ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হাইকোর্ট থেকে ৬ বার জামিন হলেও বারবার গ্রেফতার হয়েছেন জেল গেটে – আজ মৃত্যু। এটা হত্যাকান্ড!
চাঁপাইনবাবগঞ্জে বোমা তৈরির সময় তীব্র বিস্ফোরণে ছিন্নভিন্ন ২, আহত ৩: জঙ্গি বা জামায়াত-শিবির ধারণা
রাজশাহী–৪ আসনে ৩ লাখ ভোটারে ৭ লাখের বেশি ভোট!
আমি ঘরের মেয়ে ঘরেই আছি আমার ঘর ব্রাহ্মণবাড়িয়া- রুমিন ফারহানা
ইউনুসের সুষ্ঠু নির্বাচনের নমুনা নোয়াখালিতে পোলিং অফিসার নিজেই ব্যালটে সিল মারছেন
সবচেয়ে বাজে কারচুপির নির্বাচন হয়েছে – জনগনের ক্ষোভ
ভোট শেষ হওয়ার আধা ঘণ্টা পূর্বে কেন্দ্রদখল করে ব্যালট ছিনতাইয়ের পর ধানের শীষ মার্কায় সিল জনগণের সমর্থন না পেয়ে ক্ষমতা দখলের নগ্ন প্রয়াস!
নওগাঁয় আজব কাণ্ড: মোট ভোটারের চেয়ে ৮৩৬ ভোট বেশি!
একটি ভোটকেনেন্দ্র মোট ভোটার দুই হাজার ৫৭৮ জন। অথচ দিনশেষে ব্যালট বাক্সে ভোট মিলল তিন হাজার ৪১৪টি! অর্থাৎ মোট ভোটারের চেয়েও ৮৩৬টি ভোট বেশি। ভোটের এমন আজব গণনার একটি ফলাফল বিবরণী (ফরম-১৬) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। বিষয়টি নিয়ে নির্বাচনী স্বচ্ছতা ও ফলাফল ব্যবস্থাপনা নিয়ে হাস্যরস ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
ঘটনাটি নওগাঁ-১ নির্বাচনী এলাকার ৪৫ নম্বর কেন্দ্র, নুরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের। ছড়িয়ে পড়া ওই ফলাফল বিবরণীতে প্রিসাইডিং কর্মকর্তার সিল ও স্বাক্ষরও রয়েছে।
ভুতুড়ে ভোটের হিসাব
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ওই ফলাফল শিট বিশ্লেষণ করে গুরুতর অসঙ্গতি দেখা গেছে। বিবরণী অনুযায়ী, ওই কেন্দ্রে মোট নিবন্ধিত ভোটার সংখ্যা ২,৫৭৮। অথচ প্রার্থীদের প্রাপ্ত ভোটের যোগফল এই সংখ্যাকে
অনেক ব্যবধানে ছাড়িয়ে গেছে। ফলাফলে দেখা যায়, ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকে মোছা. মাহবুবা আলম পেয়েছেন ১,২২৩ ভোট এবং ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে মো. মোস্তাফিজুর রহমান পেয়েছেন ১,৯৭১ ভোট। শুধুমাত্র এই দুই প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোটের যোগফলই দাঁড়ায় ৩,১৯৪। যা ওই কেন্দ্রের মোট ভোটারের চেয়েও ৬১৬টি বেশি। এর বাইরে লাঙ্গল প্রতীকে ১১, হাতপাখা প্রতীকে ৪৬ এবং মোটরসাইকেল প্রতীকে ১৬৩ ভোট দেখানো হয়েছে। সব প্রার্থীর ভোট যোগ করলে মোট বৈধ ভোটের সংখ্যা দাঁড়ায় ৩,৪১৪। অর্থাৎ মোট ভোটারের চেয়ে ৮৩৬টি ভোট বেশি কাস্ট দেখানো হয়েছে। যদিও শিটের নিচের অংশে মোট ভোট লেখা হয়েছে ৩,৩৪৮, যা গাণিতিকভাবেও ভুল। একটি কেন্দ্রে মোট ভোটারের চেয়ে প্রায় এক হাজার ভোট বেশি কীভাবে দেখানো হলো,
তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়রা বলছেন, এটি যদি প্রকৃত দলিল হয়ে থাকে, তবে তা নির্বাচনী ব্যবস্থার বড় ধরনের ত্রুটি বা জালিয়াতির প্রমাণ। আর যদি এটি এডিট করা হয়, তবে তা বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই এই ছবি শেয়ার করে বিস্ময় প্রকাশ করছেন। একজন ব্যবহারকারী মন্তব্য করেছেন, ‘ভোটার যত, ভোট তার চেয়ে বেশি—এমন গণিত কেবল আমাদের দেশেই সম্ভব।’ এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রিসাইডিং কর্মকর্তা বা নির্বাচন কমিশনের কোনো দায়িত্বশীল কর্মকর্তার বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
অনেক ব্যবধানে ছাড়িয়ে গেছে। ফলাফলে দেখা যায়, ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকে মোছা. মাহবুবা আলম পেয়েছেন ১,২২৩ ভোট এবং ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে মো. মোস্তাফিজুর রহমান পেয়েছেন ১,৯৭১ ভোট। শুধুমাত্র এই দুই প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোটের যোগফলই দাঁড়ায় ৩,১৯৪। যা ওই কেন্দ্রের মোট ভোটারের চেয়েও ৬১৬টি বেশি। এর বাইরে লাঙ্গল প্রতীকে ১১, হাতপাখা প্রতীকে ৪৬ এবং মোটরসাইকেল প্রতীকে ১৬৩ ভোট দেখানো হয়েছে। সব প্রার্থীর ভোট যোগ করলে মোট বৈধ ভোটের সংখ্যা দাঁড়ায় ৩,৪১৪। অর্থাৎ মোট ভোটারের চেয়ে ৮৩৬টি ভোট বেশি কাস্ট দেখানো হয়েছে। যদিও শিটের নিচের অংশে মোট ভোট লেখা হয়েছে ৩,৩৪৮, যা গাণিতিকভাবেও ভুল। একটি কেন্দ্রে মোট ভোটারের চেয়ে প্রায় এক হাজার ভোট বেশি কীভাবে দেখানো হলো,
তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়রা বলছেন, এটি যদি প্রকৃত দলিল হয়ে থাকে, তবে তা নির্বাচনী ব্যবস্থার বড় ধরনের ত্রুটি বা জালিয়াতির প্রমাণ। আর যদি এটি এডিট করা হয়, তবে তা বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই এই ছবি শেয়ার করে বিস্ময় প্রকাশ করছেন। একজন ব্যবহারকারী মন্তব্য করেছেন, ‘ভোটার যত, ভোট তার চেয়ে বেশি—এমন গণিত কেবল আমাদের দেশেই সম্ভব।’ এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রিসাইডিং কর্মকর্তা বা নির্বাচন কমিশনের কোনো দায়িত্বশীল কর্মকর্তার বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।



