ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ভারতীয়দের ভিসা দেওয়া শুরু করল বাংলাদেশ
৫৫০ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ, তদন্ত চলমান থাকা স্বত্বেও নির্বাচনের ৩দিন আগে ফয়েজ আহমদ তৈয়্যবকে সেইফ এক্সিট দিলো ইউনূস; নেপথ্যে কোন স্বার্থ?
নিজের অর্থ সম্পদ বাড়িয়ে নিয়েছে কিন্তু দেশের অর্থনীতিকে করেছে পঙ্গু
‘জামায়াতের হাত থেকে বাঁচতে নাকে রুমাল দিয়ে বিএনপিকে ভোট দিয়েছে মানুষ’: সাংবাদিক নুরুল কবির
লেবুর ভরি একশো বিশ, তারেক সাহেবের ‘আই হ্যাভ আ প্ল্যান’টা এখন পরিষ্কার!
দুদকের মামলা প্রত্যাহারের বিনিময়ে চাকরি বাগিয়েছেন সাবেক প্রেস উইং কর্মকর্তারা!
জাইমার নাইটক্লাবের ভিডিও ভাইরালের নেপথ্যে জামায়াতি বট বাহিনী!
হলফনামায় সম্পদ ২ কোটি, হাজার কোটি টাকার ‘নগদ’ কিনতে চান ব্যারিস্টার আরমান
নির্বাচনী হলফনামায় নিজের মোট সম্পদের পরিমাণ দেখিয়েছিলেন মাত্র ২ কোটি টাকা। অথচ এখন তিনি দেশের অন্যতম শীর্ষ মোবাইল আর্থিক সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ‘নগদ’ কিনতে বা এতে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ করতে চাইছেন। তিনি ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম (আরমান)। সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের কাছে এ বিষয়ে তাঁর দেওয়া একটি চিঠি প্রকাশ্যে আসার পর নানা মহলে আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।
জানা গেছে, গত ৮ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর বরাবর একটি চিঠি দেন ব্যারিস্টার আরমান। চিঠির বিষয়বস্তু ছিল—ভবিষ্যৎ বিনিয়োগ নির্ধারণের জন্য ‘নগদ ডিজিটাল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস’-এ অডিট বা নিরীক্ষা পরিচালনার অনুমতি প্রদান।
খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, নগদের মতো একটি প্রতিষ্ঠানের মালিকানা নেওয়া বা নতুন করে বিনিয়োগের আকার প্রায় হাজার
কোটি টাকার কাছাকাছি হতে পারে। এর মধ্যে শুধু প্রযুক্তিগত (টেকনোলজি) খরচই রয়েছে প্রায় ৬০০ কোটি টাকার মতো। হলফনামায় মাত্র ২ কোটি টাকার সম্পদ থাকা একজন ব্যক্তির এত বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগের প্রস্তাবকে ঘিরে তাই চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা চলছে। ২ কোটি টাকার সম্পদের মালিকের হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগের প্রস্তাবকে অনেকেই ব্যঙ্গ করছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেটিজেনদের অনেককে বলতে দেখা গেছে, ‘হলফনামায় ২ কোটি, আর বাস্তবে ১০০০ কোটির অফার! এমন সততা দেখে আমরা তো মাননীয় স্পিকার হয়ে গেলাম।’ কী আছে চিঠিতে গভর্নরকে দেওয়া চিঠিতে ব্যারিস্টার আরমান উল্লেখ করেন, তিনি বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে নিয়ে দেশে একটি ‘ডিজিটাল ব্যাংক’ প্রতিষ্ঠা
করতে আগ্রহী। এ নিয়ে এর আগে গভর্নরের সঙ্গে তাঁর বৈঠকও হয়েছে। চিঠিতে তিনি বলেন, ‘আমি জানতে পেরেছি, বিগত সরকারের আমলের নানা অব্যবস্থাপনার কারণে নগদ বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রত্যক্ষ প্রশাসনাধীনে রয়েছে এবং যথাযথ প্রক্রিয়া মেনে এটি নতুন মালিকানা ও ব্যবস্থাপনার হাতে তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা চলছে।’ এই প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে তিনি ও তাঁর বিদেশি বিনিয়োগকারীরা প্রস্তুত আছেন বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়। তবে পরবর্তী ধাপে যাওয়ার আগে প্রতিষ্ঠানটির প্রকৃত আর্থিক, পরিচালন ও ব্যবসায়িক অবস্থা, এর শক্তি, দুর্বলতা ও ঝুঁকি বুঝতে একটি পূর্ণাঙ্গ ‘ফরেনসিক অডিট’ করার অনুমতি চেয়েছেন তিনি। বিনিয়োগের উৎস নিয়ে প্রশ্ন চিঠিতে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কথা উল্লেখ করা হলেও এই বিপুল পরিমাণ অর্থের প্রকৃত উৎস
এবং ওই বিনিয়োগকারীদের পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। নির্বাচন কমিশনে দেওয়া হলফনামার তথ্যের সঙ্গে তাঁর বর্তমান ব্যবসায়িক উদ্যোগের বিস্তর ফারাকের কারণে স্বচ্ছতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন বিশ্লেষকদের অনেকেই। প্রসঙ্গত, ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম জামায়াতে ইসলামীর প্রয়াত নেতা মীর কাসেম আলীর ছেলে। ২০১৬ সালে তিনি গুমের শিকার হন এবং দীর্ঘ আট বছর ‘আয়নাঘর’-এ বন্দি থাকার পর ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তিনি মুক্ত হন। অন্যদিকে, বিগত সরকারের পতনের পর আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে ‘নগদ’-এর পর্ষদ ভেঙে দিয়ে সেখানে প্রশাসক বসায় বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন প্রতিষ্ঠানটির ভবিষ্যৎ কী হবে, তা নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কাজ করছে। এর মধ্যেই গুম থেকে ফিরে আসা ব্যারিস্টার আরমানের এই
চিঠি পুরো প্রক্রিয়ায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি। তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একটি সূত্র বলছে, যেকোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মালিকানা হস্তান্তরের ক্ষেত্রে আইনি ও আর্থিক স্বচ্ছতার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হবে।
কোটি টাকার কাছাকাছি হতে পারে। এর মধ্যে শুধু প্রযুক্তিগত (টেকনোলজি) খরচই রয়েছে প্রায় ৬০০ কোটি টাকার মতো। হলফনামায় মাত্র ২ কোটি টাকার সম্পদ থাকা একজন ব্যক্তির এত বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগের প্রস্তাবকে ঘিরে তাই চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা চলছে। ২ কোটি টাকার সম্পদের মালিকের হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগের প্রস্তাবকে অনেকেই ব্যঙ্গ করছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেটিজেনদের অনেককে বলতে দেখা গেছে, ‘হলফনামায় ২ কোটি, আর বাস্তবে ১০০০ কোটির অফার! এমন সততা দেখে আমরা তো মাননীয় স্পিকার হয়ে গেলাম।’ কী আছে চিঠিতে গভর্নরকে দেওয়া চিঠিতে ব্যারিস্টার আরমান উল্লেখ করেন, তিনি বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে নিয়ে দেশে একটি ‘ডিজিটাল ব্যাংক’ প্রতিষ্ঠা
করতে আগ্রহী। এ নিয়ে এর আগে গভর্নরের সঙ্গে তাঁর বৈঠকও হয়েছে। চিঠিতে তিনি বলেন, ‘আমি জানতে পেরেছি, বিগত সরকারের আমলের নানা অব্যবস্থাপনার কারণে নগদ বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রত্যক্ষ প্রশাসনাধীনে রয়েছে এবং যথাযথ প্রক্রিয়া মেনে এটি নতুন মালিকানা ও ব্যবস্থাপনার হাতে তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা চলছে।’ এই প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে তিনি ও তাঁর বিদেশি বিনিয়োগকারীরা প্রস্তুত আছেন বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়। তবে পরবর্তী ধাপে যাওয়ার আগে প্রতিষ্ঠানটির প্রকৃত আর্থিক, পরিচালন ও ব্যবসায়িক অবস্থা, এর শক্তি, দুর্বলতা ও ঝুঁকি বুঝতে একটি পূর্ণাঙ্গ ‘ফরেনসিক অডিট’ করার অনুমতি চেয়েছেন তিনি। বিনিয়োগের উৎস নিয়ে প্রশ্ন চিঠিতে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কথা উল্লেখ করা হলেও এই বিপুল পরিমাণ অর্থের প্রকৃত উৎস
এবং ওই বিনিয়োগকারীদের পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। নির্বাচন কমিশনে দেওয়া হলফনামার তথ্যের সঙ্গে তাঁর বর্তমান ব্যবসায়িক উদ্যোগের বিস্তর ফারাকের কারণে স্বচ্ছতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন বিশ্লেষকদের অনেকেই। প্রসঙ্গত, ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম জামায়াতে ইসলামীর প্রয়াত নেতা মীর কাসেম আলীর ছেলে। ২০১৬ সালে তিনি গুমের শিকার হন এবং দীর্ঘ আট বছর ‘আয়নাঘর’-এ বন্দি থাকার পর ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তিনি মুক্ত হন। অন্যদিকে, বিগত সরকারের পতনের পর আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে ‘নগদ’-এর পর্ষদ ভেঙে দিয়ে সেখানে প্রশাসক বসায় বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন প্রতিষ্ঠানটির ভবিষ্যৎ কী হবে, তা নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কাজ করছে। এর মধ্যেই গুম থেকে ফিরে আসা ব্যারিস্টার আরমানের এই
চিঠি পুরো প্রক্রিয়ায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি। তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একটি সূত্র বলছে, যেকোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মালিকানা হস্তান্তরের ক্ষেত্রে আইনি ও আর্থিক স্বচ্ছতার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হবে।



