ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ডিবি পরিচয়ে অপহরণ, লুটপাট ও মব ভায়োলেন্স: শতাধিক অভিযোগে বহিষ্কার সায়মন
বোয়িং ডিল ও টার্মিনাল দখল: বশিরের কমিশন বাণিজ্য ও সিন্ডিকেটে ধ্বংসের মুখে বিমান
কার হাতে যাচ্ছে চট্টগ্রাম বন্দর? এপস্টাইন কেলেঙ্কারিতে ডিপি ওয়ার্ল্ড প্রধানের নাম
৮৫৮ কোটি টাকা টোল আদায়, তবু দেড় বছর ধরে পদ্মা সেতুর কিস্তি ‘বকেয়া’
শেখ হাসিনাকে বাদ দিয়েই সুযোগ দিক, আওয়ামী লীগ এক চান্সে জিতে যাবে’—ভাইরাল ভিডিওতে নারীর মন্তব্য
‘জুলাই জাদুঘর’ পরিদর্শন: প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে কূটনীতিকদের উপস্থিতি নিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে তথ্য জালিয়াতির অভিযোগ
শেখ হাসিনাকে বাদ দিয়েই সুযোগ দিক, আওয়ামী লীগ এক চান্সে জিতে যাবে’—ভাইরাল ভিডিওতে নারীর মন্তব্য
আওয়ামী লীগহীন রাজনীতিতে বিপন্ন নারী স্বাধীনতা: জামায়াতের ঘৃণ্য আস্ফালন ও ‘হ্যাক’ নাটক
নারীর অবমাননা: জামায়াত আমির কর্তৃক কর্মজীবী নারীদের ‘পতিতা’র সঙ্গে জঘন্য তুলনা এবং সেক্রেটারি জেনারেলের সমর্থন।
মিথ্যাচার ও নাটক: বিতর্কিত মন্তব্যের পর জনরোষ এড়াতে নেতাদের পুরনো ও ভোঁতা কৌশল—‘আইডি হ্যাক’ হওয়ার দাবি।
নিরাপত্তার সংকট: আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতিতে মৌলবাদী গোষ্ঠীর উত্থান এবং নারী স্বাধীনতার ওপর নগ্ন হস্তক্ষেপ।
দলীয় তোষামোদ: নারীর অধস্তনতাকে সমর্থন করে দলের নারী নেত্রীদেরও পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ।
নিজস্ব প্রতিবেদক:
প্রগতিশীল রাজনীতির ধারক আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতিতে বাংলাদেশের রাজনীতিতে যে শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে, তা গ্রাস করতে শুরু করেছে মধ্যযুগীয় ধর্মান্ধতা। আর এই অশুভ শক্তির প্রথম শিকার হচ্ছেন দেশের কর্মজীবী নারীরা। জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতাদের সাম্প্রতিক নারীবিদ্বেষী মন্তব্য এবং পরবর্তী সময়ে ‘হ্যাক’ নাটকের মঞ্চায়ন প্রমাণ করেছে—আওয়ামী লীগহীন বাংলাদেশে
নারীর মর্যাদা ও স্বাধীনতা আজ চরম বিপন্ন। বিগত দিনগুলোতে নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশ যখন বিশ্বে রোল মডেল, তখন জামায়াত নেতারা নারীদের সেই অর্জনকে ধুলিসাৎ করতে উঠেপড়ে লেগেছেন। দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান কর্মজীবী নারীদের প্রকারান্তরে ‘পতিতা’র সঙ্গে তুলনা করে যে ধৃষ্টতা দেখিয়েছেন, তা আধুনিক সমাজের জন্য এক অশনিসংকেত। আমিরের এই বক্তব্যের রেশ কাটতে না কাটতেই সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার ফেসবুকে একই সুরে বিষোদগার করেছেন। তিনি নারীদের ঘরের বাইরে কাজ করার বিরোধিতা করে আমিরের জঘন্য ইঙ্গিতকেই বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। বিশ্লেষকদের মতে, আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকাকালে বা রাজনীতিতে সক্রিয় থাকাকালে উগ্রবাদী গোষ্ঠীগুলো নারীদের বিরুদ্ধে এমন নগ্নভাবে কথা বলার সাহস পেত না। আজ সেই
রাজনৈতিক রক্ষাকবচ নেই বলেই জামায়াত নেতারা নারীদের ফের অন্দরমহলে বন্দি করার নীল নকশা বাস্তবায়নে বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন। সমালোচনা এড়াতে সেই পুরনো ‘হ্যাক’ নাটক জামায়াত নেতাদের চরিত্র এখন ‘মুখে বিষ, আর ধরা পড়লে হ্যাক’—এই নীতিতে চলছে। আল জাজিরায় নারীদের নেতৃত্ব নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের পর আমির শফিকুর রহমান মাত্র ৪৫ মিনিটের ব্যবধানে দাবি করেছিলেন তার আইডি হ্যাক হয়েছে। বিবিসি বাংলার অনুসন্ধানে প্রমাণিত হয়েছে, এত স্বল্প সময়ে হ্যাক হওয়া আইডি পুনরুদ্ধার প্রযুক্তিগতভাবে অসম্ভব। আমিরের পথ ধরে এবার সেক্রেটারি জেনারেলের নারীবিদ্বেষী পোস্টের পর তার ছেলের মুখেও শোনা গেল একই ‘হ্যাক’ হওয়ার ভাঙা রেকর্ড। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, নিজেদের কুরুচিপূর্ণ মানসিকতা ও দেউলিয়াত্ব ঢাকতেই তারা এই ‘ডিজিটাল মিথ্যাচারের’
আশ্রয় নিচ্ছেন। দলের ভেতরেও পুরুষতন্ত্রের জয়গান জামায়াতের এই নারীবিদ্বেষ কেবল পুরুষ নেতাদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, মগজধোলাইয়ের শিকার দলটির নারী নেত্রীরাও। জামায়াতের মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি নুরুন্নিসা সিদ্দিকা আমিরের পক্ষ নিয়ে নির্লজ্জভাবে বলেছেন, “পুরুষরা নারীদের ম্যানেজার বা পরিচালক।” নারীর নিজস্ব সত্তা ও মেধা অস্বীকার করে পুরুষের অধীনস্থ করার এই মানসিকতা প্রমাণ করে, জামায়াতের রাজনীতিতে নারীর কোনো সম্মানজনক অবস্থান নেই, তারা কেবল পুরুষের ‘পরিচালনা’র বস্তু মাত্র। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে আওয়ামী লীগকে রাজনীতি থেকে দূরে রাখার সুযোগে মৌলবাদী শক্তিগুলো মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। কর্মজীবী নারীদের প্রতি জামায়াত নেতাদের এই ক্রমাগত বিদ্বেষপ্রসূত বক্তব্য ও আচরণ কেবল বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং এটি একটি ভয়াবহ পরিকল্পনার অংশ। আওয়ামী
লীগের শাসনামলে নারীরা যে নিরাপত্তা ও স্বাধীনতার স্বাদ পেয়েছিল, তা আজ হুমকির মুখে। জামায়াতের এই আস্ফালন এখনই রোধ করা না গেলে বাংলাদেশের নারী সমাজকে আবারও অন্ধকার যুগে ফিরে যেতে হবে। প্রথম আলো ভাষা ও ফরমেট অনুসরণ করে সংবাদ তৈরি করে দাও
নারীর মর্যাদা ও স্বাধীনতা আজ চরম বিপন্ন। বিগত দিনগুলোতে নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশ যখন বিশ্বে রোল মডেল, তখন জামায়াত নেতারা নারীদের সেই অর্জনকে ধুলিসাৎ করতে উঠেপড়ে লেগেছেন। দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান কর্মজীবী নারীদের প্রকারান্তরে ‘পতিতা’র সঙ্গে তুলনা করে যে ধৃষ্টতা দেখিয়েছেন, তা আধুনিক সমাজের জন্য এক অশনিসংকেত। আমিরের এই বক্তব্যের রেশ কাটতে না কাটতেই সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার ফেসবুকে একই সুরে বিষোদগার করেছেন। তিনি নারীদের ঘরের বাইরে কাজ করার বিরোধিতা করে আমিরের জঘন্য ইঙ্গিতকেই বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। বিশ্লেষকদের মতে, আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকাকালে বা রাজনীতিতে সক্রিয় থাকাকালে উগ্রবাদী গোষ্ঠীগুলো নারীদের বিরুদ্ধে এমন নগ্নভাবে কথা বলার সাহস পেত না। আজ সেই
রাজনৈতিক রক্ষাকবচ নেই বলেই জামায়াত নেতারা নারীদের ফের অন্দরমহলে বন্দি করার নীল নকশা বাস্তবায়নে বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন। সমালোচনা এড়াতে সেই পুরনো ‘হ্যাক’ নাটক জামায়াত নেতাদের চরিত্র এখন ‘মুখে বিষ, আর ধরা পড়লে হ্যাক’—এই নীতিতে চলছে। আল জাজিরায় নারীদের নেতৃত্ব নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের পর আমির শফিকুর রহমান মাত্র ৪৫ মিনিটের ব্যবধানে দাবি করেছিলেন তার আইডি হ্যাক হয়েছে। বিবিসি বাংলার অনুসন্ধানে প্রমাণিত হয়েছে, এত স্বল্প সময়ে হ্যাক হওয়া আইডি পুনরুদ্ধার প্রযুক্তিগতভাবে অসম্ভব। আমিরের পথ ধরে এবার সেক্রেটারি জেনারেলের নারীবিদ্বেষী পোস্টের পর তার ছেলের মুখেও শোনা গেল একই ‘হ্যাক’ হওয়ার ভাঙা রেকর্ড। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, নিজেদের কুরুচিপূর্ণ মানসিকতা ও দেউলিয়াত্ব ঢাকতেই তারা এই ‘ডিজিটাল মিথ্যাচারের’
আশ্রয় নিচ্ছেন। দলের ভেতরেও পুরুষতন্ত্রের জয়গান জামায়াতের এই নারীবিদ্বেষ কেবল পুরুষ নেতাদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, মগজধোলাইয়ের শিকার দলটির নারী নেত্রীরাও। জামায়াতের মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি নুরুন্নিসা সিদ্দিকা আমিরের পক্ষ নিয়ে নির্লজ্জভাবে বলেছেন, “পুরুষরা নারীদের ম্যানেজার বা পরিচালক।” নারীর নিজস্ব সত্তা ও মেধা অস্বীকার করে পুরুষের অধীনস্থ করার এই মানসিকতা প্রমাণ করে, জামায়াতের রাজনীতিতে নারীর কোনো সম্মানজনক অবস্থান নেই, তারা কেবল পুরুষের ‘পরিচালনা’র বস্তু মাত্র। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে আওয়ামী লীগকে রাজনীতি থেকে দূরে রাখার সুযোগে মৌলবাদী শক্তিগুলো মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। কর্মজীবী নারীদের প্রতি জামায়াত নেতাদের এই ক্রমাগত বিদ্বেষপ্রসূত বক্তব্য ও আচরণ কেবল বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং এটি একটি ভয়াবহ পরিকল্পনার অংশ। আওয়ামী
লীগের শাসনামলে নারীরা যে নিরাপত্তা ও স্বাধীনতার স্বাদ পেয়েছিল, তা আজ হুমকির মুখে। জামায়াতের এই আস্ফালন এখনই রোধ করা না গেলে বাংলাদেশের নারী সমাজকে আবারও অন্ধকার যুগে ফিরে যেতে হবে। প্রথম আলো ভাষা ও ফরমেট অনুসরণ করে সংবাদ তৈরি করে দাও



