ্নটা সামনে আসছে সেটা হলো স্বার্থের দ্বন্দ্ব নিয়ে। গ্রামীণফোনের ৩৯ শতাংশ শেয়ার গ্রামীণ টেলিকমের, যেটা ইউনূসের স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান। তৈয়্যব যদি গ্রামীণফোনকে নিয়মের বাইরে সুবিধা দিয়ে থাকেন, তাহলে সেই সুবিধার একটা অংশ সরাসরি ইউনূসের প্রতিষ্ঠানে গেছে। এই সংযোগটা কাকতালীয় কিনা সেটা তদন্তেরই বিষয়, কিন্তু প্রশ্নটা তোলা দরকার। তৈয়্যব নিজে বলেছেন এক টাকাও দুর্নীতি করেননি। সেটা হয়তো সত্যি হতে পারে। কিন্তু যদি সত্যিই নির্দোষ হন, তাহলে তদন্তের মুখোমুখি না হয়ে দেশ ছেড়ে যাওয়ার কী দরকার ছিল? নির্দোষ মানুষ পালায় না, বরং প্রমাণ করার সুযোগ নেয়। যাঁরা এই সরকারকে জবাবদিহিতার কথা

বলেছেন, প্রশ্ন তুলেছেন, তাঁদের কথা তখন কানে তোলা হয়নি। অর্থনীতিবিদ আনু মুহাম্মদ বলেছিলেন, দায়ীদের যেন দেশ ছাড়তে না দেওয়া হয়। সেই কথাও শোনা হয়নি। এখন তৈয়্যব বিদেশে, প্রশ্নগুলো দেশে। রাষ্ট্র পরিচালনায় স্বচ্ছতা মানে শুধু ভালো কথা বলা না। মানে হলো নিজেদের লোকজনকেও জবাবদিহির আওতায় রাখা। সেটা এই সরকার পারেনি, বা পারতে চায়নি, এটাই আপাতত সবচেয়ে বড় ব্যর্থতার জায়গা।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
নতুন গভর্নর কি ঋণখেলাপি! দেশের সার্বভৌমত্ব বিক্রির চূড়ান্ত পর্যায়ে খলিল, পেলেন আরাকান আর্মির অভিনন্দন ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব গেলেন, প্রশ্নগুলো রয়ে গেল লুটেরা চরিত্র কি কখনো ঢাকা যায় নোবেলের আড়ালে? সম্পদের পাহাড় গড়েছেন উপদেষ্টারা ভুয়া মামলার ফাঁদে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ‘উপরওয়ালা’ এখন আমি: মুফতি আমির হামজার বক্তব্যে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ বিএনপি: ক্ষুধাকে পুঁজি করে ধর্ষণ করে যে দলের নেতাকর্মীরা ক্ষমতায় আসতে না আসতেই এই অবস্থা, সামনে কী অপেক্ষা করছে? বিশ্বকাপ ২০২৬ থেকে বাংলাদেশ বাদ – ক্রিকেটপ্রেমীদের হৃদয় ভেঙে গেলো তরুণদের জঙ্গিবাদ ও মাদকের দিকে ঠেলে দিতে ধ্বংস করা হচ্ছে ক্রীড়াঙ্গন লুটেরা চরিত্র কি কখনো ঢাকা যায় নোবেলের আড়ালে? ইউনুস পারেনি, বিএনপি কি পারবে, নাকি মনোরেলের স্বপ্ন দেখিয়েই দায় সারবে? আন্তর্জাতিক বাজারে কত দামে স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে আজ শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল দেশ, উৎপত্তিস্থল যেখানে যে কারণে আফগানিস্তানে পাকিস্তানের হামলা মসজিদের টাকা নিয়ে তুমুল সংঘর্ষ আফগানিস্তান-পাকিস্তানের ওপর নজর রাখছেন জাতিসংঘ মহাসচিব চুক্তি ছাড়াই শেষ যুক্তরাষ্ট্র-ইরান পারমাণবিক আলোচনা, যুদ্ধের শঙ্কা বাড়ছে পাকিস্তান-আফগানিস্তান সংঘাত নিয়ে জাতিসংঘসহ বিভিন্ন দেশের প্রতিক্রিয়া