নতুন টাকা কীভাবে ছাপা হয়, কোন নোট ছাপাতে কত খরচ? – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৬ মার্চ, ২০২৫

নতুন টাকা কীভাবে ছাপা হয়, কোন নোট ছাপাতে কত খরচ?

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৬ মার্চ, ২০২৫ |
সাধারণত প্রতি বছর ঈদকে সামনে রেখে বাজারে ছাড়া হয় নতুন টাকা। ঈদের আগে ঈদ সালামির নতুন টাকার জন্য অনেক সাধারণ মানুষ ভিড় করেন বাংলাদেশ ব্যাংকে বা খোলাবাজারে। অনেকে ব্যাংক থেকেও সংগ্রহ করেন নতুন টাকা। তবে এবারের আসন্ন ঈদে নতুন নোট বাজারে আসছে না। গত সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, অনিবার্য কারণে এবার ঈদে নতুন নোট বাজারের ছাড়ার সিদ্ধান্ত স্থগিত করা হয়েছে। রীতি মেনে এবার নতুন নোট বাজারে না ছাড়ায় অনেকে হতাশ হবে। কারণ, ঈদে অনেকেই স্বজন-বন্ধুদের নতুন টাকা উপহার দেন। যদিও এর আগে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছিল, পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে নতুন টাকা পাওয়া যাবে ১৯ মার্চ থেকে। এবার ৫, ২০ ও ৫০

টাকার নতুন নোট দেওয়া হবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এবার তা থেকে সরে এল বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন টাকা ছাপা কীভাবে হয় এবং তাতে কেমন খরচ হয়, তা জেনে রাখা ভালো। টাকা মুদ্রণ বা ছাপা হয় গাজীপুরের টাঁকশালে। দেশের মানুষের কাছে এটি ‘টাঁকশাল’ নামে পরিচিত হলেও টাকা ছাপানোর এই প্রতিষ্ঠানটির নাম ‘দ্য সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশন (বাংলাদেশ) লিমিটেড’। ১৯৭২ সালের ৪ মার্চ এখানে পাকিস্তানি মুদ্রার পরিবর্তে বাংলাদেশের মুদ্রা হিসেবে টাকার প্রচলন শুরু হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তরা জানান, কাগজ-কালি ছাপাখানা পর্যন্ত পৌঁছানোর পর ১০, ২০ ও ৫০, ১০০ টাকার নোট ছাপা শুরুর দিন থেকে বাজারে দিতে অন্তত ১৭ দিন লাগে। আর ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট

ছাপা শুরুর দিন থেকে বাজারে যাওয়া পর্যন্ত লাগে অন্তত ২৬ দিন। কেননা নোট ছাপানোর পর প্রথমে তা বদ্ধঘরে বিশেষ ব্যবস্থায় শুকানো হয়। শুকাতে তিন থেকে সাতদিন সময় লাগে। শুকানোর পর প্রতিটি নোটের ছাপার মান যাচাই করা হয়। মান ঠিক থাকলে তা কাটিং করে বাইন্ডিং করা হয়। এরপর আবার মান যাচাই করে বাক্সবন্দি করে নানা প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে বাজারে দেওয়া হয়। কোন নোট ছাপাতে কত খরচ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জাগো নিউজকে বলেন, ১০০০ টাকার নোট ছাপাতে ৫ টাকা ও ৫০০ টাকার নোট ছাপানোয় খরচ পড়ে সাড়ে ৪ টাকা। এছাড়া ২০০ টাকার নোটে তিন টাকার কিছু বেশি, ১০০ টাকার নোটে

৪ টাকা, ১০, ২০, ৫০ টাকার সবগুলো নোটই দেড় টাকা খরচ পড়ে। আর ৫ টাকা, ২ টাকার নোট ছাপাতে খরচ পড়ে প্রায় দেড় টাকা। দেশে কবে কোন নোটের প্রচলন বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে ১৯৭১ সালে। এরপর ১৯৭২ সালের ৪ মার্চ দেশের নিজস্ব কাগুজে মুদ্রা চালু হয়। মানচিত্র খচিত প্রথম নোটটি ছিল এক টাকার। এক টাকার নোটটিতে অর্থসচিব কে এ জামানের স্বাক্ষর ছিল। ১৯৭৩ সালে ৫, ১০ ও ১০০ টাকার নোট ইস্যু করে বাংলাদেশ। এরপর ৫০ ও ৫০০ টাকার নোটের প্রচলন করা হয় ১৯৭৬ সালে। ১৯৭৯ সালে ইস্যু করা হয় ২০ টাকার নোট। দেশে দুই টাকার নোট চালু হয় ১৯৮৮ সালে। ২০০৯ সালের

১৭ জুলাই বাজারে আনা হয় সবচেয়ে বেশি মানের ১০০০ টাকার ব্যাংকনোট। আর ২০২০ সালে সবশেষ বাজারে আসে ২০০ টাকার নোট।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
লক্ষ্যমাত্রা থেকে ৭ বিলিয়ন ডলার পিছিয়ে শেষ হলো রপ্তানির বছর রোনালদো ও রামোসের গোলে ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে পর্তুগাল “জুলাই আন্দোলন পরিকল্পিত ডিজাইন ছিল, যেখানে স্নাইপার ব্যবহার করা হয়েছে”— বিএনপির সাংসদ নিলোফার চৌধুরী মনি “প্রতিটি ফোঁটা রক্তের হিসেব নিতে হবে, সেইভাবে প্রস্তুত হও”— নিপীড়িত নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে শেখ হাসিনা গ্যাসের অভাবে বন্ধ ৫৫০ কারখানা, ঝুলে আছে নতুন ১৮০০ আবেদন রাঙামাটিতে ৩ হাজার ইয়াবাসহ গণ অধিকার পরিষদের জেলা সহসভাপতি গ্রেপ্তার মাদক সিন্ডিকেটের হোতাকে ছাড়াতে থানায় যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতারা জাবিতে গোপনে ছাত্রীদের ছবি তুলতে গিয়ে ধৃত যুবদল নেতা মুচলেকায় মুক্ত, গাড়ি থেকে উদ্ধার মাদক গ্যাস সংকটে বিপর্যস্ত জামালপুর অর্থনৈতিক অঞ্চল: ২০ কোটি ডলারের বিনিয়োগ ঝুঁকিতে আর্জেন্টিনা বনাম কেপ ভার্দে: কিছু জরুরি তথ্য ‘দেশে এখন পক্ষ দুটি- মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে অথবা বিপক্ষে’, অবস্থান স্পষ্ট করার আহ্বান মিথিলা ফারজানার ‘মৃত্যুর ভয় দেখিয়ে লাভ নেই, গাজীপুরে শেখ হাসিনার আইন চলবে’ বাংলাদেশি চিত্রগ্রন্থ ‘প্যারিসের ছবি’কে প্রশংসায় ভাসালেন প্যারিসের মেয়র বিশ্বকাপে রোনালদোর ১১ গোলের ৪টিই পেনাল্টি থেকে মেসির পেনাল্টি ঠেকানোর স্বপ্ন কি আজ সত্যি হবে ভোজিনিয়ার ঘানার অদম্য লড়াই, কলম্বিয়ার স্বপ্ন খামেনির ‘রক্তের বদলা’ নেওয়ার শপথ ইরানের হাম উপসর্গে ৫ শিশুর মৃত্যু সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কতা সংকেত প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিতরণের আগেই পচা ডিম শনাক্ত