পুঁজিবাজারে সাপ্তাহিক লেনদেনে ধস, গড় লেনদেন কমেছে ৩৯% – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২২ September, ২০২৫

আরও খবর

৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরির দাবিতে উত্তাল শিল্পাঞ্চল, মিরপুরে সড়ক অবরোধ

বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণ পিছিয়ে দিল জাতিসংঘ, নতুন সময়সীমা ২০২৯ সালের ২৪ নভেম্বর

বিশ্বব্যাংক: বছর শেষে জ্বালানির দাম ৩২%, খাদ্যপণ্যে ১০% আর পণ্যমূল্য গড়ে ২৩% বাড়বে

অর্থনীতিবিদদের মূল্যায়ন: দেশে বিনিয়োগের পরিবেশ নেই, নেই বড় অঙ্কের এলসি খোলার গ্রাহকও

বাংলাদেশ জাপানের অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করে বিকল্প অর্থায়নে সহযোগিতা বাড়াতে চায়

দেশের অর্থনীতি ইতিমধ্যে লাইনচ্যুত, সরকারের ঋণ বেড়ে চলেছে, শঙ্কিত অর্থনীতিবিদরা

রাষ্ট্রপতি ফখরুলের ভাইয়ের প্রতিষ্ঠানের ২২ কোটি টাকা মওকুফ খেলাপি ঋণের ভারে ধুঁকতে থাকা জনতা ব্যাংকের

পুঁজিবাজারে সাপ্তাহিক লেনদেনে ধস, গড় লেনদেন কমেছে ৩৯%

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২২ September, ২০২৫ |
দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গত সপ্তাহজুড়ে সূচক ও লেনদেনে বড় ধস দেখা দিয়েছে। ১৪ থেকে ১৮ই সেপ্টেম্বরের পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে তিন দিনেই বাজার ছিল নিম্নমুখী। সপ্তাহজুড়ে এক্সচেঞ্জটির সব সূচক ১ শতাংশের বেশি কমেছে। পাশাপাশি লেনদেন হওয়া সিকিউরিটিজের মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশের দরপতন ঘটেছে। সার্বিকভাবে সাপ্তাহিক গড় লেনদেন কমেছে প্রায় ৩৯ শতাংশ। বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, প্রধান সূচক ডিএসইএক্স গত সপ্তাহে ৭৫ পয়েন্ট বা ১.৩৪ শতাংশ কমে ৫ হাজার ৪৫০ পয়েন্টে নেমে এসেছে। আগের সপ্তাহে সূচকটির অবস্থান ছিল ৫ হাজার ৫২৪ পয়েন্টে। বাছাই করা ৩০ কোম্পানির সূচক ডিএস৩০ কমেছে ৪৪ পয়েন্ট বা ২.০৪ শতাংশ নেমে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ১০৭ পয়েন্টে। শরীয়াহ

সূচক ডিএসইএসও কমেছে ১৮ পয়েন্ট বা ১.৫১ শতাংশ। গত সপ্তাহে ডিএসইতে মোট ৩৯৭টি শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। তালিকাভুক্ত ১৬টি সিকিউরিটিজে কোনো লেনদেন হয়নি। লেনদেন হওয়া সিকিউরিটিজগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে মাত্র ৬৮টির, কমেছে ৩০৬টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ২৩টির। লেনদেনের পরিমাণে বড় পতন লেনদেন চিত্র বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, গত সপ্তাহে দৈনিক গড় লেনদেন হয়েছে ৭০১ কোটি ৭ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে এই পরিমাণ ছিল ১ হাজার ১৪৯ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। অর্থাৎ প্রতিদিন গড়ে লেনদেন কমেছে প্রায় ৪৪৮ কোটি টাকা বা ৩৯.০২ শতাংশ। পুরো সপ্তাহে মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৫০৫ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে এই অঙ্ক ছিল ৫ হাজার ৭৪৮

কোটি ৩১ লাখ টাকা। খাতভিত্তিক অবদান লেনদেনের দিক থেকে সবচেয়ে বেশি অবদান ছিল ওষুধ ও রসায়ন খাতে। প্রতিদিন গড়ে এই খাত থেকে লেনদেন হয়েছে ৯৫ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অবদান রেখেছে ব্যাংক খাত, প্রতিদিন গড়ে ৮০ কোটি ১৪ লাখ টাকা। তৃতীয় স্থানে ছিল প্রকৌশল খাত, প্রতিদিন গড়ে ৭৯ কোটি ১০ লাখ টাকার লেনদেন। এছাড়া বস্ত্র খাত ও খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাত যথাক্রমে প্রতিদিন গড়ে ৭৫ কোটি ২৫ লাখ টাকা এবং ৪৯ কোটি ১৭ লাখ টাকার লেনদেন করেছে। বাজার মূলধন লেনদেন ও সূচকে মন্দাভাবের প্রভাবে গত সপ্তাহে বাজার মূলধনও কমেছে। পাঁচ কার্যদিবসে ডিএসইর মূলধন কমেছে ১৪৫ কোটি ৮৭ লাখ টাকা। বৃহস্পতিবার সপ্তাহ শেষে

এক্সচেঞ্জটির বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ২৪ হাজার ৪৬৬ কোটি ৭২ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে যা ছিল ৭ লাখ ২৪ হাজার ৬১২ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। খাতভিত্তিক রিটার্ন খাতভিত্তিক মুনাফা বিশ্লেষণে দেখা যায়, সপ্তাহজুড়ে মাত্র পাঁচটি খাত ইতিবাচক রিটার্ন দিয়েছে। এর মধ্যে করপোরেট বন্ড খাতে সর্বোচ্চ ২.৮৭ শতাংশ রিটার্ন এসেছে। সেবা ও আবাসন খাতে রিটার্ন ছিল ২.৬২ শতাংশ। বস্ত্র খাতে রিটার্ন এসেছে.৭০ শতাংশ, প্রকৌশল খাতে.৬১ শতাংশ এবং সিমেন্ট খাতে.৪৭ শতাংশ। অন্যদিকে সবচেয়ে বেশি নেতিবাচক রিটার্ন এসেছে আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতে—৬.৫০ শতাংশ। এরপর ভ্রমণ ও অবকাশ খাতে ৫.২৫ শতাংশ এবং জীবন বীমা খাতে ৪.৫৪ শতাংশ নেতিবাচক রিটার্ন এসেছে। চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ একই সময়ে দেশের অপর পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম

স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) সূচক ও লেনদেন উভয়ই কমেছে। প্রধান সূচক সিএএসপিআই কমেছে ১.১৭ শতাংশ নেমে দাঁড়িয়েছে ১৫ হাজার ৩৩৮ পয়েন্টে। সিএসসিএক্স সূচক কমেছে ১.১৪ শতাংশ নেমে দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার ৪১৯ পয়েন্টে। এছাড়া সিএসই-৩০ সূচক কমেছে ১.৬৬ শতাংশ এবং সিএসই-৫০ কমেছে ১.২৫ শতাংশ। সপ্তাহজুড়ে সিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৬৭ কোটি ৬ লাখ টাকা, যা আগের সপ্তাহের তুলনায় ২৫ কোটি ২১ লাখ টাকা কম। লেনদেন হওয়া ৩১২টি সিকিউরিটিজের মধ্যে দর বেড়েছে ৮৯টির, কমেছে ১৯৫টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ২৮টির।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
সৌদি আরবে আগুনে নিহত নওগাঁর পাঁচজনের লাশ তিন মাস পর বাড়িতে পৌঁছেছে সরকার যদি জনগণের মত অগ্রাহ্য করে, তা চরম মূল্যে দেবে: শফিকুর রহমান টাঙ্গাইলে দুই চোখ উপড়ে আওয়ামী লীগের ওয়ার্ড সভাপতিকে হত্যা, নদী থেকে মরদেহ উদ্ধার আরেকটি জুলাই প্রতারণার স্বরূপ উন্মোচিত: শরীরে ৯ গুলির দাবি করে শেখ হাসিনার নামে মামলা, তদন্তে জানা গেল ‘ঘটনাই ঘটেনি’ প্রতিশোধ নেওয়া আমাদের চরিত্র নয়’, দেশে ফেরা নিয়ে শিক্ষার্থীদের ভয় পাওয়ার কারণ নেই: শেখ হাসিনা ৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরির দাবিতে উত্তাল শিল্পাঞ্চল, মিরপুরে সড়ক অবরোধ মিরপুরের স্পিন উইকেটে বাংলাদেশকে বড় ব্যবধানে হারালো ওয়েস্ট ইন্ডিজ বিদ্যুৎ খাতে উন্নয়ন হয়নি—টুকুর বক্তব্যের প্রতিবাদে বিপু, মনে করিয়ে দিলেন কানসাটের ১৭ প্রাণহানির ঘটনা বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণ পিছিয়ে দিল জাতিসংঘ, নতুন সময়সীমা ২০২৯ সালের ২৪ নভেম্বর ফিরতে আমাকে হবেই, আকাশ আমার ছাদ আর মাটি হবে ঘর’— গণমাধ্যমের মুখোমুখি শেখ হাসিনা লন্ডনে কিশোরী ধর্ষণের ঘটনায় দুই বাংলাদেশিকে খুঁজছে পুলিশ হাতিয়ায় পুলিশকে ঘিরে হত্যা মামলার আসামির পলায়ন হাতিয়ায় পুলিশকে ঘিরে হত্যা মামলার আসামির পলায়ন এম্বাপ্পের ওপর ক্ষোভের কারণ চীনারা জিজ্ঞেস করেও জানে না বিজ্ঞাপনে এআইয়ের প্রভাব, ৫০০ বিলিয়ন ডলার কমল গুগলের বাজারমূল্য তিনজনকে আহত করা চিতা বাঘের গন্তব্য অজানা মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলার মাওয়া প্রান্তের শিমুলিয়া ঘাট ও পদ্মা সেতু এলাকায় সন্ধ্যা ৬টার পর সব ধরনের নৌযানে পর্যটকদের ঘোরাফেরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে স্থানীয় প্রশাসন। গত ২৮শে অক্টোবর, বুধবার বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পদ্মা সেতুর ৩, ৪ ও ৫ নম্বর পিলার এলাকা এবং শিমুলিয়া ঘাটের সার্বিক নৌ-নিরাপত্তা পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা ববি মিতু। এ সময় পর্যটক ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পদ্মা সেতু এলাকায় বিশেষ সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড স্থাপন করা হয়। পরিদর্শনকালে শিমুলিয়া ঘাটের সার্বিক পরিস্থিতি, নদীপথে পর্যটকদের চলাচল, নৌযানের নিরাপত্তা এবং পদ্মাসেতুর সংশ্লিষ্ট পিলার এলাকার বর্তমান অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হয়। এ সময় নদীপথে অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা এড়াতে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার, ঘাট এলাকায় শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়। বিশেষ করে পদ্মা সেতুর পিলার সংলগ্ন এলাকায় পর্যটকদের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। একই সঙ্গে সন্ধ্যা ৬টার পর কোনো পর্যটক যাতে নদীতে ঘোরাফেরা করতে না পারেন, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করে লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা ববি মিতু তিনি জানান, মাওয়া ও শিমুলিয়া ঘাট পদ্মা নদী কেন্দ্রিক পর্যটন ও নৌ-যোগাযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। পর্যটক ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি নদীপথে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন লৌহজং উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) কর্মকর্তা শান্তনু ঘোষ সাগর, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) কর্মকর্তা নেয়াজ মোহাম্মদ খান, নৌ-পুলিশের ইন্সপেক্টর মো. মালেক খসরু, টুরিস্ট পুলিশের ইন্সপেক্টর মো. দেলোয়ার হোসেন, সাংবাদিক শেখ মো. সোহেল রানা ও শিমুলিয়া ট্রলার ঘাটের ইজারাদার মো. কাওছার সহ আরও অনেকে। এছাড়া উপজেলা প্রশাসন, নৌ-পুলিশ, টুরিস্ট পুলিশ ও বিআইডব্লিউটিএর অন্যান্য কর্মকর্তা ও সদস্যরা পরিদর্শন কার্যক্রমে অংশ নেন। সন্ধ্যার পর পদ্মা সেতু ও মাওয়া ঘাটে পর্যটক চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি বিশ্বব্যাংক: বছর শেষে জ্বালানির দাম ৩২%, খাদ্যপণ্যে ১০% আর পণ্যমূল্য গড়ে ২৩% বাড়বে অর্থনীতিবিদদের মূল্যায়ন: দেশে বিনিয়োগের পরিবেশ নেই, নেই বড় অঙ্কের এলসি খোলার গ্রাহকও