ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মাদুরোকে তুলে নেওয়ার কয়েক মাস আগে কাবেলোর সঙ্গে যোগাযোগ করে যুক্তরাষ্ট্র
আফ্রিকায় টানা ভারী বৃষ্টিতে ভয়াবহ বন্যা, মৃত শতাধিক
২ লাখ ২১ হাজার কেজি স্বর্ণ তুলল সৌদি আরব
উগান্ডার নেতাকে হেলিকপ্টারে তুলে নিয়ে গেছে সেনাবাহিনী
পাকিস্তানে ট্রাক খালে পড়ে পরিবারের ১৪ জন নিহত
পাকিস্তানে ট্রাক খালে পড়ে পরিবারের ১৪ জন নিহত
আন্তর্জাতিক আদালতে রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগ অস্বীকার মিয়ানমারের
ইউটিউবার জ্যোতিকে নিয়ে কেনো ভয় পাচ্ছে ভারত
হরিয়ানার ইউটিউবার প্রভাবী জ্যোতি মলহোত্রার মোবাইলে ‘জাট রনধাওয়া’ নামে কার নম্বর সেভ করা ছিল? কে ওই সন্দেহভাজন ব্যক্তি? গত শনিবার হরিয়ানার পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করার পর এমন বেশ কিছু প্রশ্ন উঠে আসতে শুরু করেছে।
পুলিশের এফআইআর অনুসারে, ওই গোটা পর্বে এহসান-উর-রহিম ওরফে দানিশের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। বস্তুত, এই দানিশ ছিলেন নয়াদিল্লিতে পাকিস্তানি হাই কমিশনের এক আধিকারিক। সম্প্রতি তাঁকে এ দেশে ‘অবাঞ্ছিত’ ঘোষণা করেছে ভারত সরকার। তাঁকে ভারত ছাড়ার নির্দেশও দেওয়া হয়।
পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে জ্যোতি স্বীকার করেছেন, দানিশের সঙ্গে তাঁর আলাপ ছিল। দানিশের মাধ্যমেই বাকি সন্দেহভাজন পাক গুপ্তচরদের সঙ্গে আলাপ হয় জ্যোতির।
হিন্দুস্তান টাইম্স সূত্রে জানা যায়, পুলিশ এফআইআরে উল্লেখ করেছে, ২০২৩ সালে
পাকিস্তানে ঘুরতে গিয়ে আলি এহওয়ানের সঙ্গে আলাপ হয় হরিয়ানার ইউটিউবার প্রভাবীর। পাকিস্তানে জ্যোতির থাকা এবং তাঁকে ঘোরানোর দায়িত্ব ছিল আলির উপর। আলির মাধ্যমেই পাকিস্তানি গুপ্তচর সংস্থার আধিকারিকদের সঙ্গে আলাপ হয় ভারতীয় ইউটিউবার প্রভাবীর। এফআইআরে বলা হয়েছে, ওই সময় শাকির এবং রানা শাহবাজ় নামে দু’জনের সঙ্গেও আলাপ হয়েছিল তাঁর। এই দু’জনও পাক গুপ্তচর বলে সন্দেহ তদন্তকারীদের। পুলিশি এফআইআরে উল্লেখ রয়েছে, ২০২৩ সালে পাকিস্তানে গিয়ে আলাপ হওয়া ওই শাকিরই আসলে ‘জাট রনধাওয়া’। যাতে কারও মনে কোনও রকম সন্দেহ না জাগে, সেই জন্যই শাকিরের নম্বর ওই ভুয়ো নামে নিজের মোবাইলে সেভ করেছিলেন জ্যোতি। পাকিস্তান থেকে ফেরার পরেও সন্দেহভাজন পাক গুপ্তচরদের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ ছিল বলে
এফআইআরে বলা হয়েছে। পাক চরেদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে জ্যোতি হোয়াট্সঅ্যাপ, টেলিগ্রাম এবং স্ন্যাপচ্যাট ব্যবহার করতেন বলে সন্দেহ পুলিশের।
পাকিস্তানে ঘুরতে গিয়ে আলি এহওয়ানের সঙ্গে আলাপ হয় হরিয়ানার ইউটিউবার প্রভাবীর। পাকিস্তানে জ্যোতির থাকা এবং তাঁকে ঘোরানোর দায়িত্ব ছিল আলির উপর। আলির মাধ্যমেই পাকিস্তানি গুপ্তচর সংস্থার আধিকারিকদের সঙ্গে আলাপ হয় ভারতীয় ইউটিউবার প্রভাবীর। এফআইআরে বলা হয়েছে, ওই সময় শাকির এবং রানা শাহবাজ় নামে দু’জনের সঙ্গেও আলাপ হয়েছিল তাঁর। এই দু’জনও পাক গুপ্তচর বলে সন্দেহ তদন্তকারীদের। পুলিশি এফআইআরে উল্লেখ রয়েছে, ২০২৩ সালে পাকিস্তানে গিয়ে আলাপ হওয়া ওই শাকিরই আসলে ‘জাট রনধাওয়া’। যাতে কারও মনে কোনও রকম সন্দেহ না জাগে, সেই জন্যই শাকিরের নম্বর ওই ভুয়ো নামে নিজের মোবাইলে সেভ করেছিলেন জ্যোতি। পাকিস্তান থেকে ফেরার পরেও সন্দেহভাজন পাক গুপ্তচরদের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ ছিল বলে
এফআইআরে বলা হয়েছে। পাক চরেদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে জ্যোতি হোয়াট্সঅ্যাপ, টেলিগ্রাম এবং স্ন্যাপচ্যাট ব্যবহার করতেন বলে সন্দেহ পুলিশের।



