ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বাংলাদেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর সহিংসতা, ২০২৫ সালে উর্ধ্বমুখী সংকট,
চট্টগ্রাম বন্দর কার জন্য? এনসিটি ইস্যুতে জনগণের স্বার্থবিরোধী সিদ্ধান্ত ও রাষ্ট্রীয় দায়
বিনা চিকিৎসায় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে আ.লীগ নেতা আব্দুর রহমান মিয়া’র মৃত্যু
ফ্যাসিস্ট ইউনূসকে বাংলা ওয়াশ করলো ক্ষুব্ধ নারী
“জামায়াত কখনই সনাতনীদের পক্ষে ছিলো না, থাকবেও না; কারণ জামায়াত সনাতনীদের ঘৃণা করে” – সনাতনী কন্ঠ
মুক্তিযুদ্ধ আর বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করাই যদি অপরাধ হয়,তাহলে এই অবৈধ জামাতি ইউনুস সরকার আসলে সত্যকেই সবচেয়ে বেশি ভয় পায়।
যে দেশে সংখ্যালঘুদের সংসদে আসা নিষিদ্ধ, সেই দেশ কার?
ভোটের অধিকার যদি থাকবেই, তবে পছন্দমতো দিতে পারি না কেন?
উপ-শিরোনাম: এক অটোচালকের ক্ষুব্ধ প্রশ্নই এখন সামাজিক মাধ্যমে হাজারো মানুষের কণ্ঠস্বর।
এক নজরে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য,
নেত্রীর প্রতি অবিচল আস্থা, কিন্তু ব্যবস্থার প্রতি ক্ষোভ: শেখ হাসিনা ও ‘নৌকা’ প্রতীকের প্রতি নিঃশর্ত সমর্থন জানালেও, পছন্দের প্রার্থীকে সরাসরি ভোট দিতে না পারার হতাশাও স্পষ্ট তার কণ্ঠে।
রাজনৈতিক কৌশলের তীব্র সমালোচনা: ভোটের আগে দলগুলোর পরস্পরবিরোধী অবস্থান এবং প্রতিপক্ষকে ‘ফ্যাসিবাদী’ বলার পর তাদের কাছেই ভোট চাওয়ার দ্বিচারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।
ভোটের অধিকারের মূল প্রশ্ন: "ভোট আমার পছন্দ মতো দিমু। তো আমি তো পছন্দ মতো কইরা ভোট দিতে পারতাছি না"—এই একটি বাক্যেই ফুটে উঠেছে সাধারণ ভোটারের অসহায়ত্ব।
ভালোবাসাই অধিকার: রাজনৈতিক পছন্দকে ‘ভালোবাসা’র সাথে তুলনা করে তিনি বলেছেন, পছন্দের স্বাধীনতা
মানুষের মৌলিক অধিকার, যা কেড়ে নেওয়া যায় না। বিস্তারিত: ঢাকা: "হেরা বলছে ভোটের অধিকার। তো ভোট আমার পছন্দ মতো দিমু। তো আমি তো পছন্দ মতো কইরা ভোট দিতে পারতাছি না।"—এই সহজ কিন্তু তীক্ষ্ণ প্রশ্নটি এখন ঘুরপাক খাচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। প্রশ্নটি কোনো রাজনৈতিক বিশ্লেষকের নয়, ঢাকার রাস্তায় অটোরিকশা চালানো নাম না জানা এক চালকের। তার অকপট এবং ক্ষুব্ধ বক্তব্য 담া একটি ভিডিও ক্লিপ ছড়িয়ে পড়ার পর তা সাধারণ মানুষের রাজনৈতিক ভাবনা ও হতাশার এক мощной প্রতীক হয়ে উঠেছে। ভিডিওর শুরুতে তাকে তার ভোটাধিকার নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি দ্ব্যর্থহীনভাবে জানান, তার ভোট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ‘নৌকা’ প্রতীকের জন্য নির্ধারিত। তার ভাষায়, "আমি
শেখ হাসিনারেই ভোট দিমু, নৌকারেই ভোট দিমু।" তবে এরপরেই তার কথায় ঝরে পড়ে গভীর অভিমান ও ক্ষোভ। তিনি বলেন, যে রাজনৈতিক দল বা নেতাদের এতদিন ‘ফ্যাসিবাদী’ বলে আখ্যা দেওয়া হয়েছে, ভোটের সময় তাদের কাছেই কেন ভোট চাইতে যাওয়া হচ্ছে? তিনি শ্লেষের সুরে বলেন, "এতদিন আছিলো জামায়াতে ইসলামীর কাছে ফ্যাসিবাদ। আপনে কেস-মামলা উঠাইয়া লইবো আওয়ামী লীগের।" তার প্রশ্ন, যদি কোনো পক্ষ সত্যিই ফ্যাসিবাদী হয়, তবে তাদের পুরোপুরি বর্জন না করে ভোটের জন্য তাদের কাছে যাওয়ার কোনো যৌক্তিকতা থাকতে পারে না। তার মতে, "ওই ফ্যাসিবাদীর কাছে তো আর ভোট চাওনের কোনো দরকার আসে না।" এই অটোচালকের বক্তব্যের সবচেয়ে মর্মস্পর্শী দিকটি হলো ভোটের অধিকারের প্রকৃত
অর্থ নিয়ে তার আকুতি। তিনি মনে করেন, ভোটের অধিকার মানে শুধু ভোটকেন্দ্রে যাওয়া নয়, বরং নিজের স্বাধীন ইচ্ছা ও পছন্দ অনুযায়ী প্রতিনিধি বেছে নেওয়ার স্বাধীনতা। যখন সেই পছন্দের সুযোগ সীমিত হয়ে যায় বা রাজনৈতিক কৌশলের মারপ্যাঁচে তা জটিল হয়ে পড়ে, তখন ভোটের অধিকার তার মূল উদ্দেশ্য হারায়। সবশেষে, তিনি রাজনৈতিক পছন্দকে একটি গভীর মানবিক অনুভূতির সাথে তুলনা করেন। "জামায়াত একজনরে ভালোবাসে, বিএনপি একজনরে ভালোবাসে। ভালোবাসাটাই মানুষের অধিকার।"—তার এই উক্তিটি কেবল রাজনৈতিক পছন্দকেই নয়, বরং মানুষের মত প্রকাশের স্বাধীনতাকেও নির্দেশ করে। একজন সাধারণ নাগরিকের এই unfiltered বক্তব্য প্রমাণ করে, দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে তৃণমূলের মানুষের মনে বহু প্রশ্ন ও অসন্তোষ
জমা হয়েছে। তার এই প্রশ্ন—"ভোটের অধিকার যদি থাকবেই, তবে পছন্দমতো দিতে পারি না কেন?"—এখন আর শুধু তার একার নয়, বরং গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার নিয়ে ভাবা হাজারো মানুষের সম্মিলিত কণ্ঠস্বর।
মানুষের মৌলিক অধিকার, যা কেড়ে নেওয়া যায় না। বিস্তারিত: ঢাকা: "হেরা বলছে ভোটের অধিকার। তো ভোট আমার পছন্দ মতো দিমু। তো আমি তো পছন্দ মতো কইরা ভোট দিতে পারতাছি না।"—এই সহজ কিন্তু তীক্ষ্ণ প্রশ্নটি এখন ঘুরপাক খাচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। প্রশ্নটি কোনো রাজনৈতিক বিশ্লেষকের নয়, ঢাকার রাস্তায় অটোরিকশা চালানো নাম না জানা এক চালকের। তার অকপট এবং ক্ষুব্ধ বক্তব্য 담া একটি ভিডিও ক্লিপ ছড়িয়ে পড়ার পর তা সাধারণ মানুষের রাজনৈতিক ভাবনা ও হতাশার এক мощной প্রতীক হয়ে উঠেছে। ভিডিওর শুরুতে তাকে তার ভোটাধিকার নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি দ্ব্যর্থহীনভাবে জানান, তার ভোট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ‘নৌকা’ প্রতীকের জন্য নির্ধারিত। তার ভাষায়, "আমি
শেখ হাসিনারেই ভোট দিমু, নৌকারেই ভোট দিমু।" তবে এরপরেই তার কথায় ঝরে পড়ে গভীর অভিমান ও ক্ষোভ। তিনি বলেন, যে রাজনৈতিক দল বা নেতাদের এতদিন ‘ফ্যাসিবাদী’ বলে আখ্যা দেওয়া হয়েছে, ভোটের সময় তাদের কাছেই কেন ভোট চাইতে যাওয়া হচ্ছে? তিনি শ্লেষের সুরে বলেন, "এতদিন আছিলো জামায়াতে ইসলামীর কাছে ফ্যাসিবাদ। আপনে কেস-মামলা উঠাইয়া লইবো আওয়ামী লীগের।" তার প্রশ্ন, যদি কোনো পক্ষ সত্যিই ফ্যাসিবাদী হয়, তবে তাদের পুরোপুরি বর্জন না করে ভোটের জন্য তাদের কাছে যাওয়ার কোনো যৌক্তিকতা থাকতে পারে না। তার মতে, "ওই ফ্যাসিবাদীর কাছে তো আর ভোট চাওনের কোনো দরকার আসে না।" এই অটোচালকের বক্তব্যের সবচেয়ে মর্মস্পর্শী দিকটি হলো ভোটের অধিকারের প্রকৃত
অর্থ নিয়ে তার আকুতি। তিনি মনে করেন, ভোটের অধিকার মানে শুধু ভোটকেন্দ্রে যাওয়া নয়, বরং নিজের স্বাধীন ইচ্ছা ও পছন্দ অনুযায়ী প্রতিনিধি বেছে নেওয়ার স্বাধীনতা। যখন সেই পছন্দের সুযোগ সীমিত হয়ে যায় বা রাজনৈতিক কৌশলের মারপ্যাঁচে তা জটিল হয়ে পড়ে, তখন ভোটের অধিকার তার মূল উদ্দেশ্য হারায়। সবশেষে, তিনি রাজনৈতিক পছন্দকে একটি গভীর মানবিক অনুভূতির সাথে তুলনা করেন। "জামায়াত একজনরে ভালোবাসে, বিএনপি একজনরে ভালোবাসে। ভালোবাসাটাই মানুষের অধিকার।"—তার এই উক্তিটি কেবল রাজনৈতিক পছন্দকেই নয়, বরং মানুষের মত প্রকাশের স্বাধীনতাকেও নির্দেশ করে। একজন সাধারণ নাগরিকের এই unfiltered বক্তব্য প্রমাণ করে, দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে তৃণমূলের মানুষের মনে বহু প্রশ্ন ও অসন্তোষ
জমা হয়েছে। তার এই প্রশ্ন—"ভোটের অধিকার যদি থাকবেই, তবে পছন্দমতো দিতে পারি না কেন?"—এখন আর শুধু তার একার নয়, বরং গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার নিয়ে ভাবা হাজারো মানুষের সম্মিলিত কণ্ঠস্বর।



