ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
প্রতারণা-প্রহসনের নির্বাচন জননেত্রী শেখ হাসিনার বিবৃতি
আওয়ামী লীগকে মুছে ফেলা সম্ভব নয়: দেশের ভবিষ্যৎ ও দলের অবস্থান নিয়ে আত্মবিশ্বাসী সজীব ওয়াজেদ জয়
আওয়ামী লীগকে মুছে ফেলা সম্ভব নয়: সজীব ওয়াজেদ জয়
জুলাই সনদ’ গণভোট: ‘হ্যাঁ’ জয়ী হলেও তথ্যে বড় গরমিল, এক আসনে ভোট ২৪৪%
সিলেট-৫: ভোটার ২৫৩৮, ভোট পড়ল ২৭৫৪! ফলাফলে ‘১০৮ শতাংশ’ ভোটের নজির
ভোটের আগেই সিল, আগেই স্বাক্ষর— ভোটার ছাড়াই বৈধতার নাটক
গত ১৫ বছর বিরোধী দলের ওপর আওয়ামী লীগের দমন-পীড়নের কারণে জামায়াতের উত্থান ঘটেছে- মির্জা ফখরুল
ভোটার ছিল না, কিন্তু ভোট ছিল গণনার টেবিলে: শেখ হাসিনা
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনকে ‘পরিকল্পিত প্রতারণা ও প্রহসনের নির্বাচন’ বলে আখ্যায়িত করেছেন আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা। এক বিবৃতিতে তিনি অভিযোগ করেছেন, ভোটকেন্দ্রে ভোটার না থাকলেও গণনার টেবিলে ভোট ছিল। এই নির্বাচনকে তিনি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসের ‘কলঙ্কময় অধ্যায়’ হিসেবে অভিহিত করে তা বাতিলের দাবি জানিয়েছেন।
আজ এক বিবৃতিতে শেখ হাসিনা সদ্য সমাপ্ত নির্বাচন, নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা এবং ফলাফল নিয়ে বিস্তর অভিযোগ তোলেন। তিনি বলেন, এটি জনমতের নির্বাচন ছিল না; এটি ছিল সংখ্যার কারসাজির ‘ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রশাসনিক জালিয়াতির’ মহড়া।
বিবৃতিতে নির্বাচনের ভোটের হার নিয়ে নির্বাচন কমিশনের দেওয়া পরিসংখ্যানকে ‘অবাস্তব’ ও ‘গুরুতর অসংগতিপূর্ণ’ বলে দাবি করেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের প্রথম ব্রিফিং
অনুযায়ী সকাল ১১টা পর্যন্ত ভোট পড়েছিল ১৪ দশমিক ৯৬ শতাংশ। কিন্তু পরবর্তী ব্রিফিংয়ে দুপুর ১২টায় মোট ভোটের হার জানানো হয় ৩২ দশমিক ৮৮ শতাংশ। পরিসংখ্যান তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টা—এই এক ঘণ্টার ব্যবধানে ভোট কাস্ট হয়েছে ১৭ দশমিক ৯২ শতাংশ বা ২ কোটি ২৮ লাখ ৮০ হাজার ৩৫০ জন। যদি দেশের সব কেন্দ্র (৩২,৭৮৯টি) সচল থাকে, তবে প্রতিটি কেন্দ্রে প্রতি ৫ দশমিক ১৬ সেকেন্ডে একটি করে ভোট কাস্ট হয়েছে, যা প্রায় অসম্ভব।’ শেখ হাসিনা আরও বলেন, সকাল ১১টা পর্যন্ত ভোটদানের হার ছিল ধীরগতি (ঘণ্টায় ৪.২৭ শতাংশ), অথচ পরের এক ঘণ্টায় তা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে ১৭.৯২ শতাংশে পৌঁছায়। একে তিনি
‘ভৌতিক’ বলে অভিহিত করেন। নির্বাচন কমিশনের তথ্যমতে বিকেল সাড়ে ৪টায় ভোট পড়ার হার ছিল ৫৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ। শেখ হাসিনা বলেন, ফাঁকা ভোটকেন্দ্র, নিষ্ক্রিয় বুথ এবং প্রবাস ও কারাগারে অত্যন্ত নগণ্য ভোট পড়ার হারের সঙ্গে ৬০ শতাংশ ভোটের দাবি শুধু অবাস্তব নয়, হাস্যকর। গণভোট ও ফলাফল প্রকাশে বিলম্ব বিবৃতিতে ‘হ্যাঁ-না’ ভোটের (গণভোট) প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন তোলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ব্যালট পেপারে ‘হ্যাঁ’-এর পাশে টিক এবং ‘না’-এর পাশে ক্রস চিহ্ন দেওয়া ছিল ভোটারদের মনস্তত্ত্ব ও মতামত নিয়ন্ত্রণের নগ্ন অপকৌশল। এ ছাড়া জাতীয় নির্বাচনের ফল ঘোষণার প্রায় পাঁচ ঘণ্টা পর গণভোটের ফল প্রকাশ করাকে তিনি সন্দেহজনক বলে উল্লেখ করেন। তাঁর প্রশ্ন, ‘নির্বাচন কমিশন
কি তথ্য প্রক্রিয়াজাত করেছে, নাকি তথ্যকে প্রক্রিয়ার সঙ্গে মানানসই করেছে?’ সহিংসতা ও অনিয়মের অভিযোগ ভোটের আগের দিন (১১ ফেব্রুয়ারি) এবং ভোটের দিন দেশের বিভিন্ন স্থানে সহিংসতা, কেন্দ্র দখল ও অনিয়মের অভিযোগ করেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ভোটের আগের রাতে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে সংঘর্ষ, অস্ত্র উদ্ধার এবং প্রিসাইডিং অফিসারদের দিয়ে আগে থেকেই রেজাল্ট শিটে স্বাক্ষর করিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ভোটের দিন গোপন কক্ষে একাধিক ব্যক্তির সিল মারা এবং ভোটারদের বাধা দেওয়ার চিত্র দেখা গেছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগকে বেআইনিভাবে নিষিদ্ধ করে জোর করে নির্বাচনের বাইরে রাখা হয়েছে। তথাপি আওয়ামী লীগ কোনো ধ্বংসযজ্ঞ না চালিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন বর্জনের আহ্বান জানিয়েছিল
এবং জনগণ তাতে সাড়া দিয়ে ভোট দিতে যায়নি।’ বিবৃতিতে বর্তমান সরকারকে ‘অবৈধ ও অসাংবিধানিক’ আখ্যা দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, এই নির্বাচন গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের পথ সুগম করেনি বরং আস্থাহীনতা বাড়িয়েছে। তিনি অবিলম্বে এই নির্বাচন বাতিল, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের পদত্যাগ, রাজবন্দীসহ সব পেশাজীবীর মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবি জানান। বিবৃতির শেষে তিনি বলেন, ‘ভোটারবিহীন এই কারচুপির নির্বাচনের মাধ্যমে মানুষের ভোটাধিকার ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। ১৮ কোটি মানুষের দাবি—ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেওয়া হোক।’
অনুযায়ী সকাল ১১টা পর্যন্ত ভোট পড়েছিল ১৪ দশমিক ৯৬ শতাংশ। কিন্তু পরবর্তী ব্রিফিংয়ে দুপুর ১২টায় মোট ভোটের হার জানানো হয় ৩২ দশমিক ৮৮ শতাংশ। পরিসংখ্যান তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টা—এই এক ঘণ্টার ব্যবধানে ভোট কাস্ট হয়েছে ১৭ দশমিক ৯২ শতাংশ বা ২ কোটি ২৮ লাখ ৮০ হাজার ৩৫০ জন। যদি দেশের সব কেন্দ্র (৩২,৭৮৯টি) সচল থাকে, তবে প্রতিটি কেন্দ্রে প্রতি ৫ দশমিক ১৬ সেকেন্ডে একটি করে ভোট কাস্ট হয়েছে, যা প্রায় অসম্ভব।’ শেখ হাসিনা আরও বলেন, সকাল ১১টা পর্যন্ত ভোটদানের হার ছিল ধীরগতি (ঘণ্টায় ৪.২৭ শতাংশ), অথচ পরের এক ঘণ্টায় তা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে ১৭.৯২ শতাংশে পৌঁছায়। একে তিনি
‘ভৌতিক’ বলে অভিহিত করেন। নির্বাচন কমিশনের তথ্যমতে বিকেল সাড়ে ৪টায় ভোট পড়ার হার ছিল ৫৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ। শেখ হাসিনা বলেন, ফাঁকা ভোটকেন্দ্র, নিষ্ক্রিয় বুথ এবং প্রবাস ও কারাগারে অত্যন্ত নগণ্য ভোট পড়ার হারের সঙ্গে ৬০ শতাংশ ভোটের দাবি শুধু অবাস্তব নয়, হাস্যকর। গণভোট ও ফলাফল প্রকাশে বিলম্ব বিবৃতিতে ‘হ্যাঁ-না’ ভোটের (গণভোট) প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন তোলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ব্যালট পেপারে ‘হ্যাঁ’-এর পাশে টিক এবং ‘না’-এর পাশে ক্রস চিহ্ন দেওয়া ছিল ভোটারদের মনস্তত্ত্ব ও মতামত নিয়ন্ত্রণের নগ্ন অপকৌশল। এ ছাড়া জাতীয় নির্বাচনের ফল ঘোষণার প্রায় পাঁচ ঘণ্টা পর গণভোটের ফল প্রকাশ করাকে তিনি সন্দেহজনক বলে উল্লেখ করেন। তাঁর প্রশ্ন, ‘নির্বাচন কমিশন
কি তথ্য প্রক্রিয়াজাত করেছে, নাকি তথ্যকে প্রক্রিয়ার সঙ্গে মানানসই করেছে?’ সহিংসতা ও অনিয়মের অভিযোগ ভোটের আগের দিন (১১ ফেব্রুয়ারি) এবং ভোটের দিন দেশের বিভিন্ন স্থানে সহিংসতা, কেন্দ্র দখল ও অনিয়মের অভিযোগ করেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ভোটের আগের রাতে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে সংঘর্ষ, অস্ত্র উদ্ধার এবং প্রিসাইডিং অফিসারদের দিয়ে আগে থেকেই রেজাল্ট শিটে স্বাক্ষর করিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ভোটের দিন গোপন কক্ষে একাধিক ব্যক্তির সিল মারা এবং ভোটারদের বাধা দেওয়ার চিত্র দেখা গেছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগকে বেআইনিভাবে নিষিদ্ধ করে জোর করে নির্বাচনের বাইরে রাখা হয়েছে। তথাপি আওয়ামী লীগ কোনো ধ্বংসযজ্ঞ না চালিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন বর্জনের আহ্বান জানিয়েছিল
এবং জনগণ তাতে সাড়া দিয়ে ভোট দিতে যায়নি।’ বিবৃতিতে বর্তমান সরকারকে ‘অবৈধ ও অসাংবিধানিক’ আখ্যা দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, এই নির্বাচন গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের পথ সুগম করেনি বরং আস্থাহীনতা বাড়িয়েছে। তিনি অবিলম্বে এই নির্বাচন বাতিল, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের পদত্যাগ, রাজবন্দীসহ সব পেশাজীবীর মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবি জানান। বিবৃতির শেষে তিনি বলেন, ‘ভোটারবিহীন এই কারচুপির নির্বাচনের মাধ্যমে মানুষের ভোটাধিকার ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। ১৮ কোটি মানুষের দাবি—ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেওয়া হোক।’



