
ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর

রাজনীতিবিদশূন্য রাজনীতি এবং বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ – পর্ব ১

জুলাই সনদ ও সংস্কার মানে সন্ত্রাস, হত্যা, ধর্ষণ, লুটপাটের রাম রাজত্ব।

৭২ এর সংবিধান বাঙালির মুক্তিসনদ

গোপালগঞ্জে সেনাবাহিনীর বর্বরতা – ৭১ সালের পাকিস্তানি সেনা বর্বরতাকে হার মানায়।

মুজিবকে ছোট করে তাজউদ্দিনকে কি বড় করা যায়, নাকি সেটা সম্ভব?

টেলিগ্রাম লীগ: আশীর্বাদ নাকি সর্ববৃহৎ দায়ভার?

জাগো বাহে, কুণ্ঠে সবায়?
আওয়ামী লীগ কি খেলায় ফেরার মত যথাযথ পদক্ষেপ নিচ্ছে?

আমার সাথে অনেক অ্যাক্টিভিস্টের কথা হয়। তারা সকলেই হতাশ। হতাশ এই কারণে না যে- আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় নেই। হতাশ মূলত আওয়ামী লীগ যে সাংগঠনিক কার্যক্রম প্রায় বন্ধ রেখেছে, সেজন্য। হতাশ আরো যে, যাদের জন্য আওয়ামী লীগের ভরাডুবি, তাদেরকেই সামনে ঠেলে দিয়ে মুখরক্ষার দায়িত্ব দেয়া হচ্ছে সেজন্য।
সবচেয়ে বড় যে প্রশ্নটা হলো, আমরা অ্যাক্টিভিজম করবো, দিন শেষে যখন সুদিন আসবে তখন আবারো এই মানুষগুলো ছড়ি ঘোরাবে, যাদের জন্য দলের আদর্শিক ও নৈতিক পরাজয় এবং অবক্ষয় হয়েছে।
তাহলে কার জন্য করবো? হ্যাঁ, দেশের জন্য তো বটেই, কিন্তু সে দেশের হাল কি আবার সেই মানুষের হাতে তুলে দেবো, যারা দৃশ্যতই “মধু খেয়ে উড়ে গেছে”?
এই প্রশ্ন
শুধু অ্যাক্টিভিস্ট না, সরাসরি পার্টিজান যারা মাঠে এই বিপদের সময় জেল-জরিমানাসহ সব হারিয়েও অ্যাক্টিভ আছে, তাদেরও। হয়তো নেতাদের সাথে কথা বলার সময় বলেনা, কিন্তু আমাদের কাছে অনেক কিছুই বলে। অমি রহমান পিয়াল ভাইয়ের একটা স্ট্যাটাসে অনেকেই বিরাগভাজন হয়েছেন, উনি কংগ্রেসের সাথে তুলনা দেয়ায়। কিন্তু যদি সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত না নেয়া হয়, পার্টি বলেন আর ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান বলেন আর সাংস্কৃতিক সংগঠন- সবকিছুরই শেষ থাকে। সমস্যা হচ্ছে, এই প্রশ্নের উত্তর দেবার মতও কেউ নাই। দায়িত্বশীল কাউকে জিজ্ঞাসা করলেও অসহায়ত্ব প্রকাশ করে। গত এক বছর দিন রাত (ঘন্টায় একটা করে পোস্ট) খেটে অনেক অ্যাক্টিভিস্টও বার্নড আউট। সবচেয়ে অ্যাক্টিভ যারা, তারা ইনসেন্টিভের অভাবে একে একে অ্যাক্টিভিটি
কমিয়ে দিচ্ছে। ইনসেন্টিভ মানে টেকাটুকা না, সঠিক ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ, সিদ্ধান্ত ও কর্মকৌশল। হ্যাঁ, অ্যাক্টিভিস্টরা আওয়ামী লীগের কেউ না। কিন্তু আবার বলা যায়, ৫ই আগস্টের পর অ্যাক্টিভিস্টরাই সবকিছু। আমাদের ভেতর অনেকেই হয়তো কিছু আশা করে, কিন্তু অধিংকাশই আসলে কিছু আশা করে না। দেশ ভাল থাকলে, আমরা ভালো থাকি। আমরা কেউ আওয়ামী লীগের মত রাজনৈতিক দলের নীতি নির্ধারক না। সেই সাংগঠনিক দক্ষতা হয়তো আমাদের কারোরই নেই, কিন্তু আমরা অপিনিয়নকে ইনফ্লুয়েন্স করতে পারি, অপিনিয়ন পুশ করতে পারি, ন্যারেটিভ তৈরি করতে পারি। এটা আমাদের সক্ষমতা। কিন্তু যার জন্য করা হচ্ছে, সেই আওয়ামী লীগ আসলেই কি খেলায় ফেরার মত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে? একমাত্র শেখ হাসিনা ছাড়া কি আর
কারো কোন মাথাব্যাথা আছে? এই প্রশ্নের উত্তর কে দেবে? দেশের মানুষ অতিষ্ট হয়ে আছে, কে মুক্তির বার্তা দেবে? জবাব আছে কারো কাছে? পরিচিতি: ব্লগার এবং অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট
শুধু অ্যাক্টিভিস্ট না, সরাসরি পার্টিজান যারা মাঠে এই বিপদের সময় জেল-জরিমানাসহ সব হারিয়েও অ্যাক্টিভ আছে, তাদেরও। হয়তো নেতাদের সাথে কথা বলার সময় বলেনা, কিন্তু আমাদের কাছে অনেক কিছুই বলে। অমি রহমান পিয়াল ভাইয়ের একটা স্ট্যাটাসে অনেকেই বিরাগভাজন হয়েছেন, উনি কংগ্রেসের সাথে তুলনা দেয়ায়। কিন্তু যদি সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত না নেয়া হয়, পার্টি বলেন আর ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান বলেন আর সাংস্কৃতিক সংগঠন- সবকিছুরই শেষ থাকে। সমস্যা হচ্ছে, এই প্রশ্নের উত্তর দেবার মতও কেউ নাই। দায়িত্বশীল কাউকে জিজ্ঞাসা করলেও অসহায়ত্ব প্রকাশ করে। গত এক বছর দিন রাত (ঘন্টায় একটা করে পোস্ট) খেটে অনেক অ্যাক্টিভিস্টও বার্নড আউট। সবচেয়ে অ্যাক্টিভ যারা, তারা ইনসেন্টিভের অভাবে একে একে অ্যাক্টিভিটি
কমিয়ে দিচ্ছে। ইনসেন্টিভ মানে টেকাটুকা না, সঠিক ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ, সিদ্ধান্ত ও কর্মকৌশল। হ্যাঁ, অ্যাক্টিভিস্টরা আওয়ামী লীগের কেউ না। কিন্তু আবার বলা যায়, ৫ই আগস্টের পর অ্যাক্টিভিস্টরাই সবকিছু। আমাদের ভেতর অনেকেই হয়তো কিছু আশা করে, কিন্তু অধিংকাশই আসলে কিছু আশা করে না। দেশ ভাল থাকলে, আমরা ভালো থাকি। আমরা কেউ আওয়ামী লীগের মত রাজনৈতিক দলের নীতি নির্ধারক না। সেই সাংগঠনিক দক্ষতা হয়তো আমাদের কারোরই নেই, কিন্তু আমরা অপিনিয়নকে ইনফ্লুয়েন্স করতে পারি, অপিনিয়ন পুশ করতে পারি, ন্যারেটিভ তৈরি করতে পারি। এটা আমাদের সক্ষমতা। কিন্তু যার জন্য করা হচ্ছে, সেই আওয়ামী লীগ আসলেই কি খেলায় ফেরার মত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে? একমাত্র শেখ হাসিনা ছাড়া কি আর
কারো কোন মাথাব্যাথা আছে? এই প্রশ্নের উত্তর কে দেবে? দেশের মানুষ অতিষ্ট হয়ে আছে, কে মুক্তির বার্তা দেবে? জবাব আছে কারো কাছে? পরিচিতি: ব্লগার এবং অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট