ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ভাষা শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা
শহীদ মিনারে রুমিন ফারহানাকে বাধা, মহাসড়ক অবরোধ
ভূমিকম্পে কাঁপল দেশ
ভারতীয়দের ভিসা দেওয়া শুরু করল বাংলাদেশ
৫৫০ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ, তদন্ত চলমান থাকা স্বত্বেও নির্বাচনের ৩দিন আগে ফয়েজ আহমদ তৈয়্যবকে সেইফ এক্সিট দিলো ইউনূস; নেপথ্যে কোন স্বার্থ?
নিজের অর্থ সম্পদ বাড়িয়ে নিয়েছে কিন্তু দেশের অর্থনীতিকে করেছে পঙ্গু
‘জামায়াতের হাত থেকে বাঁচতে নাকে রুমাল দিয়ে বিএনপিকে ভোট দিয়েছে মানুষ’: সাংবাদিক নুরুল কবির
১৬ কোটি টাকা নিয়ে ভুয়া কাগজ! প্রেস সচিবের ভাইয়ের ধোঁকায় এখন নিঃস্ব ডা. শাহরিয়ার
রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান এসেনশিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড (ইডিসিএল)-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) পদ ঘিরে এক নজিরবিহীন দুর্নীতির অভিযোগ সামনে এসেছে। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলমের ভাই ডা. আবু নছর মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে এই পদ পাইয়ে দিতে ৩০ কোটি টাকার চুক্তি এবং ১৬ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে এবং খোদ প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের ভুয়া নথিপত্র তৈরি করে এই জালিয়াতি করা হয়েছে বলে দাবি ভুক্তভোগী পক্ষের।
অনুসন্ধানে জানা যায়, প্রেস সচিবের ভাই ডা. আবু নছর মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ এই পুরো প্রক্রিয়ার মূল ‘নেপথ্য কারিগর’। অভিযোগ রয়েছে, তিনি তার ভাইয়ের (প্রেস সচিব) প্রভাব খাটিয়ে ইডিসিএল-এর বর্তমান এমডিকে সরিয়ে
ডা. হাসান শাহরিয়ার কবিরকে সেই পদে বসানোর প্রতিশ্রুতি দেন। এই কাজের বিনিময়ে ডা. হাসান শাহরিয়ার কবিরের সঙ্গে মোট ৩০ কোটি টাকার চুক্তি করেন ডা. আবু নছর। চুক্তির শর্ত মোতাবেক, কাজ হওয়ার আগেই ‘অ্যাডভান্স’ হিসেবে ১৬ কোটি টাকা চেকের মাধ্যমে গ্রহণ করেন প্রেস সচিবের ভাই। বাকি ১৪ কোটি টাকা নিয়োগপত্র পাওয়ার পর পরিশোধের কথা ছিল। ভুক্তভোগীদের দাবি, প্রেস সচিবের ভাই হওয়ার সুবাদে ডা. আব্দুল্লাহর ওপর সহজেই আস্থা রেখেছিলেন তারা, আর সেই সুযোগটিই কাজে লাগিয়েছেন তিনি। অভিযোগে প্রকাশ পায়, ১৬ কোটি টাকা নেওয়ার পর ডা. আব্দুল্লাহ বিশ্বাস অর্জনের জন্য জালিয়াতির আশ্রয় নেন। তিনি ‘প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়’-এর নামাঙ্কিত প্যাডে একটি হাতে লেখা সুপারিশনামা এবং নিয়োগ
সংক্রান্ত নথি ডা. শাহরিয়ার কবিরের হাতে তুলে দেন। এসব নথিতে প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব এবং প্রশাসন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা খলিলের স্বাক্ষর ব্যবহার করা হয়। কিন্তু পরবর্তীতে যাচাই-বাছাই করে দেখা যায়, এই চিঠি, প্যাড এবং স্বাক্ষর—সবই ভুয়া। প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর থেকে এমন কোনো নির্দেশনা কখনোই জারি করা হয়নি। মূলত প্রেস সচিবের ভাইয়ের পরিচয় ব্যবহার করে ভুয়া নথির মাধ্যমে এই বিপুল অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। প্রতারণার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর ভুক্তভোগী ডা. হাসান শাহরিয়ার কবির ও তার পক্ষ থেকে বিষয়টি প্রেস সচিব শফিকুল আলমের নজরে আনার চেষ্টা করা হয়। অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রেস সচিবের সঙ্গে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ
করেননি এবং বিষয়টি এড়িয়ে গেছেন। ভাইয়ের এমন কর্মকাণ্ডে প্রেস সচিবের নীরবতা বা যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতা ঘটনাটিকে আরও রহস্যময় করে তুলেছে। সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, রাষ্ট্রের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা ব্যক্তির পরিবারের সদস্য যখন এমন জালিয়াতিতে জড়িয়ে পড়েন, তখন তা সরকারের ভাবমূর্তির জন্য বড় হুমকির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। প্রেস সচিবের ভাইয়ের বিরুদ্ধে ওঠা এই অভিযোগ যদি সত্য হয়, তবে তা প্রশাসনের স্বচ্ছতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করবে। ভুক্তভোগীদের দাবি, অবিলম্বে ডা. আবু নছর মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহর ব্যাংক হিসাব তলব এবং জালিয়াতির সুষ্ঠু তদন্ত করে ১৬ কোটি টাকা উদ্ধার ও দোষীদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে। অন্যথায় সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের আত্মীয়রা এমন অপরাধে আরও উৎসাহিত হবে।
ডা. হাসান শাহরিয়ার কবিরকে সেই পদে বসানোর প্রতিশ্রুতি দেন। এই কাজের বিনিময়ে ডা. হাসান শাহরিয়ার কবিরের সঙ্গে মোট ৩০ কোটি টাকার চুক্তি করেন ডা. আবু নছর। চুক্তির শর্ত মোতাবেক, কাজ হওয়ার আগেই ‘অ্যাডভান্স’ হিসেবে ১৬ কোটি টাকা চেকের মাধ্যমে গ্রহণ করেন প্রেস সচিবের ভাই। বাকি ১৪ কোটি টাকা নিয়োগপত্র পাওয়ার পর পরিশোধের কথা ছিল। ভুক্তভোগীদের দাবি, প্রেস সচিবের ভাই হওয়ার সুবাদে ডা. আব্দুল্লাহর ওপর সহজেই আস্থা রেখেছিলেন তারা, আর সেই সুযোগটিই কাজে লাগিয়েছেন তিনি। অভিযোগে প্রকাশ পায়, ১৬ কোটি টাকা নেওয়ার পর ডা. আব্দুল্লাহ বিশ্বাস অর্জনের জন্য জালিয়াতির আশ্রয় নেন। তিনি ‘প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়’-এর নামাঙ্কিত প্যাডে একটি হাতে লেখা সুপারিশনামা এবং নিয়োগ
সংক্রান্ত নথি ডা. শাহরিয়ার কবিরের হাতে তুলে দেন। এসব নথিতে প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব এবং প্রশাসন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা খলিলের স্বাক্ষর ব্যবহার করা হয়। কিন্তু পরবর্তীতে যাচাই-বাছাই করে দেখা যায়, এই চিঠি, প্যাড এবং স্বাক্ষর—সবই ভুয়া। প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর থেকে এমন কোনো নির্দেশনা কখনোই জারি করা হয়নি। মূলত প্রেস সচিবের ভাইয়ের পরিচয় ব্যবহার করে ভুয়া নথির মাধ্যমে এই বিপুল অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। প্রতারণার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর ভুক্তভোগী ডা. হাসান শাহরিয়ার কবির ও তার পক্ষ থেকে বিষয়টি প্রেস সচিব শফিকুল আলমের নজরে আনার চেষ্টা করা হয়। অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রেস সচিবের সঙ্গে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ
করেননি এবং বিষয়টি এড়িয়ে গেছেন। ভাইয়ের এমন কর্মকাণ্ডে প্রেস সচিবের নীরবতা বা যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতা ঘটনাটিকে আরও রহস্যময় করে তুলেছে। সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, রাষ্ট্রের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা ব্যক্তির পরিবারের সদস্য যখন এমন জালিয়াতিতে জড়িয়ে পড়েন, তখন তা সরকারের ভাবমূর্তির জন্য বড় হুমকির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। প্রেস সচিবের ভাইয়ের বিরুদ্ধে ওঠা এই অভিযোগ যদি সত্য হয়, তবে তা প্রশাসনের স্বচ্ছতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করবে। ভুক্তভোগীদের দাবি, অবিলম্বে ডা. আবু নছর মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহর ব্যাংক হিসাব তলব এবং জালিয়াতির সুষ্ঠু তদন্ত করে ১৬ কোটি টাকা উদ্ধার ও দোষীদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে। অন্যথায় সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের আত্মীয়রা এমন অপরাধে আরও উৎসাহিত হবে।



