ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নাইকো কেলেঙ্কারি: তারেক মামুনের কারণে টেংরাটিলায় বিলিয়ন ডলারের গ্যাস ক্ষতি
নাইকোর বিরুদ্ধে জয়: বিএনপি–জামায়াতের ঘুষের রাজনীতির আন্তর্জাতিক দণ্ড
বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলির নির্দেশ দেননি শেখ হাসিনা’—জয়ের দাবির পক্ষে জোরালো যুক্তি বার্গম্যানের
গণভোটে সরকারি প্রচারণা ও রিট পিটিশন ১২০১/২০২৬: আইন লঙ্ঘন নাকি নজির? বিতর্কের মধ্যেই ‘হ্যাঁ’ ভোটের জয়
১৬ কোটি টাকা নিয়ে ভুয়া কাগজ! প্রেস সচিবের ভাইয়ের ধোঁকায় এখন নিঃস্ব ডা. শাহরিয়ার
নৌকা প্রতীক ছাড়া নির্বাচনের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন শেখ হাসিনা।
‘দায়মুক্তি’ শীর্ষক
নারীদের ঘরের বাইরে কাজ করাকে ‘পতিতাবৃত্তি’র সাথে তুলনা করে জামায়াত আমিরের এক্স হ্যান্ডেল থেকে পোস্ট
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের ভেরিফায়েড এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট থেকে নারীদের নেতৃত্ব ও ঘরের বাইরে কাজ করা নিয়ে অত্যন্ত বিতর্কিত ও অবমাননাকর একটি পোস্ট ছড়িয়ে পড়েছে। ওই পোস্টে নারীদের ঘরের বাইরে কাজ করাকে ‘পতিতাবৃত্তির’ সাথে তুলনা করায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় ওঠে। পরবর্তীতে পোস্টটি ডিলিট করে অ্যাকাউন্টটি হ্যাক হয়েছিল বলে দাবি করেছে তার মিডিয়া বা অ্যাডমিন প্যানেল।
শনিবার ডা. শফিকুর রহমানের অফিসিয়াল এক্স হ্যান্ডেলে করা ওই পোস্টে লেখা হয়, “নারীর প্রশ্নে, জামায়াতের অবস্থান বিভ্রান্তিকর বা ক্ষমাপ্রার্থী নয়—এটি নীতিগত। আমরা মনে করি না, নারীদের নেতৃত্বে আসা উচিত। জামায়াতে এটা অসম্ভব। আল্লাহ এটার অনুমতি দেননি।”
পোস্টটিতে নারীদের আধুনিক জীবনযাপন
ও কর্মসংস্থানকে লক্ষ্য করে আরও লেখা হয়, “আমরা বিশ্বাস করি যে, আধুনিকতার নামে যখন নারীদের ঘর থেকে বের করে দেওয়া হয়, তখন তারা শোষণ, নৈতিক অবক্ষয় এবং নিরাপত্তাহীনতার মুখোমুখি হয়। এটি পতিতাবৃত্তির আরেকটি রূপ।” এতে আরও উল্লেখ করা হয়, “সোশ্যাল মিডিয়ার অশ্লীলতা, কর্মক্ষেত্রে হয়রানি এবং নারীদের পণ্যে পরিণত করা অগ্রগতির লক্ষণ নয়—এগুলি নৈতিক পতনের লক্ষণ।” পোস্টের শেষের দিকে বলা হয়, “আমরা অনৈতিকতার সাথে আপস করতে অস্বীকার করি, তা যতই ফ্যাশনেবল হোক না কেন।” মুহূর্তের মধ্যেই পোস্টটির স্ক্রিনশট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং বিভিন্ন মহল থেকে তীব্র প্রতিক্রিয়া আসতে শুরু করে। নেটিজেনরা এই বক্তব্যকে নারীবিদ্বেষী এবং মধ্যযুগীয় বলে আখ্যায়িত করেন। নারীদের কর্মসংস্থানকে
‘পতিতাবৃত্তির’ সাথে তুলনা করায় সাধারণ জনগণ ও নারী অধিকার কর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। প্রচণ্ড সমালোচনার মুখে কিছুক্ষণ পরেই পোস্টটি জামায়াত আমিরের অ্যাকাউন্ট থেকে সরিয়ে ফেলা হয়। পরবর্তীতে অ্যাডমিন প্যানেলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয় যে, ডা. শফিকুর রহমানের অ্যাকাউন্টটি হ্যাক করা হয়েছিল এবং বিতর্কিত পোস্টটি তাদের বা আমিরের দেওয়া নয়। হ্যাকাররা বিভ্রান্তি ছড়ানোর উদ্দেশ্যে এমন পোস্ট করেছে বলে তারা উল্লেখ করেন। উল্লেখ্য, জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতার অ্যাকাউন্ট থেকে এমন স্পর্শকাতর বিষয়ে মন্তব্য এবং পরবর্তীতে হ্যাকিংয়ের দাবি—পুরো বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
ও কর্মসংস্থানকে লক্ষ্য করে আরও লেখা হয়, “আমরা বিশ্বাস করি যে, আধুনিকতার নামে যখন নারীদের ঘর থেকে বের করে দেওয়া হয়, তখন তারা শোষণ, নৈতিক অবক্ষয় এবং নিরাপত্তাহীনতার মুখোমুখি হয়। এটি পতিতাবৃত্তির আরেকটি রূপ।” এতে আরও উল্লেখ করা হয়, “সোশ্যাল মিডিয়ার অশ্লীলতা, কর্মক্ষেত্রে হয়রানি এবং নারীদের পণ্যে পরিণত করা অগ্রগতির লক্ষণ নয়—এগুলি নৈতিক পতনের লক্ষণ।” পোস্টের শেষের দিকে বলা হয়, “আমরা অনৈতিকতার সাথে আপস করতে অস্বীকার করি, তা যতই ফ্যাশনেবল হোক না কেন।” মুহূর্তের মধ্যেই পোস্টটির স্ক্রিনশট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং বিভিন্ন মহল থেকে তীব্র প্রতিক্রিয়া আসতে শুরু করে। নেটিজেনরা এই বক্তব্যকে নারীবিদ্বেষী এবং মধ্যযুগীয় বলে আখ্যায়িত করেন। নারীদের কর্মসংস্থানকে
‘পতিতাবৃত্তির’ সাথে তুলনা করায় সাধারণ জনগণ ও নারী অধিকার কর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। প্রচণ্ড সমালোচনার মুখে কিছুক্ষণ পরেই পোস্টটি জামায়াত আমিরের অ্যাকাউন্ট থেকে সরিয়ে ফেলা হয়। পরবর্তীতে অ্যাডমিন প্যানেলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয় যে, ডা. শফিকুর রহমানের অ্যাকাউন্টটি হ্যাক করা হয়েছিল এবং বিতর্কিত পোস্টটি তাদের বা আমিরের দেওয়া নয়। হ্যাকাররা বিভ্রান্তি ছড়ানোর উদ্দেশ্যে এমন পোস্ট করেছে বলে তারা উল্লেখ করেন। উল্লেখ্য, জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতার অ্যাকাউন্ট থেকে এমন স্পর্শকাতর বিষয়ে মন্তব্য এবং পরবর্তীতে হ্যাকিংয়ের দাবি—পুরো বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।



