ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ ডিগ্রি রাজশাহীতে রেকর্ড
নাটোরে নির্জন স্থানে মিললো তরুণীর রক্তাক্ত মরদেহ
নারায়ণগঞ্জে ঘরের ভেতর ঢুকে গু’লি করে খু’ন—এটাই বিএনপির রাজনীতি
“খুন-খারাপি, মাদক সবকিছু বাড়তাছে; এহন চাঁদাবাজিও চলে ওপেনে ” –জনতার কন্ঠ
সদস্য সচিব মাহদীকে ‘ল্যাংটা করে পেটানোর’ হুমকি সাবেক সমন্বয়ক রাশেদার
কাফনের কাপড়সহ বিএনপি প্রার্থীকে চিঠি দিল কারা
দিনাজপুরে গভীর রাতে চাঁদাবাজি করতে গিয়ে এনসিপি নেতা ও সহযোগী আটক
সদস্য সচিব মাহদীকে ‘ল্যাংটা করে পেটানোর’ হুমকি সাবেক সমন্বয়ক রাশেদার
নিজস্ব প্রতিবেদক, হবিগঞ্জ:
হবিগঞ্জে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক রাশেদা বেগম এবং বর্তমান সদস্য সচিব মাহদীর মধ্যকার অভ্যন্তরীণ কোন্দল এবার প্রকাশ্যে এসেছে। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি অডিও ক্লিপ ভাইরাল হয়েছে, যেখানে রাশেদা বেগমকে অত্যন্ত উত্তেজিত অবস্থায় মাহদীকে হুমকি দিতে ও গুরুতর দুর্নীতির অভিযোগ করতে শোনা গেছে।
ভাইরাল হওয়া ওই অডিও রেকর্ডে রাশেদা বেগমকে বলতে শোনা যায়, তিনি মাহদীকে জনসমক্ষে মারধর ও অপদস্থ করবেন। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "আমি রাশেদা যদি মাহদিরে সবার সামনে না কুপাইছি, আল্লাহর কসম রে ভাই... মাহদিরে আমি ল্যাংটা করমু, ল্যাংটা কইরা হবিগঞ্জে আমি দেখামু।"
অডিওবার্তায় রাশেদা বেগম মাহদীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও আয়ের উৎস নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তোলেন। তিনি
অভিযোগ করে বলেন, "চাঁদাবাজি হইছে, কুকর্মগুলা করছে। মাহদী আইফোন কিনল কই থিকা? গাড়ি কিনল কই থিকা? তারা শহীদ ফ্যামিলিরে গরু কিনা দিল কই থিকা? আমার প্রত্যেকটা প্রশ্নের উত্তর দাও।" এছাড়াও রাশেদা দাবি করেন, তিনি পড়াশোনার জন্য পদত্যাগ করেছিলেন এবং সেই সময় কোনো বিবাদে জড়াননি। কিন্তু পরবর্তীতে মাহদী ও তার অনুসারীরা তাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করেছেন বলে তিনি অভিযোগ করেন। তিনি আরও দাবি করেন, মাহদী তার স্বাক্ষর জালিয়াতি করে বিভিন্ন নথিপত্র তৈরি করেছেন। এ বিষয়ে রাশেদা বলেন, "এই চ্যাংটা ফোলা আমার স্বাক্ষরগুলা নকল কইরা যা করছে, এর জবাব তাকে দিতে হবে। ইতিহাস ক্ষমা করে না।" আন্দোলনের শুরুর দিকে মাহদীকে ছোট ভাইয়ের মতো দেখতেন
জানিয়ে রাশেদা আক্ষেপ করে বলেন, "তুমি যেমন মাহদিরে ভালোবাসো, আমিও মাহদিরে ভালোবাসি। ছোট ভাই মনে করি বিধায় হাসপাতালে পইড়া রইছি। কিন্তু আজকে তারা আমার বিরুদ্ধে কথা বলে, আমাকে ব্লেম দেয়, আমার সম্মানহানি করে।" এই অডিও ফাঁস হওয়ার পর হবিগঞ্জে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। আন্দোলনের স্বচ্ছতা ও নেতৃত্বের সততা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন উঠছে। এ বিষয়ে অভিযুক্ত মাহদীর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
অভিযোগ করে বলেন, "চাঁদাবাজি হইছে, কুকর্মগুলা করছে। মাহদী আইফোন কিনল কই থিকা? গাড়ি কিনল কই থিকা? তারা শহীদ ফ্যামিলিরে গরু কিনা দিল কই থিকা? আমার প্রত্যেকটা প্রশ্নের উত্তর দাও।" এছাড়াও রাশেদা দাবি করেন, তিনি পড়াশোনার জন্য পদত্যাগ করেছিলেন এবং সেই সময় কোনো বিবাদে জড়াননি। কিন্তু পরবর্তীতে মাহদী ও তার অনুসারীরা তাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করেছেন বলে তিনি অভিযোগ করেন। তিনি আরও দাবি করেন, মাহদী তার স্বাক্ষর জালিয়াতি করে বিভিন্ন নথিপত্র তৈরি করেছেন। এ বিষয়ে রাশেদা বলেন, "এই চ্যাংটা ফোলা আমার স্বাক্ষরগুলা নকল কইরা যা করছে, এর জবাব তাকে দিতে হবে। ইতিহাস ক্ষমা করে না।" আন্দোলনের শুরুর দিকে মাহদীকে ছোট ভাইয়ের মতো দেখতেন
জানিয়ে রাশেদা আক্ষেপ করে বলেন, "তুমি যেমন মাহদিরে ভালোবাসো, আমিও মাহদিরে ভালোবাসি। ছোট ভাই মনে করি বিধায় হাসপাতালে পইড়া রইছি। কিন্তু আজকে তারা আমার বিরুদ্ধে কথা বলে, আমাকে ব্লেম দেয়, আমার সম্মানহানি করে।" এই অডিও ফাঁস হওয়ার পর হবিগঞ্জে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। আন্দোলনের স্বচ্ছতা ও নেতৃত্বের সততা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন উঠছে। এ বিষয়ে অভিযুক্ত মাহদীর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।



