ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বাংলাদেশের নির্বাচন এবং আস্থার সংকট
দেশব্যাপী নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতার রক্তক্ষয়ী রুপ
গণভোট ২০২৬: সংখ্যার রহস্য ও মনস্তাত্ত্বিক কারচুপির নেপথ্যে
গণভোট ২০২৬: নম্বরের উপর প্রশ্ন
৬ মাস ধরে কারাগারে ছাত্রলীগ কর্মী ফাইজা: দলের ‘নিষ্ক্রিয়তায়’ হতাশ পরিবার
ইউনূস ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে বিচার করতে হবে’: মহসীন রশীদ
চাইলে অনেক আগেই প্রধানমন্ত্রী হতে পারতাম, ক্ষমতার লোভ নেই: সজীব ওয়াজেদ জয়
শেখ কবির হোসেনের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গভীর শোক
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের চাচাতো ভাই এবং দেশের বিশিষ্ট সমাজসেবী ও ব্যবসায়ী ব্যক্তিত্ব শেখ কবির হোসেনের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে এক শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “টুঙ্গিপাড়ার ঐতিহ্যবাহী শেখ পরিবারের সন্তান এবং আমার শ্রদ্ধেয় চাচা শেখ কবির হোসেন আজ সকাল ১০টায় স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তাঁর মৃত্যুতে আমরা একজন ত্যাগী, দেশপ্রেমিক ও সমাজসেবী ব্যক্তিত্বকে হারালাম।”
শেখ কবির হোসেনের বর্ণাঢ্য কর্মজীবনের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, তিনি
দেশের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বীমা ও ব্যবসায়িক খাতে অসামান্য অবদান রেখে গেছেন। শেখ কবির হোসেন বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশন (বিআইএ), সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড এবং ন্যাশনাল টি কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। এ ছাড়া তিনি হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং খান সাহেব শেখ মোশাররফ হোসেন স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “চাচা সারাজীবন মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ও বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিলেন। দারিদ্র্য বিমোচনসহ বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে তাঁর অবদান জাতি শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে।” মৃত্যুকালে শেখ কবির হোসেনের বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর। তিনি দুই ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। প্রধানমন্ত্রী শোকবার্তায় শোকসন্তপ্ত পরিবারকে এই অপূরণীয়
ক্ষতি সইবার ধৈর্য ও শক্তি প্রদানের জন্য মহান আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করেন।
দেশের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বীমা ও ব্যবসায়িক খাতে অসামান্য অবদান রেখে গেছেন। শেখ কবির হোসেন বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশন (বিআইএ), সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড এবং ন্যাশনাল টি কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। এ ছাড়া তিনি হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং খান সাহেব শেখ মোশাররফ হোসেন স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “চাচা সারাজীবন মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ও বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিলেন। দারিদ্র্য বিমোচনসহ বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে তাঁর অবদান জাতি শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে।” মৃত্যুকালে শেখ কবির হোসেনের বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর। তিনি দুই ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। প্রধানমন্ত্রী শোকবার্তায় শোকসন্তপ্ত পরিবারকে এই অপূরণীয়
ক্ষতি সইবার ধৈর্য ও শক্তি প্রদানের জন্য মহান আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করেন।



