ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
পাঁচ ঘণ্টা লাইন, চার লিটার তেল, আর একটি তথাকথিত “নির্বাচিত” সরকার!
অপশাসন, ভয় আর মামলার বোঝা—এভাবেই কি ঝরে যাবে একের পর এক প্রাণ? ইউনুস–তারেকের রাজনীতিতে কি মানুষের জীবন এতটাই তুচ্ছ হয়ে গেছে?
একটি স্বেচ্ছাচারী একপাক্ষিক সংসদ কর্তৃক গণবিরোধী আইন পাশ ও দেশের নৈরাজ্যময় পরিস্থিতিতে স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বানঃ
প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের প্রথম বেতার ভাষণ। ১১ এপ্রিল, ১৯৭১
‘ড. ইউনূস ৬টি জেনারেশন ধ্বংস করে দিয়েছেন, আওয়ামী লীগের সমর্থক বাড়ছে’
হাসিনা সরকারকে সরাতে ৩২ কোটি ডলার খরচ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র: মার্কিন সংবাদমাধ্যম
প্রথম আলোর আড়ালে হিযবুত তাহরির ও মেজর জিয়ার ঘনিষ্ঠ সহযোগী আরিফ রহমান: নেপথ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য
বৈশ্বিক নীরবতার আড়ালে ‘৭১-এর আদলে’ পাকিস্তানের এজেন্ডা বাস্তবায়নের অভিযোগ
সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের বিমানবাহিনী প্রধানদের বৈঠক এবং উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক তৎপরতা আন্তর্জাতিক মহলে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ইসলামাবাদ ঢাকাকে জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান বিক্রির আগ্রহ দেখালেও, এই প্রকাশ্য কূটনৈতির আড়ালে গভীর এক নকশা বাস্তবায়নের অভিযোগ উঠেছে। বিশ্লেষকদের মতে, পাকিস্তানের বর্তমান সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল সৈয়দ আসিম মুনির ১৯৭১ সালের আদলে বাংলাদেশের উদার ও ধর্মনিরপেক্ষ কাঠামো ধ্বংসের প্রক্রিয়া এগিয়ে নিচ্ছেন।
অভিযোগ রয়েছে, ১৯৭১ সালে জেনারেল ইয়াহিয়া খান যেভাবে ধর্মীয় উগ্রবাদীদের ব্যবহার করে স্বাধীনতা আন্দোলন দমনের চেষ্টা করেছিলেন, বর্তমানেও ঠিক একইভাবে বাংলাদেশে সহিংসতা ও অস্থিরতা তৈরি করা হচ্ছে।
ভারতবিরোধী অবস্থান ও ‘সুবর্ণ সুযোগ’
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সাম্প্রতিক ভারতবিরোধী বক্তব্য এবং মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহ্য নিয়ে
প্রশ্ন তোলার বিষয়টিকে পাকিস্তানের নিরাপত্তা কাঠামো তাদের জন্য ‘সুবর্ণ সুযোগ’ হিসেবে গ্রহণ করেছে বলে মনে করা হচ্ছে। কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ড. ইউনূস ১৯৭১ সালের গণহত্যার দায়ে পাকিস্তানকে জবাবদিহিতার আওতায় আনার অবস্থান থেকে সরে আসায় আসিম মুনিরের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানি সামরিক এস্টাবলিশমেন্ট উৎসাহিত হয়েছে। পাকিস্তানের লক্ষ্য—১৯৭১ সালের যুদ্ধাপরাধের ইতিহাস মুছে ফেলা এবং কোনো ক্ষমা না চাওয়া। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই নমনীয়তা বাংলাদেশের লাখো শহীদ পরিবার ও নির্যাতিত মানুষের জন্য গভীর বেদনাদায়ক। ইতিহাস বিকৃতি ও বঙ্গবন্ধুকে অবমাননা ২০২৫ সালের ৫ ডিসেম্বর পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মুখপাত্র লেফট্যানেন্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরী প্রকাশ্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘দেশদ্রোহী’ আখ্যা দেন। পাকিস্তান আজও তাদের হামুদুর রহমান কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি
জানাচ্ছে। একই সঙ্গে, বাংলাদেশে জাতীয় সংগীত ‘আমার সোনার বাংলা’ পরিবর্তনের দাবি এবং ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকে ‘ভারতের ষড়যন্ত্র’ হিসেবে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চলছে। ২০২৪ সালের আগস্টের পর পাকিস্তানভিত্তিক কিছু অনলাইন মাধ্যমে বাংলাদেশের সঙ্গে পুন একত্রীকরণের যে আহ্বান জানানো হয়েছে, তাতে ইসলামাবাদ নীরব সমর্থন দিচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। সংখ্যালঘু নির্যাতন ও গণমাধ্যমের ওপর আঘাত ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি বাহিনী যেভাবে সংখ্যালঘুদের চিহ্নিত করেছিল, বর্তমানেও বাংলাদেশে হিন্দু ও অন্যান্য সংখ্যালঘুদের ‘র’-এর এজেন্ট আখ্যা দিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে একটি সংখ্যালঘু সংগঠনের দাবি অনুযায়ী, এক মাসে অন্তত আটটি পরিকল্পিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। অন্যদিকে, ‘ভারতপন্থী’ আখ্যা দিয়ে দেশের শীর্ষ দুই গণমাধ্যম প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারের কার্যালয়ে
অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাকিস্তানঘেঁষা অ্যাকাউন্টগুলো থেকে এই সহিংসতাকে উসকে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ক্ষমা প্রত্যাখ্যান ও সংবিধান পরিবর্তনের উদ্যোগ ১৯৭১ সালে ৩০ লাখ মানুষ হত্যা ও ২ লাখ নারীর সম্ভ্রমহানির ঘটনায় পাকিস্তান রাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে আজও ক্ষমা চায়নি। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার অতীত ভুলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার কথা বললেও দায় স্বীকারের কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি। এরই মধ্যে বর্তমান প্রশাসনের সংবিধান পরিবর্তনের উদ্যোগ বাংলাদেশের ধর্মনিরপেক্ষ ভিত্তি দুর্বল করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। অভিযোগ রয়েছে, পাকিস্তান থেকে মাদক চোরাচালান এবং সীমান্ত অঞ্চলে জঙ্গি নেতাদের উসকানিমূলক বক্তব্যের মাধ্যমে বাংলাদেশকে ভারতের বিরুদ্ধে ব্যবহারের নীলনকশা করা হচ্ছে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, জামায়াত নেতাদের ‘পাঁচ মিলিয়ন তরুণ ভারতের বিরুদ্ধে
যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত’—এমন বক্তব্য এবং তরুণদের অস্ত্র প্রশিক্ষণের খবর উদ্বেগজনক। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন ধ্বংস, ইতিহাস বিকৃতি এবং পাকিস্তানের সঙ্গে গোপন আঁতাতকে অন্তর্বর্তী সরকারের একটি বড় রাজনৈতিক ও নৈতিক স্খলন হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।
প্রশ্ন তোলার বিষয়টিকে পাকিস্তানের নিরাপত্তা কাঠামো তাদের জন্য ‘সুবর্ণ সুযোগ’ হিসেবে গ্রহণ করেছে বলে মনে করা হচ্ছে। কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ড. ইউনূস ১৯৭১ সালের গণহত্যার দায়ে পাকিস্তানকে জবাবদিহিতার আওতায় আনার অবস্থান থেকে সরে আসায় আসিম মুনিরের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানি সামরিক এস্টাবলিশমেন্ট উৎসাহিত হয়েছে। পাকিস্তানের লক্ষ্য—১৯৭১ সালের যুদ্ধাপরাধের ইতিহাস মুছে ফেলা এবং কোনো ক্ষমা না চাওয়া। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই নমনীয়তা বাংলাদেশের লাখো শহীদ পরিবার ও নির্যাতিত মানুষের জন্য গভীর বেদনাদায়ক। ইতিহাস বিকৃতি ও বঙ্গবন্ধুকে অবমাননা ২০২৫ সালের ৫ ডিসেম্বর পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মুখপাত্র লেফট্যানেন্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরী প্রকাশ্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘দেশদ্রোহী’ আখ্যা দেন। পাকিস্তান আজও তাদের হামুদুর রহমান কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি
জানাচ্ছে। একই সঙ্গে, বাংলাদেশে জাতীয় সংগীত ‘আমার সোনার বাংলা’ পরিবর্তনের দাবি এবং ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকে ‘ভারতের ষড়যন্ত্র’ হিসেবে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চলছে। ২০২৪ সালের আগস্টের পর পাকিস্তানভিত্তিক কিছু অনলাইন মাধ্যমে বাংলাদেশের সঙ্গে পুন একত্রীকরণের যে আহ্বান জানানো হয়েছে, তাতে ইসলামাবাদ নীরব সমর্থন দিচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। সংখ্যালঘু নির্যাতন ও গণমাধ্যমের ওপর আঘাত ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি বাহিনী যেভাবে সংখ্যালঘুদের চিহ্নিত করেছিল, বর্তমানেও বাংলাদেশে হিন্দু ও অন্যান্য সংখ্যালঘুদের ‘র’-এর এজেন্ট আখ্যা দিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে একটি সংখ্যালঘু সংগঠনের দাবি অনুযায়ী, এক মাসে অন্তত আটটি পরিকল্পিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। অন্যদিকে, ‘ভারতপন্থী’ আখ্যা দিয়ে দেশের শীর্ষ দুই গণমাধ্যম প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারের কার্যালয়ে
অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাকিস্তানঘেঁষা অ্যাকাউন্টগুলো থেকে এই সহিংসতাকে উসকে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ক্ষমা প্রত্যাখ্যান ও সংবিধান পরিবর্তনের উদ্যোগ ১৯৭১ সালে ৩০ লাখ মানুষ হত্যা ও ২ লাখ নারীর সম্ভ্রমহানির ঘটনায় পাকিস্তান রাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে আজও ক্ষমা চায়নি। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার অতীত ভুলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার কথা বললেও দায় স্বীকারের কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি। এরই মধ্যে বর্তমান প্রশাসনের সংবিধান পরিবর্তনের উদ্যোগ বাংলাদেশের ধর্মনিরপেক্ষ ভিত্তি দুর্বল করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। অভিযোগ রয়েছে, পাকিস্তান থেকে মাদক চোরাচালান এবং সীমান্ত অঞ্চলে জঙ্গি নেতাদের উসকানিমূলক বক্তব্যের মাধ্যমে বাংলাদেশকে ভারতের বিরুদ্ধে ব্যবহারের নীলনকশা করা হচ্ছে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, জামায়াত নেতাদের ‘পাঁচ মিলিয়ন তরুণ ভারতের বিরুদ্ধে
যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত’—এমন বক্তব্য এবং তরুণদের অস্ত্র প্রশিক্ষণের খবর উদ্বেগজনক। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন ধ্বংস, ইতিহাস বিকৃতি এবং পাকিস্তানের সঙ্গে গোপন আঁতাতকে অন্তর্বর্তী সরকারের একটি বড় রাজনৈতিক ও নৈতিক স্খলন হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।



