ব্যাংক খাত ধ্বংস-ঘোষণা না দিয়ে টাকা ছাপানো: পদ হারালেন বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর
গভর্নর পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার পরে আহসান এইচ মনসুরকে বাংলাদেশ ব্যাংকের কার্যালয় থেকে বেরিয়ে যেতে দেখা গেছে।
বুধবার চলমান সংকট ও বিতর্কের প্রেক্ষিতে তাঁর পদত্যাগের খবর শোনার পরোমুহূর্তে ড. আহসান এইচ মনসুর আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা না দিয়েই ব্যাংক ত্যাগ করেন।
তিনি সাংবাদিকদের বলেন, “আমি পদত্যাগ করিনি, তবে খবরে শুনেছি।” এরপর আর কিছু জানাননি।
অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, ড. মনসুরের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল করে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে এবং সরকারি প্রচেষ্টায় মোস্তাকুর রহমান–কে নতুন গভর্নর হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। প্রস্তাবটি অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে অনুমোদনের জন্য।
মোস্তাকুর রহমান বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের এক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীবিশেষক হিসেবে কাজ করছেন এবং কেন্দ্রীয়
ব্যাংকের নতুন নেতৃত্ব পাওয়ার ক্ষেত্রে তাঁর নাম আলোচনায় রয়েছে। মনসুরের আকস্মিক প্রস্থান কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভেতরে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। কর্মকর্তারা প্রকাশ্যে তাঁকে ঘিরে বিভিন্ন আলোচনায় লিপ্ত থাকায় পরিস্থিতি উত্তেজনার রূপ ধারণ করেছে। ব্যাংকের কর্মকর্তা সংগঠন বাংলাদেশ ব্যাংক অফিসার্স কাউন্সিল–এর সদস্যদের একটি অংশ গভর্নরের উপদেষ্টা আহসান উল্লাহ–কে বহিরাগত করার চেষ্টা করেন, যেখানে এক ব্যক্তিকে তেড়ে আসতে দেখা গেছে এবং অন্যান্যরা তাঁকে বিরত করেন। আহসান উল্লাহ, যিনি গত বছর এক বছরের চুক্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পান, ব্যাংকের সংস্কার কার্যক্রমে গভর্নরকে সহায়তা করার দায়িত্বে ছিলেন। মানুষের মধ্যে চলতে থাকা আলোচনায় কেন্দ্রীয় ব্যাংককে “টাকা ছাপিয়ে ব্যাংক খাতকে সমর্থন করা হচ্ছে” বা “ব্যাংক খাত ধ্বংসের
নীতির কারণে” অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে—এ জাতীয় মন্তব্য ও উদ্বেগও প্রকাশ পেয়েছে বিভিন্ন ক্ষেত্রে।
ব্যাংকের নতুন নেতৃত্ব পাওয়ার ক্ষেত্রে তাঁর নাম আলোচনায় রয়েছে। মনসুরের আকস্মিক প্রস্থান কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভেতরে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। কর্মকর্তারা প্রকাশ্যে তাঁকে ঘিরে বিভিন্ন আলোচনায় লিপ্ত থাকায় পরিস্থিতি উত্তেজনার রূপ ধারণ করেছে। ব্যাংকের কর্মকর্তা সংগঠন বাংলাদেশ ব্যাংক অফিসার্স কাউন্সিল–এর সদস্যদের একটি অংশ গভর্নরের উপদেষ্টা আহসান উল্লাহ–কে বহিরাগত করার চেষ্টা করেন, যেখানে এক ব্যক্তিকে তেড়ে আসতে দেখা গেছে এবং অন্যান্যরা তাঁকে বিরত করেন। আহসান উল্লাহ, যিনি গত বছর এক বছরের চুক্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পান, ব্যাংকের সংস্কার কার্যক্রমে গভর্নরকে সহায়তা করার দায়িত্বে ছিলেন। মানুষের মধ্যে চলতে থাকা আলোচনায় কেন্দ্রীয় ব্যাংককে “টাকা ছাপিয়ে ব্যাংক খাতকে সমর্থন করা হচ্ছে” বা “ব্যাংক খাত ধ্বংসের
নীতির কারণে” অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে—এ জাতীয় মন্তব্য ও উদ্বেগও প্রকাশ পেয়েছে বিভিন্ন ক্ষেত্রে।



