ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বহু নারী-শিশুকে অন্যায়ভাবে বাংলাদেশ সীমান্তে ঠেলে দিচ্ছে বিএসএফ
তোফায়েল আহমেদ: ইতিহাসের এক অবিনাশী অধ্যায়
দূষণের মাত্রা বেড়েছে ঢাকার বাতাসে
শিশু হত্যা ও ধর্ষণ: রাষ্ট্রের ব্যর্থতা নাকি সমাজের অবক্ষয়?
স্বাধীনতোত্তর রাজনৈতিক সংগ্রামে তোফায়েল আহমেদ
‘মে মাসেই নারী ও শিশু নির্যাতন ৩২৬, ধর্ষণ বেড়েছে ৪৪ শতাংশ’
‘ভ্যানিটি ব্যাগে পদত্যাগপত্র’ — মতিউর রহমান চৌধুরীর দাবি সত্য হলে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার অবৈধ?
বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি
দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী এবং বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব, বেগম খালেদা জিয়া আজ ৮০ বছর বয়সে পরলোক গমন করেছেন। তার জীবন ও কর্ম ছিল দেশ এবং দেশের রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত — সংগ্রাম, সহ্য ক্ষমতা এবং দৃঢ় সংকল্পের প্রতীক হিসেবে।
১৯৪৫ সালে দিনাজপুরে জন্মগ্রহণ করা খালেদা জিয়া ১৯৮১ সালে তাঁর স্বামী, রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হত্যাকাণ্ডের পর রাজনৈতিক জীবনে প্রবেশ করেন। ব্যক্তিগত শোককে শক্তিতে রূপান্তরিত করে তিনি বিএনপির নেতৃত্ব গ্রহণ করেন এবং দেশকে রাজনৈতিক পরিবর্তন ও সংঘাতের সময়ে নেতৃত্ব দেন। ১৯৯১–১৯৯৬ এবং ২০০১–২০০৬ সালে দুইবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
নিজ দলের সমর্থকদের কাছে তিঁনি দৃঢ়তা ও নেতৃত্বের প্রতীক ছিলেন; সমালোচকদের
কাছে তিঁনি ছিলেন বাংলাদেশি রাজনীতির বিভাজনের প্রতীক। তবে কারও সন্দেহ নেই, তিনি দেশের আধুনিক রাজনৈতিক ইতিহাসের এক অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র। রাজনৈতিক বেদনার বাইরে, যারা তাঁকে ব্যক্তিগতভাবে চেনেন তারা মনে করেন তিনি ছিলেন ধৈর্যশীল, দায়িত্বপরায়ণ এবং দেশের প্রতি গভীর প্রীতি ও সংযোগে আবদ্ধ। তার জীবন ও কর্মকাণ্ড বাংলাদেশের ইতিহাসের সঙ্গে চিরকাল সম্পর্কিত থাকবে। খালেদা জিয়া এক অনুপ্রেরণা হয়ে বেঁচে থাকবেন তাঁর পরিবার, সহকর্মী এবং সমর্থকদের মনে। তাঁর রাজনৈতিক অবদান দেশের ইতিহাসে চিরস্মরণীয়ভাবে বিদ্যমান থাকবে।
কাছে তিঁনি ছিলেন বাংলাদেশি রাজনীতির বিভাজনের প্রতীক। তবে কারও সন্দেহ নেই, তিনি দেশের আধুনিক রাজনৈতিক ইতিহাসের এক অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র। রাজনৈতিক বেদনার বাইরে, যারা তাঁকে ব্যক্তিগতভাবে চেনেন তারা মনে করেন তিনি ছিলেন ধৈর্যশীল, দায়িত্বপরায়ণ এবং দেশের প্রতি গভীর প্রীতি ও সংযোগে আবদ্ধ। তার জীবন ও কর্মকাণ্ড বাংলাদেশের ইতিহাসের সঙ্গে চিরকাল সম্পর্কিত থাকবে। খালেদা জিয়া এক অনুপ্রেরণা হয়ে বেঁচে থাকবেন তাঁর পরিবার, সহকর্মী এবং সমর্থকদের মনে। তাঁর রাজনৈতিক অবদান দেশের ইতিহাসে চিরস্মরণীয়ভাবে বিদ্যমান থাকবে।



