ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নৌযান-জেটি না থাকায় ঝুঁকি নিয়ে মাঝ নদীতে লঞ্চে উঠছে যাত্রীরা
সদরঘাটে লঞ্চ দুর্ঘটনায় ৬ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন
ফেনীতে চাঁদা না দেওয়ায় বিএনপি কর্মীর রেস্টুরেন্ট ভাঙচুর ও অর্থ লুটপাট যুবদলকর্মীদের
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১২ কিমিজুড়ে থেমে থেমে যানজট
আইজিপির বাসায় চুরির খবর গুজব: পুলিশ সদর দপ্তর
মাইক্রোবাসের সিলিন্ডার বিস্ফোরণে চালকসহ নিহত ৩
চাল চুরির সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকের ওপর ছাত্রদল নেতার হামলা!
নববর্ষে ইউএনওকে লাঞ্ছিতের ঘটনায় যুবদল নেতা গ্রেফতার
নেত্রকোনার আটপাড়া উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক আয়োজিত বর্ষবরণ অনুষ্ঠান চলাকালে মঞ্চে হামলা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ অন্য কর্মকর্তাদের লাঞ্ছিত করার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় যুবদল নেতা কামাল হোসেন তালুকদারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
রোববার দুপুরে রাজধানীর পল্টন এলাকা থেকে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও আটপাড়া থানা পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতার কামাল জেলার আটপাড়া উপজেলা যুবদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক। তিনি মামলার তিন নাম্বার আসামি।
উপজেলা প্রশাসন, মামলার এজাহার ও কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ১৪ এপ্রিল দুপুরে আটপাড়া উপজেলা পরিষদসংলগ্ন মুক্তমঞ্চে প্রশাসন আয়োজিত বর্ষবরণের অনুষ্ঠান চলাকালে উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব নূর মোহাম্মদ খান ফরিদ, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক
কামাল হোসেন তালুকদার ও মোতাসছির হোসেনের নেতৃত্বে বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী অনুষ্ঠানস্থলে হাজির হয়ে ইউএনওকে অনুষ্ঠান বন্ধ করতে বলেন। এ সময় ইউএনও কারণ জানতে চাইলে তারা বলেন, মঞ্চের ব্যানারে কেন স্থান হিসেবে ‘উপজেলা পরিষদ বঙ্গবন্ধু চত্বর’ লেখা হয়েছে? এ কথা বলে নেতাকর্মীরা মঞ্চে থাকা ব্যানার ছিঁড়ে ফেলেন। এ সময় ইউএনওসহ কর্মকর্তারা তাদের বাধা দিতে চাইলে ওই নেতারা তাদের লাঞ্ছিত করেন বলে অভিযোগ উঠে। তাদের মধ্যে এক নেতা উপস্থাপককে মারধর করে মাইক কেড়ে নিয়ে ইউএনওকে অশ্রাব্য ভাষায় গালমন্দসহ ফ্যাসিস্টের দোসর হিসেবে আখ্যায়িত করে আন্দোলনের ঘোষণা দেন। এতে অনুষ্ঠানটি পণ্ড হয়ে যায়। পরে দেখা যায়, ফেসবুকে পোস্ট করা ১৪৩০ সালের ব্যানারের ছবি দেখে
তারা এ কাজ করেছেন। অবশ্য ওই নেতারা তাদের ভুল বুঝতে পেরে তাৎক্ষণিক ইউএনওর কাছে ক্ষমা চান। ঘটনার পর দিন মঙ্গলবার দুপুরে ইউএনও কার্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোতাহার হোসেন বাদী হয়ে নূর মোহাম্মদ খান ফরিদ, মোতাসছির হোসেন ও কামাল হোসেন তালুকদারের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ১২ জনকে আসামি করে দ্রুতবিচার আইনে মামলা করেন। রোববার আসামি কামাল হোসেন তালুকদারকে ঢাকার পল্টন এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। এ ব্যাপারে আটপাড়া থানার ওসি মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান বলেন, মামলার তিন নাম্বার আসামি কামাল হোসেনকে থানা-পুলিশ ও ডিবি পুলিশের যৌথ অভিযানে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়। অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।
কামাল হোসেন তালুকদার ও মোতাসছির হোসেনের নেতৃত্বে বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী অনুষ্ঠানস্থলে হাজির হয়ে ইউএনওকে অনুষ্ঠান বন্ধ করতে বলেন। এ সময় ইউএনও কারণ জানতে চাইলে তারা বলেন, মঞ্চের ব্যানারে কেন স্থান হিসেবে ‘উপজেলা পরিষদ বঙ্গবন্ধু চত্বর’ লেখা হয়েছে? এ কথা বলে নেতাকর্মীরা মঞ্চে থাকা ব্যানার ছিঁড়ে ফেলেন। এ সময় ইউএনওসহ কর্মকর্তারা তাদের বাধা দিতে চাইলে ওই নেতারা তাদের লাঞ্ছিত করেন বলে অভিযোগ উঠে। তাদের মধ্যে এক নেতা উপস্থাপককে মারধর করে মাইক কেড়ে নিয়ে ইউএনওকে অশ্রাব্য ভাষায় গালমন্দসহ ফ্যাসিস্টের দোসর হিসেবে আখ্যায়িত করে আন্দোলনের ঘোষণা দেন। এতে অনুষ্ঠানটি পণ্ড হয়ে যায়। পরে দেখা যায়, ফেসবুকে পোস্ট করা ১৪৩০ সালের ব্যানারের ছবি দেখে
তারা এ কাজ করেছেন। অবশ্য ওই নেতারা তাদের ভুল বুঝতে পেরে তাৎক্ষণিক ইউএনওর কাছে ক্ষমা চান। ঘটনার পর দিন মঙ্গলবার দুপুরে ইউএনও কার্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোতাহার হোসেন বাদী হয়ে নূর মোহাম্মদ খান ফরিদ, মোতাসছির হোসেন ও কামাল হোসেন তালুকদারের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ১২ জনকে আসামি করে দ্রুতবিচার আইনে মামলা করেন। রোববার আসামি কামাল হোসেন তালুকদারকে ঢাকার পল্টন এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। এ ব্যাপারে আটপাড়া থানার ওসি মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান বলেন, মামলার তিন নাম্বার আসামি কামাল হোসেনকে থানা-পুলিশ ও ডিবি পুলিশের যৌথ অভিযানে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়। অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।



