ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
দেশজুড়ে চলছে ‘জামায়াতি মুক্তকরণ’: তারেক সরকারের পদক্ষেপে ইউনূসতন্ত্রের জামায়াতিকরণের অবসান?
ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ বিভিন্ন অভিযোগ, শাস্তি চেয়ে বিক্ষোভ
বিএনপি ক্ষমতা নিলেই দেশে শুরু হয় ধর্ষণের মহোৎসব
মব, মিথ্যা মামলা আর কারাগারে মৃত্যু; এটাই কি বিএনপির “নতুন রাজনীতি”?
ভূমি দস্যুদের হাতেই প্রশাসন! দখলদারকে প্রশাসক বানিয়ে বিএনপি দেখাল তাদের আসল চেহারা
বিএনপির বাংলাদেশ: রাতে গুলি, সকালে তদন্ত, বিকেলে ভুলে যাওয়া
একমাসের ব্যবধানে মাদকসহ আটকের পর এবার চাঁদাবাজির মামলায় গ্রেপ্তার ছাত্রদলের আহ্বায়ক
আ.লীগ ও জাপার ৯ নেতা কারাগারে
বরিশালে পৃথক দুটি রাজনৈতিক মামলায় রাজনীতি নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির (জাপা) ৯ নেতাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। উচ্চাদালতের জামিন শেষে রোববার (০২ নভেম্বর) বরিশাল জেলা ও দায়রা জজ আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন।
এ সময় প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ নাসরিন জাহান জামিন না মঞ্জুর করে তাদেরকে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন।
কারাগারে যাওয়া নেতারা হলেন বরিশালের হিজলা উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বড়জালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সাহাবুদ্দিন পন্ডিত, ইউপি সদস্য মোশারেফ তালুকদার ও ইলিয়াস মেলকার, যুবলীগ নেতা কাজী লিয়াকত হোসেন এবং হুমায়ন কবির।
এ ছাড়া গণধিকার পরিষদ নেতার মামলায় কারাগারে যাওয়া জাপা নেতারা হলেন আক্তার রহমান সপ্রু,
রফিকুল ইসলাম গফুর, নজরুল ইসলাম ও মো. জুম্মান। মামলার বরাতে বেঞ্চ সহকারী কামরুল ইসলাম জানান, গত ২০ জুলাই হিজলা উপজেলার বড়জালিয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আতংক সৃষ্টির অভিযাগে একটি মামলা করা হয়। মামলার আসামি হিসেবে আওয়ামী লীগের নেতারা উচ্চাদালত থেকে ৬ সপ্তাহের জামিনে ছিলেন। মেয়াদ শেষে আদালত হাজির হয়ে পুনরায় জামিনের আবেদন করেন। বিচারক আবেদন না মঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠিয়েছেন। অপরদিকে, গত ৩১ মে বরিশাল নগরীতে জাতীয় পার্টি একটি মিছিল বের করে। মিছিলে প্রধান উপদেষ্টাসহ অন্তবর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের কটূক্তি করে। ঘটনাস্থলে থাকা গণঅধিকার পরিষদের নেতারা সরকার বিরোধী স্লোগান না দেওয়ার অনুরোধ করে। তখন
জাতীয় পার্টির নেতারা হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা করে গণঅধিকার নেতাকর্মীদের আহত করে। এ ঘটনায় গণঅধিকার পরিষদের মহানগরের সহসভাপতি শফিকুল ইসলাম সাগর বাদী হয়ে মামলা করেন। ওই মামলার আসামি হিসেবে জাতীয় পার্টির নেতারা উচ্চ আদালত থেকে জামিন নেয়। জামিনের মেয়াদ বাড়াতে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মহসিন উল ইসলাম হাবুলসহ ৫ নেতা আদালতে হাজির হয়। বিচারক মহসিন উল ইসলাম হাবুলের জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন এবং অপর চারজনের আবেদন না মঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠিয়েছেন।
রফিকুল ইসলাম গফুর, নজরুল ইসলাম ও মো. জুম্মান। মামলার বরাতে বেঞ্চ সহকারী কামরুল ইসলাম জানান, গত ২০ জুলাই হিজলা উপজেলার বড়জালিয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আতংক সৃষ্টির অভিযাগে একটি মামলা করা হয়। মামলার আসামি হিসেবে আওয়ামী লীগের নেতারা উচ্চাদালত থেকে ৬ সপ্তাহের জামিনে ছিলেন। মেয়াদ শেষে আদালত হাজির হয়ে পুনরায় জামিনের আবেদন করেন। বিচারক আবেদন না মঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠিয়েছেন। অপরদিকে, গত ৩১ মে বরিশাল নগরীতে জাতীয় পার্টি একটি মিছিল বের করে। মিছিলে প্রধান উপদেষ্টাসহ অন্তবর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের কটূক্তি করে। ঘটনাস্থলে থাকা গণঅধিকার পরিষদের নেতারা সরকার বিরোধী স্লোগান না দেওয়ার অনুরোধ করে। তখন
জাতীয় পার্টির নেতারা হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা করে গণঅধিকার নেতাকর্মীদের আহত করে। এ ঘটনায় গণঅধিকার পরিষদের মহানগরের সহসভাপতি শফিকুল ইসলাম সাগর বাদী হয়ে মামলা করেন। ওই মামলার আসামি হিসেবে জাতীয় পার্টির নেতারা উচ্চ আদালত থেকে জামিন নেয়। জামিনের মেয়াদ বাড়াতে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মহসিন উল ইসলাম হাবুলসহ ৫ নেতা আদালতে হাজির হয়। বিচারক মহসিন উল ইসলাম হাবুলের জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন এবং অপর চারজনের আবেদন না মঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠিয়েছেন।



