ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সংস্কার নয়, ক্ষমতা পাকাপোক্ত করার ফন্দি ইউনুস গংয়ের : রেহমান সোবহানের বক্তব্য স্বীকারোক্তি নাকি সমালোচনা?
গনপরিষদ নাকি মাইনাস – 2 ?
শেখ হাসিনার সঙ্গে জেফ্রি এপস্টিনের অ্যাসিস্ট্যান্টের কোনো গোপন বিষয়ে একমত হওয়ার দাবিটি ভুয়া।
ক্ষমতার আড়ালে পৈশাচিকতা: এপস্টাইন ফাইলস ও সভ্যতার খসে পড়া মুখোশ
৫ আগস্ট-পরবর্তী ৯১.৭% সহিংসতার সঙ্গে বিএনপি সম্পৃক্ত, ২০.৭%-এর সঙ্গে আ.লীগ: টিআইবি
বর্তমান সরকার ‘জঙ্গি তোষণকারী’, আসন্ন নির্বাচন ‘সাজানো নাটক’: সজীব ওয়াজেদ জয়
বিএনপি এখন মার্কিন দূতাবাসের ‘পুতুল’, তারেক রহমান তাদের জিম্মি: সজীব ওয়াজেদ
গণভোটের ব্যালটে নেই কোন সিরিয়াল নম্বর, গণভোটের নামে মুক্তিযুদ্ধের সংবিধান পরিবর্তনের গভীর ষড়যন্ত্রের এক নীল নকশা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও সাম্প্রতিক গণভোটকে ঘিরে যে প্রশ্নগুলো ঘুরপাক খাচ্ছে, তার উত্তর এখনো জাতি পায়নি। সংসদ নির্বাচনের ব্যালট পেপারে দৃশ্যমান সিরিয়াল নম্বর থাকলেও গণভোটের ব্যালটে সেই নম্বর অনুপস্থি।
এ বাস্তবতা জনমনে নতুন করে সন্দেহের জন্ম দিয়েছে।
প্রশ্নটি সহজ: সংসদ নির্বাচনে যদি ব্যালটের ট্র্যাকিং, হিসাব ও জবাবদিহিতার জন্য সিরিয়াল নম্বর প্রয়োজন হয়, তবে গণভোটে তা অপ্রয়োজনীয় কেন? গণভোট কি কম গুরুত্বপূর্ণ? নাকি এখানে এমন একটি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে, যার স্বচ্ছতা জনগণের সামনে তুলে ধরার সাহস দেখানো হয়নি?
সমালোচকদের অভিযোগ, এই দ্বৈত মানদণ্ড প্রশাসনিক অদক্ষতা নয় বরং একটি অস্বচ্ছ ও বিতর্কিত নির্বাচনী ব্যবস্থার প্রতিফলন। তাদের মতে, অবৈধ ইউনুস নিয়ন্ত্রিত অন্তর্বর্তী সরকারের নেতৃত্ব
নির্বাচন ব্যবস্থায় আস্থা ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবে তা করতে ব্যর্থ হয়েছে। বরং একের পর এক সিদ্ধান্ত জনসন্দেহ আরও ঘনীভূত করেছে। গণভোটের নামে মিথ্যা নাটকে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত সংবিধানকে ভূলন্ঠিত করাই কি এদের মূল লক্ষ্য। আরও গুরুতর অভিযোগ হলো—এই পুরো প্রক্রিয়াই সংবিধানসম্মত কাঠামো ও রাজনৈতিক ঐকমত্যের বাইরে গিয়েছে। বিরোধী মতামত উপেক্ষা করে, বিতর্কিত পরিবেশে নির্বাচন আয়োজনের ফলে নির্বাচনের বৈধতা নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে। সমালোচকদের ভাষায়, “স্বচ্ছতা ছাড়া নির্বাচন কেবল আনুষ্ঠানিকতা; গণতন্ত্র নয়। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে এখনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা না আসায় পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক। যদি সত্যিই বিকল্প নিরাপত্তা ব্যবস্থা থেকে থাকে, তবে তা পরিষ্কারভাবে জানানো হচ্ছে না কেন? কেন এই নীরবতা?গণতন্ত্রের শক্তি কাগজে
নয়, আস্থায়। আর আস্থা তৈরি হয় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে। ব্যালট পেপারের মতো মৌলিক বিষয়ে অস্পষ্টতা থাকলে সেটি শুধু কারিগরি ত্রুটি নয়—এটি রাজনৈতিক দায়বদ্ধতার প্রশ্ন। আজ প্রয়োজন স্পষ্ট জবাব। প্রয়োজন খোলামেলা ব্যাখ্যা। কারণ জনগণের ভোট কোনো পরীক্ষামূলক প্রক্রিয়া নয়—এটি রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের অধিকার। সেই অধিকার নিয়ে কোনো ধোঁয়াশা গণতন্ত্র হত্যার সামীল।
নির্বাচন ব্যবস্থায় আস্থা ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবে তা করতে ব্যর্থ হয়েছে। বরং একের পর এক সিদ্ধান্ত জনসন্দেহ আরও ঘনীভূত করেছে। গণভোটের নামে মিথ্যা নাটকে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত সংবিধানকে ভূলন্ঠিত করাই কি এদের মূল লক্ষ্য। আরও গুরুতর অভিযোগ হলো—এই পুরো প্রক্রিয়াই সংবিধানসম্মত কাঠামো ও রাজনৈতিক ঐকমত্যের বাইরে গিয়েছে। বিরোধী মতামত উপেক্ষা করে, বিতর্কিত পরিবেশে নির্বাচন আয়োজনের ফলে নির্বাচনের বৈধতা নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে। সমালোচকদের ভাষায়, “স্বচ্ছতা ছাড়া নির্বাচন কেবল আনুষ্ঠানিকতা; গণতন্ত্র নয়। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে এখনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা না আসায় পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক। যদি সত্যিই বিকল্প নিরাপত্তা ব্যবস্থা থেকে থাকে, তবে তা পরিষ্কারভাবে জানানো হচ্ছে না কেন? কেন এই নীরবতা?গণতন্ত্রের শক্তি কাগজে
নয়, আস্থায়। আর আস্থা তৈরি হয় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে। ব্যালট পেপারের মতো মৌলিক বিষয়ে অস্পষ্টতা থাকলে সেটি শুধু কারিগরি ত্রুটি নয়—এটি রাজনৈতিক দায়বদ্ধতার প্রশ্ন। আজ প্রয়োজন স্পষ্ট জবাব। প্রয়োজন খোলামেলা ব্যাখ্যা। কারণ জনগণের ভোট কোনো পরীক্ষামূলক প্রক্রিয়া নয়—এটি রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের অধিকার। সেই অধিকার নিয়ে কোনো ধোঁয়াশা গণতন্ত্র হত্যার সামীল।



