ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
শেখ কবির হোসেনের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গভীর শোক
বাংলাদেশের নির্বাচন এবং আস্থার সংকট
দেশব্যাপী নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতার রক্তক্ষয়ী রুপ
গণভোট ২০২৬: সংখ্যার রহস্য ও মনস্তাত্ত্বিক কারচুপির নেপথ্যে
গণভোট ২০২৬: নম্বরের উপর প্রশ্ন
ইউনূস ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে বিচার করতে হবে’: মহসীন রশীদ
চাইলে অনেক আগেই প্রধানমন্ত্রী হতে পারতাম, ক্ষমতার লোভ নেই: সজীব ওয়াজেদ জয়
৬ মাস ধরে কারাগারে ছাত্রলীগ কর্মী ফাইজা: দলের ‘নিষ্ক্রিয়তায়’ হতাশ পরিবার
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একসময় যার ছোট ছোট ভিডিও প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক শিবিরের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল, সেই ছাত্রলীগ কর্মী ফাইজা আজ দীর্ঘ ছয় মাস ধরে কারাগারে দিন কাটাচ্ছেন। সদ্য আঠারো পেরুনো এই তরুণী বর্তমানে আইনি ও আর্থিক সহায়তার অভাবে ধুঁকছেন বলে অভিযোগ করেছেন তার স্বজন ও সহকর্মীরা।
প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর গত প্রায় ছয় মাস ধরে কারাবন্দী রয়েছেন ফাইজা। রাজনীতির মাঠে সক্রিয় ভূমিকা পালন এবং দলের পক্ষে জনমত তৈরিতে তার ভিডিওগুলো একসময় ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল। তবে অভিযোগ উঠেছে, গ্রেফতারের পর থেকে দলের পক্ষ থেকে তার জন্য কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
ফাইজার পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তার বাবা বর্তমানে পলাতক
(ফেরারি) রয়েছেন। এতে চরম আর্থিক ও মানসিক সংকটে পড়েছে মধ্যবিত্ত পরিবারটি। সম্প্রতি ফাইজার মায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, "শুরুতে দু-চারজন খোঁজ নিলেও এখন আর কেউ আমাদের খবর রাখে না। মেয়েটি দলের জন্য নিজেকে উজাড় করে দিলেও আজ আমরা চরম একাকীত্বের শিকার।" ফাইজার শুভানুধ্যায়ীদের দাবি, দলের জন্য ত্যাগ স্বীকার করা এই কর্মীকে বর্তমানে আইনি লড়াইয়ের জন্য হাহাকার করতে হচ্ছে। আগামী সপ্তাহে তার জামিনের জন্য নতুন করে আইনি প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। এ সময় তার পরিবারের পাশে দাঁড়ানো এবং আইনি সহায়তা নিশ্চিত করা এখন নৈতিক দায়িত্ব হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মনে করছেন তার সহযোদ্ধারা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফাইজার মুক্তির দাবিতে সরব
হওয়া এক কর্মী লিখেছেন, "ফাইজা তথাকথিত স্রোতে গা ভাসিয়ে বিপথে যায়নি, সে ছিল দলের সম্পদ। আজ তাকে এবং তার পরিবারকে আমরা যদি সহযোগিতা না করি, তবে ভবিষ্যতে কেউ আর আদর্শের জন্য এগিয়ে আসার সাহস পাবে না।" ফাইজার পরিবারের এই দুঃসময়ে আর্থিক ও আইনি সহায়তা নিয়ে এগিয়ে আসার জন্য সমাজের বিত্তবান ও দলের নীতিনির্ধারকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে একটি সম্ভাবনাময় জীবন যেন অন্ধকারে হারিয়ে না যায়, সেটাই এখন তার পরিবারের একমাত্র আকুতি।
(ফেরারি) রয়েছেন। এতে চরম আর্থিক ও মানসিক সংকটে পড়েছে মধ্যবিত্ত পরিবারটি। সম্প্রতি ফাইজার মায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, "শুরুতে দু-চারজন খোঁজ নিলেও এখন আর কেউ আমাদের খবর রাখে না। মেয়েটি দলের জন্য নিজেকে উজাড় করে দিলেও আজ আমরা চরম একাকীত্বের শিকার।" ফাইজার শুভানুধ্যায়ীদের দাবি, দলের জন্য ত্যাগ স্বীকার করা এই কর্মীকে বর্তমানে আইনি লড়াইয়ের জন্য হাহাকার করতে হচ্ছে। আগামী সপ্তাহে তার জামিনের জন্য নতুন করে আইনি প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। এ সময় তার পরিবারের পাশে দাঁড়ানো এবং আইনি সহায়তা নিশ্চিত করা এখন নৈতিক দায়িত্ব হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মনে করছেন তার সহযোদ্ধারা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফাইজার মুক্তির দাবিতে সরব
হওয়া এক কর্মী লিখেছেন, "ফাইজা তথাকথিত স্রোতে গা ভাসিয়ে বিপথে যায়নি, সে ছিল দলের সম্পদ। আজ তাকে এবং তার পরিবারকে আমরা যদি সহযোগিতা না করি, তবে ভবিষ্যতে কেউ আর আদর্শের জন্য এগিয়ে আসার সাহস পাবে না।" ফাইজার পরিবারের এই দুঃসময়ে আর্থিক ও আইনি সহায়তা নিয়ে এগিয়ে আসার জন্য সমাজের বিত্তবান ও দলের নীতিনির্ধারকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে একটি সম্ভাবনাময় জীবন যেন অন্ধকারে হারিয়ে না যায়, সেটাই এখন তার পরিবারের একমাত্র আকুতি।



