ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন: ২১.৪ শতাংশ আসনে জাল ভোটের তথ্য পেয়েছে টিআইবি
‘এত নির্লজ্জ মিথ্যাচার কীভাবে করেন’—উপদেষ্টা রিজওয়ানাকে নাজনীন মুন্নী
৫৫০ কোটি টাকার অভিযোগ: ফয়েজ তৈয়্যব বিদেশে, গন্তব্য নেদারল্যান্ডস
আজ থেকে ধানমন্ডি ৩২ ও জেলা-উপজেলা কার্যালয়ে যাওয়ার নির্দেশ শেখ হাসিনার
৫ আগস্টের পর আমাদের অবস্থা খারাপ ছিল, কিন্তু এখন আওয়ামী লীগের জনসমর্থন অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি।
“আওয়ামী লীগকে নিয়ে সবাই ভীতসন্ত্রস্ত বলেই ৬২ ভাগ মানুষের দল আওয়ামী লীগকে নির্বাচনের বাইরে রাখা হয়েছে।” — জাহাঙ্গীর কবির নানক
ফয়েজ আহমেদ তৈয়বের সবার আগে দেশত্যাগ ও আইসিটি খাতে বিশাল দুর্নীতির অভিযোগ
রিকশাচালকের শেষ সম্বল ১০০ টাকায় আ’লীগ অফিসে পতাকা উত্তোলন
দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা যখন আত্মগোপনে কিংবা দেশত্যাগ করেছেন, তখন জীবন বাজি রেখে দলীয় কার্যালয়ের সামনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেছেন একদল রিকশাচালক। পকেটে থাকা শেষ সম্বল ১০০ টাকা দিয়ে খাবার না খেয়ে পতাকা কিনে, নানা হুমকি ও ভয়ভীতি উপেক্ষা করে বঙ্গবন্ধুর প্রতি ভালোবাসা থেকেই তারা এই সাহসী পদক্ষেপ নিয়েছেন বলে জানান ওই দলেরই এক সদস্য।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া এক ভিডিওতে দেখা যায়, এক রিকশাচালক আবেগঘন কণ্ঠে বর্ণনা করছেন সেই মুহূর্তের কথা। তিনি জানান, দলের দুঃসময়ে যখন বড় বড় নেতারা মাঠে নেই, তখন মিজান, রফিক, আবুলসহ তারা কয়েকজন সাধারণ কর্মী সিদ্ধান্ত নেন পার্টি অফিসে জাতীয় পতাকা
ওড়ানোর। হুমকি ও ৭১-এর চেতনা ওই ব্যক্তি জানান, তাদের এই সিদ্ধান্তের পর অনেকেই তাদের ভয় দেখিয়েছেন। বলা হয়েছিল, ‘আওয়ামী লীগের বড় বড় নেতা ও শেখ হাসিনা দেশে নেই। তোমরা রিকশাওয়ালা হয়ে সেখানে গেলে প্রতিপক্ষের হামলায় প্রাণ হারাবে।’ তবে এসব হুমকিতে তারা দমে যাননি। বরং ৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের গল্প তাদের সাহস যুগিয়েছে। তিনি বলেন, ‘‘আমরা পরামর্শ করলাম, ৭১-এ দাদাদাদির কাছে শুনেছি—মরণপণ যুদ্ধ করে তারা দেশ স্বাধীন করেছেন। আমরাও সিদ্ধান্ত নিলাম, যদি কপালে মৃত্যু থাকে হবে, কিন্তু বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধুর জাতীয় পতাকা আমরা উত্তোলন করেই ছাড়ব।’’ খাবার বাঁচিয়ে পতাকা ক্রয় পতাকা কেনার সামর্থ্যও ছিল না তাদের। সারাদিন রিকশা চালিয়ে যা আয় হয়, তা দিয়ে সংসার চলে। ঘটনার দিন
তাদের সঙ্গী মিজানের পকেটে ছিল মাত্র ১০০ টাকা, যা দিয়ে তাদের চা-নাস্তা খাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তারা সিদ্ধান্ত নেন, নাস্তা না খেয়ে ওই টাকা দিয়েই পতাকা কিনবেন। তিনি বলেন, ‘‘মিজানের পকেটে ১০০ টাকা ছিল। আমরা বললাম, চা-পানি খাওয়া লাগবে না, ভাতের ব্যবস্থা পরে হবে। ওই টাকা দিয়েই পতাকা কেনা হলো।’’ জনগণের নীরব সমর্থন ও পতাকা উত্তোলন আবুল ভাইয়ের মাধ্যমে বাঁশ সংগ্রহ করে পতাকাসহ যখন তারা পার্টি অফিসের দিকে এগোচ্ছিলেন, তখন তাদের মনে আতঙ্ক ছিল। কিন্তু ঘটনাস্থলে পৌঁছে তারা দেখতে পান, সাধারণ মানুষ ও পথচারীরা তাদের দিকে তাকিয়ে আছেন। তাদের মনে হলো, জনগণ তাদের এই কাজকে সমর্থন ও ভালোবাসা জানাচ্ছে। জনগণের এই নীরব সমর্থন তাদের
সাহস আরও বাড়িয়ে দেয়। শেষ পর্যন্ত তারা পার্টি অফিসের সামনে বাঁশের মাথায় পতাকা টাঙিয়ে দেন। এরপর সেখানে দাঁড়িয়ে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করেন এবং ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দেন। নিজেদের কোনো স্বার্থ নেই উল্লেখ করে ওই রিকশাচালক বলেন, ‘‘আমরা কোনো স্বার্থে আসিনি। শুধু বঙ্গবন্ধুকে ভালোবাসি বলেই জীবনের মায়া ত্যাগ করে এই পতাকা টাঙিয়েছি।’’
ওড়ানোর। হুমকি ও ৭১-এর চেতনা ওই ব্যক্তি জানান, তাদের এই সিদ্ধান্তের পর অনেকেই তাদের ভয় দেখিয়েছেন। বলা হয়েছিল, ‘আওয়ামী লীগের বড় বড় নেতা ও শেখ হাসিনা দেশে নেই। তোমরা রিকশাওয়ালা হয়ে সেখানে গেলে প্রতিপক্ষের হামলায় প্রাণ হারাবে।’ তবে এসব হুমকিতে তারা দমে যাননি। বরং ৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের গল্প তাদের সাহস যুগিয়েছে। তিনি বলেন, ‘‘আমরা পরামর্শ করলাম, ৭১-এ দাদাদাদির কাছে শুনেছি—মরণপণ যুদ্ধ করে তারা দেশ স্বাধীন করেছেন। আমরাও সিদ্ধান্ত নিলাম, যদি কপালে মৃত্যু থাকে হবে, কিন্তু বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধুর জাতীয় পতাকা আমরা উত্তোলন করেই ছাড়ব।’’ খাবার বাঁচিয়ে পতাকা ক্রয় পতাকা কেনার সামর্থ্যও ছিল না তাদের। সারাদিন রিকশা চালিয়ে যা আয় হয়, তা দিয়ে সংসার চলে। ঘটনার দিন
তাদের সঙ্গী মিজানের পকেটে ছিল মাত্র ১০০ টাকা, যা দিয়ে তাদের চা-নাস্তা খাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তারা সিদ্ধান্ত নেন, নাস্তা না খেয়ে ওই টাকা দিয়েই পতাকা কিনবেন। তিনি বলেন, ‘‘মিজানের পকেটে ১০০ টাকা ছিল। আমরা বললাম, চা-পানি খাওয়া লাগবে না, ভাতের ব্যবস্থা পরে হবে। ওই টাকা দিয়েই পতাকা কেনা হলো।’’ জনগণের নীরব সমর্থন ও পতাকা উত্তোলন আবুল ভাইয়ের মাধ্যমে বাঁশ সংগ্রহ করে পতাকাসহ যখন তারা পার্টি অফিসের দিকে এগোচ্ছিলেন, তখন তাদের মনে আতঙ্ক ছিল। কিন্তু ঘটনাস্থলে পৌঁছে তারা দেখতে পান, সাধারণ মানুষ ও পথচারীরা তাদের দিকে তাকিয়ে আছেন। তাদের মনে হলো, জনগণ তাদের এই কাজকে সমর্থন ও ভালোবাসা জানাচ্ছে। জনগণের এই নীরব সমর্থন তাদের
সাহস আরও বাড়িয়ে দেয়। শেষ পর্যন্ত তারা পার্টি অফিসের সামনে বাঁশের মাথায় পতাকা টাঙিয়ে দেন। এরপর সেখানে দাঁড়িয়ে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করেন এবং ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দেন। নিজেদের কোনো স্বার্থ নেই উল্লেখ করে ওই রিকশাচালক বলেন, ‘‘আমরা কোনো স্বার্থে আসিনি। শুধু বঙ্গবন্ধুকে ভালোবাসি বলেই জীবনের মায়া ত্যাগ করে এই পতাকা টাঙিয়েছি।’’



