ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তেলের লাইনে মৃত্যু—এটা কি শুধু একটি দুর্ঘটনা, নাকি রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতার নির্মম প্রতিচ্ছবি?
নড়াইলে প্রাচীর তুলে ২৫ হিন্দু পরিবারের রাস্তা অবরুদ্ধ
বিএনপির পর এবার এনসিপিতে যোগ দিলেন পুরান ঢাকার কুখ্যাত চাঁদাবাজ ইসহাক সরকার
বাংলাদেশকে হামের উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত করল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
ঝিনাইদহ সীমান্তে আফগান নাগরিকের লাশ উদ্ধার: “বাংলাদেশে এলেন কীভাবে?”; রহস্যময় ঘটনা সীমান্ত এলাকায়
ঢাকা জেলার অংশ হলো পূর্বাচল
রাজধানীর যেসব এলাকায় আজ গ্যাসের স্বল্পচাপ থাকবে
চট্টগ্রামে সাবেক সংসদ সদস্যের বাড়ি লক্ষ্য করে গুলি, চাঁদা দাবির অভিযোগ
চট্টগ্রামে সাবেক সংসদ সদস্য ও ব্যবসায়ী মুজিবুর রহমানের বাড়ি লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে সন্ত্রাসীরা। শুক্রবার ভোরে নগরের চকবাজার থানার চন্দনপুরা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
মুজিবুর রহমান চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ ছিলেন। তিনি ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে চট্টগ্রাম-১৬ বাঁশখালী আসন থেকে স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচন করে সংসদ সদস্য হয়েছিলেন। তিনি স্মার্ট গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক।
ঘটনার সময় মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা বাড়িতেই ছিলেন। তবে গুলিতে কেউ হতাহত হননি।
পুলিশের ধারণা, বিদেশে পলাতক চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী খানের অনুসারীরাই এ ঘটনায় জড়িত। ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছে। হামলাকারীদের শনাক্তে চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ কর্মকর্তারা।
ঘটনার সত্যতা
নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (দক্ষিণ বিভাগ) উপকমিশনার হোসাইন কবির ভূঁইয়া। তিনি জানান, একটি মাইক্রোবাসে করে প্রায় আটজন মুখোশধারী এসে পিস্তল উঁচিয়ে গুলি ছুড়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। চাঁদার দাবিতে ভয় দেখাতেই বাড়ির সামনে ও পেছনে একাধিক রাউন্ড গুলি করা হয়েছে। মুজিবুর রহমান জানান, মাস দেড়েক আগে দুবাইভিত্তিক একটি নম্বর থেকে তাকে ফোন করে সাজ্জাদ আলীর পরিচয় দিয়ে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছিল। বিষয়টি তিনি গুরুত্ব দেননি। দুই দফা ফোন আসার পরও তিনি কাউকে জানাননি। শুক্রবার ভোরে হামলার সময় তিনি ঘুমিয়ে ছিলেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও স্থানীয় সূত্র বলছে, বায়েজিদ বোস্তামীর জান আলী নগর চালিতাতলী এলাকার আব্দুল গনি কন্ট্রাক্টরের ছেলে সাজ্জাদ আলী খান ওরফে বড়
সাজ্জাদ। ২০০৪ সালে জামিনে বেরিয়ে বিদেশে পালিয়ে যায় শীর্ষ এই সন্ত্রাসী। ইন্টারপোলের রেড নোটিশধারী এই সন্ত্রাসী বিদেশে বসে চট্টগ্রাম নগরের অপরাধজগৎ নিয়ন্ত্রণ করে। বিদেশ থেকে ফোন দিয়ে চাঁদা দাবি করে বড় সাজ্জাদ। চাঁদা দিতে কেউ অস্বীকার করলে গুলি করে কিংবা কারখানা জ্বালিয়ে দেয় দেশে থাকা তার সহযোগীরা।
নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (দক্ষিণ বিভাগ) উপকমিশনার হোসাইন কবির ভূঁইয়া। তিনি জানান, একটি মাইক্রোবাসে করে প্রায় আটজন মুখোশধারী এসে পিস্তল উঁচিয়ে গুলি ছুড়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। চাঁদার দাবিতে ভয় দেখাতেই বাড়ির সামনে ও পেছনে একাধিক রাউন্ড গুলি করা হয়েছে। মুজিবুর রহমান জানান, মাস দেড়েক আগে দুবাইভিত্তিক একটি নম্বর থেকে তাকে ফোন করে সাজ্জাদ আলীর পরিচয় দিয়ে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছিল। বিষয়টি তিনি গুরুত্ব দেননি। দুই দফা ফোন আসার পরও তিনি কাউকে জানাননি। শুক্রবার ভোরে হামলার সময় তিনি ঘুমিয়ে ছিলেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও স্থানীয় সূত্র বলছে, বায়েজিদ বোস্তামীর জান আলী নগর চালিতাতলী এলাকার আব্দুল গনি কন্ট্রাক্টরের ছেলে সাজ্জাদ আলী খান ওরফে বড়
সাজ্জাদ। ২০০৪ সালে জামিনে বেরিয়ে বিদেশে পালিয়ে যায় শীর্ষ এই সন্ত্রাসী। ইন্টারপোলের রেড নোটিশধারী এই সন্ত্রাসী বিদেশে বসে চট্টগ্রাম নগরের অপরাধজগৎ নিয়ন্ত্রণ করে। বিদেশ থেকে ফোন দিয়ে চাঁদা দাবি করে বড় সাজ্জাদ। চাঁদা দিতে কেউ অস্বীকার করলে গুলি করে কিংবা কারখানা জ্বালিয়ে দেয় দেশে থাকা তার সহযোগীরা।



