ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নাইকো কেলেঙ্কারি: তারেক মামুনের কারণে টেংরাটিলায় বিলিয়ন ডলারের গ্যাস ক্ষতি
বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলির নির্দেশ দেননি শেখ হাসিনা’—জয়ের দাবির পক্ষে জোরালো যুক্তি বার্গম্যানের
গণভোটে সরকারি প্রচারণা ও রিট পিটিশন ১২০১/২০২৬: আইন লঙ্ঘন নাকি নজির? বিতর্কের মধ্যেই ‘হ্যাঁ’ ভোটের জয়
নারীদের ঘরের বাইরে কাজ করাকে ‘পতিতাবৃত্তি’র সাথে তুলনা করে জামায়াত আমিরের এক্স হ্যান্ডেল থেকে পোস্ট
১৬ কোটি টাকা নিয়ে ভুয়া কাগজ! প্রেস সচিবের ভাইয়ের ধোঁকায় এখন নিঃস্ব ডা. শাহরিয়ার
নৌকা প্রতীক ছাড়া নির্বাচনের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন শেখ হাসিনা।
‘দায়মুক্তি’ শীর্ষক
নাইকোর বিরুদ্ধে জয়: বিএনপি–জামায়াতের ঘুষের রাজনীতির আন্তর্জাতিক দণ্ড
টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রের বিস্ফোরণ কোনো দুর্ঘটনা নয়, এটি ছিল বিএনপি–জামায়াত জোট সরকারের সময় রাষ্ট্রীয় সম্পদ বিক্রির ভয়াবহ ফল। কানাডিয়ান কোম্পানি নাইকোর অদক্ষতা নয় শুধু, বরং রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত লুটপাটই ২০০৫ সালে দু’দফা বিস্ফোরণের জন্য দায়ী—যা আজ আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ে প্রমাণিত।
ব্রিটেনের লন্ডনে অবস্থিত আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ বিরোধ নিষ্পত্তি আদালত (ইকসিড) রায়ে স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছে, টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে বিস্ফোরণের জন্য নাইকো দায়ী এবং বাংলাদেশ ক্ষতিপূরণ পেতে পারে প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা। এই রায় শুধু অর্থনৈতিক ক্ষতিপূরণ নয়, এটি বিএনপি–জামায়াতের দুর্নীতিবাজ রাজনীতির আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ স্পষ্ট ভাষায় বলেছিলেন , নাইকো-বাপেক্স চুক্তি হয়েছিল ঘুষের বিনিময়ে। এই ঘুষ প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত
ছিলেন তারেক রহমান, তার ঘনিষ্ঠ গিয়াস আল মামুন এবং বিএনপির শীর্ষ মহল। খালেদা জিয়ার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও সংবাদ সম্মেলনে উঠে আসে। যদিও ফৌজদারি অপরাধ হওয়ায় ইকসিড এ বিষয়ে আদেশ দেয়নি, তবে দেশের আদালতে নাইকো দুর্নীতি মামলার বিচার চলমান রয়েছে। ২০০৩ সালে বিএনপি সরকারের সময় বিনা দরপত্রে নাইকোকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। এরপর ২০০৫ সালের জানুয়ারি ও জুনে টেংরাটিলায় ভয়াবহ বিস্ফোরণে ধ্বংস হয় গ্যাসক্ষেত্র, ক্ষতিগ্রস্ত হয় জনজীবন ও পরিবেশ। অথচ তখন দায়ীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। কারণ সরকারই ছিল দুর্নীতির অংশীদার। পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এসে আপোষের পথ বেছে নেয়নি। আন্তর্জাতিক আদালতে দীর্ঘ লড়াই চালিয়ে প্রমাণ করেছে—বাংলাদেশ আর লুটেরাদের জন্য
নিরাপদ আশ্রয় নয়। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে রাষ্ট্রীয় স্বার্থ রক্ষায় এই রায় একটি ঐতিহাসিক বিজয়। নাইকো মামলার রায় আবারও স্পষ্ট করে দিয়েছে— BNP–জামায়াত মানেই ঘুষ, লুটপাট আর রাষ্ট্র ধ্বংসের রাজনীতি। আর আওয়ামী লীগ মানেই বিচার, জবাবদিহি আর দেশের স্বার্থে আপসহীনতা।
ছিলেন তারেক রহমান, তার ঘনিষ্ঠ গিয়াস আল মামুন এবং বিএনপির শীর্ষ মহল। খালেদা জিয়ার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও সংবাদ সম্মেলনে উঠে আসে। যদিও ফৌজদারি অপরাধ হওয়ায় ইকসিড এ বিষয়ে আদেশ দেয়নি, তবে দেশের আদালতে নাইকো দুর্নীতি মামলার বিচার চলমান রয়েছে। ২০০৩ সালে বিএনপি সরকারের সময় বিনা দরপত্রে নাইকোকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। এরপর ২০০৫ সালের জানুয়ারি ও জুনে টেংরাটিলায় ভয়াবহ বিস্ফোরণে ধ্বংস হয় গ্যাসক্ষেত্র, ক্ষতিগ্রস্ত হয় জনজীবন ও পরিবেশ। অথচ তখন দায়ীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। কারণ সরকারই ছিল দুর্নীতির অংশীদার। পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এসে আপোষের পথ বেছে নেয়নি। আন্তর্জাতিক আদালতে দীর্ঘ লড়াই চালিয়ে প্রমাণ করেছে—বাংলাদেশ আর লুটেরাদের জন্য
নিরাপদ আশ্রয় নয়। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে রাষ্ট্রীয় স্বার্থ রক্ষায় এই রায় একটি ঐতিহাসিক বিজয়। নাইকো মামলার রায় আবারও স্পষ্ট করে দিয়েছে— BNP–জামায়াত মানেই ঘুষ, লুটপাট আর রাষ্ট্র ধ্বংসের রাজনীতি। আর আওয়ামী লীগ মানেই বিচার, জবাবদিহি আর দেশের স্বার্থে আপসহীনতা।



