প্রতারণা-প্রহসনের নির্বাচন জননেত্রী শেখ হাসিনার বিবৃতি ‘ভোটার ছিল না ভোটকেন্দ্রে; কিন্তু ভোট ছিল গণনার টেবিলে! – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
     ১১:৩৫ অপরাহ্ণ

আরও খবর

ভোটের আগেই সিল, আগেই স্বাক্ষর— ভোটার ছাড়াই বৈধতার নাটক

গত ১৫ বছর বিরোধী দলের ওপর আওয়ামী লীগের দমন-পীড়নের কারণে জামায়াতের উত্থান ঘটেছে- মির্জা ফখরুল

সর্বনিম্ন ভোটার টার্ণআউট, ফাঁকা ভোটকেন্দ্রগুলো, আওয়ামী লীগের আহ্বানে বিপুল সংখ্যক মানুষের নির্বাচন বর্জন

আওয়ামী লীগকে মুছে ফেলা সম্ভব নয়: দেশের ভবিষ্যৎ ও দলের অবস্থান নিয়ে আত্মবিশ্বাসী সজীব ওয়াজেদ জয়

ভোটের আগেই সিল, আগেই স্বাক্ষর— ভোটার ছাড়াই বৈধতার নাটক! ইউনুস–জামাত–বিএনপির নীলনকশার গণপ্রহসন।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ: সংসদে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত জামায়াতে ইসলামীর, ১৫০ আসনে পুনর্নির্বাচনের দাবি

রাজনীতিতে আসা নিয়ে যা বললেন সজীব ওয়াজেদ জয়

প্রতারণা-প্রহসনের নির্বাচন জননেত্রী শেখ হাসিনার বিবৃতি ‘ভোটার ছিল না ভোটকেন্দ্রে; কিন্তু ভোট ছিল গণনার টেবিলে!

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ | ১১:৩৫ 12 ভিউ
১২ ফেব্রুয়ারি দেশবাসী প্রত্যক্ষ করেছে এক পরিকল্পিত প্রতারণা-প্রহসনের নির্বাচন; যা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে এক কলঙ্কময় অধ্যায় হিসেবে লিপিবদ্ধ থাকবে। এটি ছিল না জনমতের নির্বাচন; এটি ছিল সংখ্যার কারসাজির ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রশাসনিক জালিয়াতির মহড়া। এ নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৭৯৩ জন। ভোটগ্রহণ শুরু হয় সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে এবং চলে বিকেল ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত। এই নির্বাচনে ভয়াবহ কারচুপি ও নির্বাচন কমিশনের ধাপে ধাপে প্রকাশিত ভোটের শতাংশেও গুরুতর অসংগতি ও অবাস্তব চিত্র দেখা যায়। নির্বাচন কমিশনের প্রথম ব্রিফিং অনুযায়ী, সকাল ১১টা পর্যন্ত অর্থাৎ প্রথম ৩ ঘণ্টা ৩০ মিনিটে ভোট পড়েছে ১৪.৯৬ শতাংশ বা ১,৯১,০৫,৬৮৪ জন। সে

হিসাবে প্রতি মিনিটে গড়ে ৯০,৯৭৯টি করে ভোট কাস্ট হয়েছে। পরবর্তী ব্রিফিংয়ে দুপুর ১২টা পর্যন্ত মোট ভোটের হার জানানো হয় ৩২.৮৮ শতাংশ। অর্থাৎ সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টার মধ্যে এক ঘণ্টার ব্যবধানে ভোট কাস্ট হয়েছে ১৭.৯২ শতাংশ বা ২,২৮,৮০,৩৫০ জন। প্রতি মিনিটে গড়ে প্রায় ৩,৮১,৩৩৯টি ভোট কাস্ট হয়েছে। প্রথম সাড়ে তিন ঘণ্টার গড়ের তুলনায় এই হার কয়েক গুণ বেশি, যা অস্বাভাবিক। প্রথম ৩.৫ ঘণ্টায় ভোট প্রদানের হার ছিল প্রতি ঘণ্টায় ৪.২৭%; পরের ঘণ্টায় ভোটগ্রহণের হার দেখানো হয়েছে ১৭.৯২%। যদি দেশের সব কেন্দ্র (৩২,৭৮৯টি) সচল থাকে, তবে প্রতিটি কেন্দ্রে প্রতি মিনিটে গড়ে ১১.৬৩টি ভোট পড়েছে। অর্থাৎ প্রতিটি কেন্দ্রে প্রতি ৫.১৬ সেকেন্ডে একটি করে

ভোট কাস্ট হয়েছে, যা প্রায় অসম্ভব। বাংলাদেশের ভোটগ্রহণের ইতিহাস জানা থাকলে বোঝা যায়; সকাল ১১টা পর্যন্ত ভোটদানের সবচেয়ে স্বাভাবিক ও ক্রিটিক্যাল সময় যখন ভোটগ্রহণের হার থাকে সর্বোচ্চ গতিতে। অথচ, এই সাড়ে তিন ঘণ্টায় ভোট পড়ে ১৪.৯৬%। এরপর দুপুর ১২টায় ভোটগ্রহণের হার দেখানো হয়েছে ৩২.৮৮%। মাত্র এক ঘণ্টায় শতভাগের অস্বাভাবিক লাফ! তৃতীয় পর্যায়ে জানানো হয়, দুপুর ২টা পর্যন্ত মোট ভোট পড়েছে ৪৭.৯১ শতাংশ। অর্থাৎ দুপুর ১২টা থেকে ২টার মধ্যে দুই ঘণ্টায় বেড়েছে ১৫.০৩ শতাংশ বা ১,৯১,৯৪,৮৮৩ জন। অর্থাৎ প্রতি মিনিটে গড়ে প্রায় ১,৫৯,৯৫৮টি করে ভোট কাস্ট হয়েছে। সর্বশেষ বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটে মোট ভোটের হার দেখানো হয় ৫৯.৪৪ শতাংশ। অর্থাৎ দুপুর ২টা থেকে

বিকেল ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিটে বেড়েছে ১১.৫৩ শতাংশ বা ১,৪৭,২২,৭৭০ জন। সে হিসাবে প্রতি মিনিটে গড়ে প্রায় ৯৮,১৫২টি করে ভোট কাস্ট হয়েছে। বিভিন্ন গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, কিছু কেন্দ্রে ভোট দিতে গড়ে দেড় মিনিট থেকে পৌনে তিন মিনিট পর্যন্ত সময় লেগেছে। সময়সূচিভিত্তিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী সকাল ১১টা থেকে ১২টার মধ্যে ভোটের হার অস্বাভাবিক হারে দ্রুত বৃদ্ধি পায়। নির্বাচন কমিশন মোট প্রদত্ত ভোটের যে হিসাব দিয়েছে, তা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বাস্তব চিত্র— যেমন ফাঁকা ভোটকেন্দ্র, নিষ্ক্রিয় বুথ, অনুপস্থিত ভোটার— এগুলোর সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ। এছাড়াও, কারাগারে প্রায় ৮৬ হাজার ভোটারের মধ্যে ভোট দিয়েছেন মাত্র ৫ হাজার— প্রায় ৩%। প্রবাসে আনুমানিক দেড় কোটি ভোটারের

মধ্যে ভোট দিয়েছেন প্রায় ৫ লাখ— প্রায় ৭%। তাই বলা চলে, সার্বিকভাবে ৬০% ভোটের দাবি শুধু অবাস্তব নয়, হাস্যকরও বটে। রাষ্ট্রীয় সম্পদ ও সরকারি যন্ত্র সরাসরি ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে ব্যবহৃত হয়েছে। সরাসরি সরকার ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে প্রচার-প্রচারণার দায় ও দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছিল। ব্যালট পেপারে ‘হ্যাঁ’-এর পাশে টিক এবং ‘না’-এর পাশে ক্রস চিহ্ন— ভোটার মনস্তত্ত্বে প্রভাব বিস্তারের কী নগ্ন অপকৌশল, এবং এটি নাগরিকের মতামত নিয়ন্ত্রণও বটে। ফলাফল শিটে প্রিসাইডিং অফিসার ছাড়া অন্যদের স্বাক্ষর না থাকা স্বচ্ছতার ঘাটতিরই ইঙ্গিত দেয়। এছাড়াও, ১৮ ঘণ্টা ধরে জাতীয় নির্বাচনের আসনভিত্তিক ফল ঘোষণা করা হলেও, একই দিনে অনুষ্ঠিত গণভোটের আসনভিত্তিক ফল প্রকাশ করা হয়নি। জাতীয় নির্বাচনের ফল ঘোষণার

প্রায় পাঁচ ঘণ্টা পর গণভোটের ফল প্রকাশ— এই বিলম্ব এবং অংশগ্রহণের সংখ্যাগত অমিল জনমনে ভোট জালিয়াতির স্পষ্ট ধারণা তৈরি করেছে। গণভোটের ফল প্রকাশ করতে কালক্ষেপণ— নির্বাচন কমিশন কি তথ্য প্রক্রিয়াজাত করেছে, নাকি তথ্যকে প্রক্রিয়ার সঙ্গে মানানসই করেছে— এই প্রশ্ন এখন বাংলাদেশের সর্বস্তরের জনগণের; যা অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক এবং বাস্তবসম্মত। এই নির্বাচন গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের পথ সুগম করেনি; বরং জনগণের আস্থাহীনতা, অবিশ্বাস ও রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার পথ আরও প্রশস্ত করেছে। বিতর্কিত প্রক্রিয়ায় ঘোষিত ফলাফল কখনো দেশের স্থিতিশীলতা বয়ে আনতে পারে না। ভোটের আগের দিন, অর্থাৎ ১১ ফেব্রুয়ারি, দেশের বিভিন্ন স্থানে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে সহিংসতা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। বিভিন্ন জায়গায় অস্ত্র উদ্ধারের খবর প্রকাশিত হয়। ভোট

কেনাবেচা নিয়ে টাকার ছড়াছড়ি ও বিভিন্ন স্থানে গ্রেফতারের তথ্য সামনে আসে। সেদিন সন্ধ্যার পর বিভিন্ন স্থানে কেন্দ্র দখল, ব্যালটে সিল মারা এবং নির্বাচন সম্পর্কিত নানা অনিয়মের খবর দেখা যায়। বিভিন্ন কেন্দ্রে প্রিজাইডিং অফিসাররা ভোট শুরুর আগেই রেজাল্ট শিটে স্বাক্ষর করে রাখেন। যে অল্প কিছু ভোটার ভোট দিতে গিয়েছিলেন, তাদের অনেকেই ভোট দিতে পারেননি; ভোট দিতে গিয়ে দেখা গেছে তাদের ভোট আগেই দেওয়া হয়ে গেছে। অনেক জায়গায় দেখা গেছে ভোটকেন্দ্রের গোপন কক্ষে ৪–৫ জন মহিলা মিলে একসঙ্গে সিল মারছেন। কোথাও কোথাও দেখা গেছে পুরুষরা সিল মারছেন। সিল মারা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে শত শত ব্যালট পেপার। অনেক কেন্দ্রে একই প্রার্থীর একাধিক পোলিং এজেন্ট দেখা গেছে। আগের রাত থেকেই রেজাল্ট শিট তৈরি করে পোলিং এজেন্টদের স্বাক্ষর নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। ভোটের দিন সারাদেশে বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষ, ককটেল বিস্ফোরণ, কেন্দ্র দখল, ব্যালট পেপার ছিনতাই, ভোটারদের নির্দিষ্ট প্রতীকে ভোট দিতে চাপ সৃষ্টি, জাল ভোট, গণনার সময় অনিয়ম, প্রিজাইডিং অফিসারদের নির্দিষ্ট প্রার্থীর পক্ষে সিল মারার ঘটনাসহ নানা অসংগতি দেখা যায়। আওয়ামী লীগের আমলে দুটি নির্বাচন বিএনপি স্বেচ্ছায় বর্জন করেছিল। শুধু তাই নয়, তারা নির্বাচন প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়ে অগ্নিসন্ত্রাসের মাধ্যমে ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছিল এবং অসংখ্য মানুষের জীবন নাশ করেছিল। অন্যদিকে আওয়ামী লীগ নির্বাচন বর্জন করেনি; আওয়ামী লীগকে বেআইনিভাবে নিষিদ্ধ করে জোর করে নির্বাচনের বাইরে রাখা হয়েছে। তথাপি, আওয়ামী লীগ নির্বাচন প্রতিহত করার ঘোষণা দেয়নি এবং কোনো ধরনের ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর পথেও হাঁটেনি। আওয়ামী লীগ দেশের জনগণকে শান্তিপূর্ণভাবে এই একতরফা নির্বাচন বর্জনের আহ্বান জানিয়েছে। দেশের জনগণ আওয়ামী লীগের আহ্বানে সাড়া দিয়ে ভোট দিতে যায়নি। যে কারণে ইউনূসের অবৈধ সরকারকে কারচুপির মাধ্যমে ভোটের সংখ্যা বাড়িয়ে দেখাতে হয়েছে। অবৈধ ইউনূস সরকারের অধীনে এই কারচুপির একতরফা নির্বাচনের মাধ্যমে মানুষের ভোটাধিকার ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। এমতাবস্থায়, এই ভোটারবিহীন, অবৈধ ও অসাংবিধানিক নির্বাচন বাতিল, খুনি-ফ্যাসিস্ট ইউনূসের পদত্যাগ নিশ্চিতকরণ, সকল রাজবন্দিসহ শিক্ষক-সাংবাদিক-বুদ্ধিজীবীসহ সব পেশাজীবীর মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারপূর্বক মুক্তি, আওয়ামী লীগের কার্যক্রমের ওপর আরোপিত স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার এবং নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনের মধ্য দিয়ে জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি আজ বাংলাদেশের ১৮ কোটি জনগণের। জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ভোটের আগেই সিল, আগেই স্বাক্ষর— ভোটার ছাড়াই বৈধতার নাটক গত ১৫ বছর বিরোধী দলের ওপর আওয়ামী লীগের দমন-পীড়নের কারণে জামায়াতের উত্থান ঘটেছে- মির্জা ফখরুল প্রতারণা-প্রহসনের নির্বাচন জননেত্রী শেখ হাসিনার বিবৃতি ‘ভোটার ছিল না ভোটকেন্দ্রে; কিন্তু ভোট ছিল গণনার টেবিলে! সর্বনিম্ন ভোটার টার্ণআউট, ফাঁকা ভোটকেন্দ্রগুলো, আওয়ামী লীগের আহ্বানে বিপুল সংখ্যক মানুষের নির্বাচন বর্জন আওয়ামী লীগকে মুছে ফেলা সম্ভব নয়: দেশের ভবিষ্যৎ ও দলের অবস্থান নিয়ে আত্মবিশ্বাসী সজীব ওয়াজেদ জয় আমি ঘরের মেয়ে ঘরেই আছি আমার ঘর ব্রাহ্মণবাড়িয়া- রুমিন ফারহানা ইউনুসের সুষ্ঠু নির্বাচনের নমুনা ⁨নোয়াখালিতে পোলিং অফিসার নিজেই ব্যালটে সিল মারছেন ⁨সবচেয়ে বাজে কারচুপির নির্বাচন হয়েছে – জনগনের ক্ষোভ ভোট শেষ হওয়ার আধা ঘণ্টা পূর্বে কেন্দ্রদখল করে ব্যালট ছিনতাইয়ের পর ধানের শীষ মার্কায় সিল জনগণের সমর্থন না পেয়ে ক্ষমতা দখলের নগ্ন প্রয়াস! ভোটের আগেই সিল, আগেই স্বাক্ষর— ভোটার ছাড়াই বৈধতার নাটক! ইউনুস–জামাত–বিএনপির নীলনকশার গণপ্রহসন। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ: সংসদে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত জামায়াতে ইসলামীর, ১৫০ আসনে পুনর্নির্বাচনের দাবি রাজনীতিতে আসা নিয়ে যা বললেন সজীব ওয়াজেদ জয় ব্যালট বিপ্লবে ‘অনুপস্থিত’ শেখ হাসিনারই জয়: ৫২ শতাংশ মানুষের ভোট বর্জনে প্রমাণিত, তাকে ছাড়া বাংলাদেশ অচল The Political Lens By RP Station ব্যালট বিপ্লবে ‘অনুপস্থিত’ শেখ হাসিনারই জয়: ৫২ শতাংশ মানুষের ভোট বর্জনে প্রমাণিত, তাকে ছাড়া বাংলাদেশ অচল প্রশ্নের মুখে ২০২৬-এর নির্বাচন ৮ শতাংশের ভোটকে ৬০ শতাংশ দেখানোর ‘ভুতুড়ে’ কারসাজি প্রতি মিনিটে ১২ ভোটারের উপস্থিতি দেখাল ইসি শেখ হাসিনা গরীবের বন্ধু ও এদেশের প্রেমিক’: সাধারণ মানুষের কণ্ঠে উন্নয়নের জয়গান গণভোট নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের দেয়া বিভিন্ন দেশের উদাহরণ কতোটা সত্য? কেন্দ্রে কেন্দ্রে আনসার-পুলিশ মুখোমুখি: ‘শিবির ট্রেনিংপ্রাপ্ত’ ক্যাডারদের আনসার বাহিনীতে ঢুকে পড়ার অভিযোগ